• বুধবার, ১৭ অগাস্ট ২০২২, ০৭:২২ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
বিএমএসএফ কক্সবাজার জেলা শাখার উদ্দ্যোগে ১৫-ই আগষ্ট উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন। নারী চিকিৎসককে গলা কেটে হত্যা, কথিত প্রেমিক কক্সবাজারের রেজা চট্টগ্রামে আটক ভোটার প্রক্রিয়ায় রোহিঙ্গা অধ্যুষিত সীমান্ত এলাকার জন্য ইসি সচিবালয় কর্তৃক ঘোষিত নির্দেশিকা। কক্সবাজার জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইন চার্জ মনোনীত হয়েছেন’ উখিয়া থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী নাদিম আবাসিক হোটেলে মিলল এক নারী চিকিৎসকের গলাকাটা লাশ, কথিত স্বামী পলাতক। বনের জন্য কক্সবাজার হবে মডেল জেলা-প্রধান বনসংরক্ষক কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সন্ত্রাসীদের গুলিতে হেড মাঝিসহ ০২জন নিহত। আর্থিক খাতে লুটপাটের দায় জনগণ শোধ করবে কেন? মাদক ও ইয়াবার বিরুদ্ধে চলমান অভিযান অব্যাহত রেখে তরুণ সমাজকে রক্ষা করুণ । কক্সবাজার জেলা বিএমএসএফ এর জরুরী সভা অনুষ্ঠিত

করোনা ভাইরাসের নতুন একটি স্ট্রেইন এবং রোগ শোকে আমাদের ধর্মীয় নির্দেশনা।

AnonymousFox_bwo / ২১৭ মিনিট
আপডেট সোমবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২০

আইকন নিউজ ডেস্কঃ

করোনাভাইরাসের নতুন একটি স্ট্রেইন বাংলাদেশে শনাক্ত হয়েছে, যেটির সঙ্গে ব্রিটেনের নতুন করোনাভাইরাসের সাদৃশ্য রয়েছে। ব্রিটেন আর সাউথ আফ্রিকায় ভাইরাসটি মিউটেশন করে আগের চেয়ে ৭০% বেশী অতি সংক্রামক চেহারা নিয়ে আবির্ভুত হয়েছে। তবে যে ভ্যাক্সিনগুলি বের হয়েছে সেগুলো এই নতুন স্ট্রেইনকেও কভার করবে।

বাংলাদেশের বিসিএসআইআর-এর বিজ্ঞানীরা ১৭টি নতুন জিনোম সিকোয়েন্স পরীক্ষা করে পাঁচটিতে এই নতুন ভাইরাস স্ট্রেইন শনাক্ত করেছেন। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডক্টর সেলিম খান বিবিসি বাংলাকে এ খবর নিশ্চিত করেছেন।

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। অনেক দেশের হাসপাতালগুলি আবার ফুল হয়ে গেছে। আমরা বাংলাদেশিরা এমনিতেই বিশ্বাস করি আল্লাহর ইচ্ছা ছাড়া কিছু হবেনা। তবুও ভয় না পাবার জন্য ধর্মপ্রাণ মানুষদের জন্য কিছু তথ্য দিচ্ছি।

কোভিড -১৯ ভাইরাসকে আমরা এখনো বুঝে উঠতে পারিনি। একমাত্র আল্লাহই কোভিড -১৯ এর বাস্তবতার পরম জ্ঞান রাখেন। আমরা কেবল আমাদের সামনে যা আছে তা মোকাবেলা করতে বাধ্য এবং যা আমাদের থেকে গোপনীয় নয়।

চিকিৎসা ও প্রতিষেধক নেয়া সুন্নত। সেই যুগের ডাক্তারী বিদ্যা অনুযায়ী নবী( স) রোগ প্রতিরোধ করার জন্যে সিঙ্গা বা কাপিং করে রক্ত-মেহন করাতেন। সমস্ত রকম দূষণের ক্ষতি থেকে বাঁচার জন্য সকালে খালি পেটে ৭টি আজোয়া খেজুর খেতে বলতেন। কালো রংয়ের আজোয়া খেজুর ছোট শুকনো বড়ই এর মত দেখতে এবং মিষ্টি কম।

করোনা প্রতিরোধে মাস্ক পড়া, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা ও হাত ধোয়া, ভ্যাক্সিন আসলে টিকা নেয়া– রোগ প্রতিরোধের সুন্নতের মধ্যে পড়বে বিশ্বাসীদের জন্যে।

করোনা বা অপ্রতিরোধ্য যেকোন পরিস্থিতিতে মেডিক্যাল ভ্যাক্সিনের সাথে ইস্তেগফার আধ্যাতিক ভ্যাক্সিনের কাজ করে।

এই তথ্যের কথা আল্লাহ এভাবে বলেছেন, “অতঃপর বলেছি, তোমরা তোমাদের পালনকর্তার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা কর। তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল। (এটি করলে) তিনি তোমাদের উপর আনবেন মেঘমালা, পরিমান মতো বৃষ্টি, তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি বাড়িয়ে দিবেন, তোমাদের জন্যে উদ্যান স্থাপন করবেন ( যাতে ফসল হবে) এবং তোমাদের জন্যে নদীনালা প্রবাহিত করবেন (সুপেয় পানি ও ফসলের পানি)।” মানে ইস্তেগফারের কারণে আল্লাহ মানুষকে সুন্দর স্বাভাবিক জীবনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
(সূরা নূহ ১০-১১-১২)।

ইউনূস (আ) আল্লাহর পথে জনগণকে দাওয়াত দিতেন, তারা প্রত্যাখ্যান করায় তিনি আল্লাহর নির্দেশিত এলাকা ইরাকের আশুরিয়া ছেড়ে সমুদ্রপথে মাইগ্রেট করতে গেলে আল্লাহর আদেশে তিনি তিন অন্ধকারের বিপদে পড়েছিলেন। ১) (সম্ভবতঃ নীল তিমি) মাছের শরীরের অন্ধকারে। ২)রাতের অন্ধকারে এবং ৩) সমুদ্রের তলদেশের অন্ধকারে। ২৫টি হাতির সাইজের স্তনপায়ী নীল তিমি মাছ মানুষের মতো সারাজীবন শ্বাস-প্রশ্বাস নিয়ে নিয়ে পানিতে বাস করে।

আল্লাহ তাকে এমন যৌগিক অন্ধকার থেকে মুক্তি দিয়েছিলেন এই ইস্তেগফার দোয়াটির জন্যে- লা ইলাহা ইল্লা আন্তা সুবহানাকা ইন্নি কুন্তু মিনাজজলিমীন।
এই দোয়া আমরা আল্লাহকে মনে রেখে সবসময় যেন পড়ি। কোভিড -১৯ এর অনেক অন্ধকার থেকে এই দোয়া আমাদেরকে মুক্তি দিবে ইনশাআল্লাহ।

নবী(স) বলেছেন “ছোঁয়াচে রোগ বলে কিছু নেই”– কথাটির মানে হলো, আল্লাহর অনুমতি ব্যাতিত কোন রোগ কোনো মানুষকে সংক্রমিত করতে পারেনা। কিন্তু সক্রমন হয়ে গেলে অসুস্থতা পাপকে ক্ষমা করে এবং আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করায়।

রাসুলুল্লাহ (সা) উল্লেখ করেছেন; কোনও ক্লান্তি, কোনো অসুস্থতা, দুঃখ, বেদনা, মানসিক বা শারীরিক আঘাত বা কোন যন্ত্রণা কোন (খাঁটি) মুসলমানের উপর আসেনা, তবে আসলে এইসব বড় কষ্ট ছাড়াও এমনকি একটি কাঁটার খোঁচা থেকেও যে ব্যথা হয়, তাঁর জন্যেও আল্লাহ তার বিশ্বাসী বান্দার কিছু পাপ ক্ষমা করেন”। (সহীহ আল বুখারী ৫৬৪১ ও ৫৬৪২)

আরেকটি কথা।
করোনার চেয়েও ভয়ঙ্কর ভাইরাস গিবা বা গীবতের ভাইরাস থেকে আল্লাহ আমাদেরকে রক্ষা করুন। এই ভাইরাস আমাদের জমা করা নেকী আগুনের মতো জ্বালিয়ে দেয় মুহূর্তের মধ্যে।

‘ঘৃণা ও শত্রুতা ছড়িয়ে দেওয়া’ আরেকটি ভাইরাস যেটি আমাদেরকে আধ্যাত্মিকতাকে হত্যা করে। আমাদের নফসকে নিয়ন্ত্রণ করার একটি পথ হচ্ছে অন্যের মতামতের বৈধ পার্থক্য সহ্য করা। আমাদের সবার দৃষ্টিভঙ্গি একেবারে সঠিক হওয়ার জন্য জোর দেওয়া উচিত নয়। আমরা আল্লাহকে ভয় করতে শিখি এবং সবাই সংযম প্রয়োগ করি।

”হে চিরস্থায়ী! আমি আপনার করুণার মাধ্যমে আপনার সাহায্য প্রার্থনা করি, আমার সমস্ত বিষয় আমাকে সংশোধন করুন এবং চোখের পলকের জন্যও আমাকে আমার কাছে একা ছেড়ে যাবেন না। (আল-সুনান আল-কুবরা: ৬/১৪৭)

আইকন নিউজ/আ র / ২৮ শে ডিসেম্বর-২০২০


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর....