• সোমবার, ০৮ অগাস্ট ২০২২, ০৯:৩৯ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
কক্সবাজার জেলা বিএমএসএফ এর জরুরী সভা অনুষ্ঠিত উখিয়া স্পেশালাইজড হসপিটাল এ জনপদের চাহিদা, আশা-আকাঙ্ক্ষা পুরণে সক্ষম? নাকি শুধুই গতানুগতিক! ফেসবুকে পরিচয় ও প্রেম-অতপরঃ এক কলেজ শিক্ষিকাকে কলেজ ছাত্রের বিয়ে! উখিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল হুদা নির্বাচিত। উখিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের কাউন্সিল ও সম্মেলন কালঃ সভাপতি ও সাঃসম্পাদক পদে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস। আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই , মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ডঃ শিরীন আখতার। আসন্ন উখিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের ত্রি বার্ষিক নির্বাচনে, সভাপতি পদে জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী স্পষ্টতঃ এগিয়ে। উখিয়ায় পয়ঃনিষ্কাশন ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার অপ্রতুলতা এবং ময়লা ফেলার নির্দিষ্ট ভাগাড়ের অভাব। দেশে প্রতিবছর পানিতে ডুবে ১৪ হাজারের বেশি শিশুর মৃত্যু হয়। যানযট নিরসন ও বনভুমি রক্ষার্থে কঠোর সিদ্ধান্তে যাচ্ছেন উখিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার।

কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফে অবাধে পাহাড় ও বৃক্ষ নিধন এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বিরুপ প্রভাব, দেখার কেউ নেই।

AnonymousFox_bwo / ২৮৬ মিনিট
আপডেট বুধবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২১

এম আর আয়াজ রবি

কক্সবাজারের দক্ষিণাংশের সীমান্তবর্তী এলাকা উখিয়া, টেকনাফ ও পার্শবর্তী বান্দরবান এলাকা। এতদঅঞ্চলের একদিকে বিশাল বনায়ন, অন্যদিকে দিগন্ত ছোয়া উঁচু উঁচু পাহাড়, পর্বত, মালভুমি, সমুদ্র ও সমতলভুমি যার পরতে পরতে লুকিয়ে আছে অপূর্ব প্রকৃতির সৌন্দর্য্যের সমারোহ। কোথাও কোথাও প্রবাহিত হয়েছে প্রাকৃতিক ঝর্ণাধারা। অপরুপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি কক্সবাজারের দক্ষিণাংশ প্রকৃতির উপর নিষ্টুর অত্যাচারে আজ দিশেহারা যেন মনুষ্যজাতি পাহাড় ও বনভুমি ধ্বংসের প্রতিযোগিতায় নেমেছে। পার্শ্ববর্তী মিয়ানমারের বিভিন্ন অংগরাজ্য থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গা শরণার্থীরা প্রতিদিন উজাড় করছে বনভূমি; ধ্বংস করছে পাহাড়, গাছপালা ও লতাগুল্ম। সাথে রয়েছে তাদের সেবা প্রদানের জন্য নিয়োজিত দেশি বিদেশি এনজিও, আইএনজিও কর্মীদের আবাসস্থল, বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী, লজিস্টিক সামগ্রী রাখার ও পরিবেশনের জন্য নির্মিত গুদাম ঘর ও অন্যান্য প্রয়োজনে নির্মিত হচ্ছে বিভিন্ন স্থাপনা, অবকাঠামোসহ বিভিন্ন উন্নয়নমুলক কর্মসূচী। এসব প্রত্যেকটি কার্যক্রমে ক্রমাগত চাপ রয়েছে পাহাড়, বনভুমি ও অন্যান্য প্রাকৃতিক সম্পদের উপর। ফলে হুমকির মুখে রয়েছে এতদঅঞ্চলের পরিবেশ, প্রতিবেশ, ইকোসিস্টেম, বাস্তুসংস্থান ও জীববৈচিত্র্য। মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে টেকনাফের সাবরাংয়ে সরকার অনুমোদিত এক্সক্লুসিভ ট্যুরিস্ট জোনসহ বিভিন্ন পাহাড়, টিলা, উপত্যকা ও বাংলাদেশের দক্ষিনাঞ্চলের সংরক্ষিত বনাঞ্চলসমুহ।

বর্তমান বিশ্বে পরিবেশগত সমাস্যা একটি মারাত্মক সমাস্যা।নিজেদের অবহেলার কারনেই প্রতিদিন আমরা চারপাশে তৈরি করছি বিষাক্ত পরিমন্ডল, নিজেদের ও ভবিষ্যত প্রজন্মকে ঠেলে দিচ্ছি এক নিঃশব্দ বিষক্রিয়ার মধ্যে। ফলে ঘটছে পরিবেশের মারাত্মক অবনতি, যা আমাদের জীবন, জীবিকা ও বেঁচে থাকার জন্য মারাত্মক হুমকি স্বরুপ। একসময় বাংলাদেশ ছিল প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যের লীলাভুমি। এ দেশের মাঠ, ঘাট, পাহাড়, পর্বত, নদী-নালা, বায়ু সবকিছু ছিল নির্মল ও বিশুদ্ধ। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, মনুষ্য বাসের বা প্রাণিকুলের বেঁচে থাকার পরিবেশের প্রধানতঃ তিনটি উপাদান মাটি, পানি ও বায়ু নানা উপায়ে দূষিত হচ্ছে। এ দূষন আমরা ঘটাচ্ছি কখনো জেনে বা কখনও অবচেতন মনে।

তাছাড়া জলবায়ু ও পরিবেশ দূষণের ক্ষেত্রে মানুষের সংশ্লিস্টতা কতটা দায়ী তার উত্তর খুঁজতে পরিবেশ বিজ্ঞানীরা রীতিমতো গোয়েন্দাগিরি গবেষণা চালিয়ে অবশেষে মন্তব্য করেছেন—বর্তমান বিশ্বে জলবায়ু ও পরিবেশ বিনষ্টে প্রধানত নেতৃত্ব দিচ্ছে অনিঃশেষ জনসংখ্যার অনাকাঙ্ক্ষিত বিস্ফোরণ। এ ফলাফল প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এক শ ৫০ বছর ধরে পরিবর্তিত পারিপার্শ্বিকতার বিভিন্ন দিকগুলো পৃথক পৃথকভাবে বিশ্লেষণের ভেতর দিয়ে। সে সব বিশ্লেষণে বিজ্ঞানীরা দেখিয়েছেন, মানবসৃষ্ট কার্যকারণে উত্তপ্ত সূর্যরশ্মি (বায়ুমণ্ডলের ওজোন স্তর ক্ষয়ে যাওয়ার কারণে) ও গ্রিনহাউস গ্যাস ভূপৃষ্ঠের প্রত্যেক স্থানে বিরূপ প্রভাব সৃষ্টি করে কীভাবে ডেকে আনছে বিশ্ব পরিবেশের বিপর্যয়। বিস্তীর্ণ সাগর-মহাসাগরের জলে সেই প্রতিক্রিয়া কেমনভাবে ঘনিয়ে তুলেছে বিপদসংকুলতার নানান স্তর। পৃথিবীব্যাপী বনাঞ্চলের ধ্বংস প্রাপ্তির পর্যায়ক্রম ক্ষতির কোন কোন পর্যায়গুলোকে করে তুলেছে দৃশ্যমান। ব্যবহৃত অথবা অব্যবহৃত বর্জ্যের ক্রমপ্রসারমানতা কেমন করে দূষিত করছে বিরাট বিশ্বের মুক্ত বায়ু। প্রাকৃতিক সম্পদের অতি ব্যবহার কতটা নির্দয়ভাবে বয়ে আনছে ভবিষ্যৎ পরিবেশের করুণ পরিণতি। এদের প্রত্যেকটি নেগেটিভসূচক কার্যকারণের সম্পৃক্ততায় জড়িত থাকার কারণে জীব ধাত্রী পৃথিবীর বায়োডাইভারসিটি কী মারাত্মক বাস্তবতার সম্মুখীন আছে!

বিজ্ঞানের পরিভাষায় ‘বায়োডাইভারসিটি’ হলো, ইকোসিস্টেমের কারণে পৃথিবীর বুকে বিবিধ বৈচিত্র্যের সম্মিলন। যে সম্মিলনে প্রকৃতির নিজস্ব নিয়মে গড়ে ওঠা প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্যতা বজায় থাকে। সব রকম গাছপালা, পশুপাখি, কীটপতঙ্গের পারস্পরিক ক্রিয়া প্রতিক্রিয়ার সম্পর্কগুলো ভিন্ন ভিন্ন ভূমিকা পালনের মাধ্যমে জীবনধারায় পরম্পরা আনে। তাই প্রকৃতি ও পরিবেশের পক্ষে যেমন, তেমনি মানুষের পারিপার্শ্বিকতায় সামঞ্জস্য বিধানের জন্য বায়োডাইভারসিটির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জলবায়ু ও পরিবেশ দূষণের মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তিত হয়ে, পরিবেশ অবক্ষয়িত হয়ে পৃথিবীর হাজার প্রজাতির কীটপতঙ্গ, জীবজন্তু, পশুপাখি, তৃণলতা, গাছপালার বিলুপ্তিকরণে হারিয়ে যাচ্ছে বৈচিত্র্যের সেই সমন্বয়সাধন। পরিণামে কঠিন বাস্তবতা ছুঁয়ে দিচ্ছে বিপর্যয়ের সব চরম প্রান্তগুলো।

গত ০৭ অক্টোবর-২০২০ইংরেজি তারিখ, ‘ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরাম’ এর একটি ভার্চুয়াল কনফারেন্সে আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, রোহিঙ্গাদের কারণে বাংলাদেশের সামাজিক ও পরিবেশগত ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, জলবায়ুর ক্ষতি ঠেকাতে না পারলে বহু মানুষ পৃথিবীতে জলবায়ু উদ্বাস্তু হবে, যার ভার পৃথিবী সইতে পারবে না। এছাড়া, জলবায়ুর ক্ষতি কমাতে উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য প্রতিবছর অন্তত ১০০ বিলিয়ন বরাদ্দের আহ্বান জানান তিনি।
জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস, গ্লোবাল সেন্টার অন অ্যাডাপটেশন (জিসিএ) চেয়ার বান কি মুন, সিভিএফ দেশগুলোর রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান, কপ-২৬-এর আয়োজক ও সহ-আয়োজক যথাক্রমে যুক্তরাজ্য, ইতালি ও নেদারল্যান্ডস; সিভিএফ থিমেটিক অ্যাম্বাসেডরদের উক্ত ভার্সুয়াল সংযোগে যুক্ত থাকা অবস্থায় তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার বৃদ্ধি, শিল্পায়ন, নগরায়ন, অবাধে পাহাড় কর্তন, বৃক্ষ নিধন এবং পরিবেশ সুরক্ষায় সচেতনতার অভাবে আমাদের বর্তমান পরিবেশ বসবাসের অযোগ্য হয়ে উঠেছে। কলকারখানাও যানবাহনের নানা রকম ক্ষতিকারক গ্যাস, বিভিন্ন শিল্পের বিষাক্ত বর্জ্য প্রভৃতির কারনে বাংলাদেধের পরিবেশ আজ মারাত্মক হুমকির সম্মূখীন।অবাধে পাহাড় কর্তনের ফলে, প্রাকৃতিক পেরেকখ্যাত পাহাড়সমূহ ধ্বংশ করে প্রাকৃতিক ভারসাম্য বিনষ্ট হচ্ছে, সমুদ্রের উচ্চতা বৃদ্ধির আশংকায় সমতলভুমি সমুদ্রগর্ভে হারিয়ে যাবার শংকা সৃষ্টি হচ্ছে, অন্যদিকে বৃক্ষ নিধনের ফলে বাতাসে অক্সিজেনের মাত্রা নেমে যাচ্ছে, বাড়ছে বাতাসে সিসার পরিমান, বিলুপ্ত হচ্ছে নানা প্রজাতির পক্ষীকূল ও বনজ প্রানী। নদীতে পানি দূষনের ফলে ধীরে ধীরে মাছের সংখ্যা কমে যাচ্ছে।ফলশ্রুতিতে পরিবেশ হচ্ছে দূষিত হারিয়ে ফেলছে পরিবেশের ভারসাম্য, হারিয়ে যাচ্ছে জৈব বৈচিত্রের সম্ভার।

পরিবেশ বিপর্যয় সম্পর্কে বিজ্ঞানীরা আশংকা করছেন বাতাসে যদি কার্বন্ডাই অক্সাইড ক্রমশ বৃদ্ধি পেতে থাকে এরফলে পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধের গড় তাপনাত্রা যদি ২ ডিগ্রী সেলসিয়াস বৃদ্ধি পা্য এর ফলশ্রুতিতে উত্তর গোলার্ধের বরফ গলে উঁচু হয়ে উঠবে সাগরের পানির স্তর। আর বহু কোটি টন কয়লার ধোয়া আর ধুলাবালি যদি প্রাণ শক্তি প্রদেয় সূর্যালোককে পৃথিবীতে পৌছাতে বাধা দেয় তবে তার ফলাফলও হবে অত্যন্ত ভয়াবহ।যদি এ কারনে পৃথিবীতে আলো আসার পরিমান বর্তমানের তুলনায় ১.৫% থেকে ২% ভাগও কমে যায়, তাহলে ক্রমে মেরু অঞ্চলের চিরস্থায়ী বরফ ছড়িয়ে পড়বে বিষুব অঞ্চল পর্যন্ত। আর পৃথিবীর বুকে নেমে আসবে প্রবল শীতের মৃত্যুর পরশ।

সমুদ্র পৃষ্টের উচ্চতা বৃদ্ধিতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্লাবনজনিত ক্ষতির সম্নুখীন হতে পারে বাংলাদেশের প্রায় ১২০ হাজার বর্গকিলোমিটার অঞ্চল।এ-ই উচ্চতা যদি ১ ইঞ্চিও বৃদ্ধি পায়, দক্ষিণের দ্বীপগুলো ও সুন্দরবনের ২০% চলে যাবে সাগর গর্ভে। এতে করে উল্লেখযোগ্য হারে প্রাণি ও উদ্ভিদ প্রজাতি ধ্বংশ হয়ে যাবে। জলবায়ু পরিবর্তনে বর্ষার সময় অতি বৃষ্টিতে বন্যার প্রকোপ বাড়বে পক্ষান্তরে শীত মৌসুমে দেশের প্রধান প্রবাহমান নদীর গতি প্রবাহ কমে যাবার আশংকায় থাকবে বাংলাদেশ।

জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসন ‘বায়োডাইভারসিটি’ ও ‘ইকোসিস্টেম’কে ভারসাম্য রাখার জন্য পাহাড়, বনভুমি ও অন্যান্য প্রাকৃতিক পরিবেশবান্ধব উপকরণসমুহ রক্ষার তেমন চেষ্টা করছেন না বা চেষ্টা করেও তা সুষ্টভাবে বজায় রাখতে পারছেন না বলে সচেতন মহলের ধারনা। দেশে পাহাড় কর্তন ও বৃক্ষনিধন রোধে কত ধরনের আইন রয়েছে কিন্তু খুব কমই আইনগুলোর সুষ্ট প্রয়োগ হতে দেখা যায়। অনেকক্ষেত্রে রক্ষক ভক্ষকের ভুমিকায় অবতীর্ণ থাকে। শষ্যের ভিতর ভূত থাকার কারনে ভূত তাড়ানোর সম্ভাবনা একেবারেই সংকীর্ণ হয়ে পড়ে। তাই রাষ্ট্রের আইন থাকলেও আইনের সুষ্ট প্রয়োগ না থাকায় সরকারের প্রচেষ্টা অংকুরে বিনষ্ট হয়ে পড়ে। ‘কাজীর গরু কিতাবে থাকলেও গোয়ালে নেই’ টাইপের আইনের সুষ্ট প্রয়োগ না হবার কারণ!

মিয়ানমারের আরাকান থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ১৪ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে বাংলাদেশে। তাদের জন্য নির্মাণ করা হয়েছে প্রায় এক লাখ ৬৫ হাজার আশ্রয় ক্যাম্প। পাহাড় ও বন কেটে স্থাপন করা হয়েছে তাদের জন্য নানা অবকাঠামো। ফলে ওই সময়ে উজাড় হয়েছে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের প্রায় পাঁচ হাজার একর সংরক্ষিত বনভূমি। সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে এই বিপুল বনভূমি উজাড় হওয়ায় ৩৯৭ কোটি ১৮ লাখ ৩৭ হাজার ৩৯৩ টাকার সমপরিমাণ জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। এতে ভয়ানক পরিবেশগত ঝুঁকির মুখোমুখি এসে দাঁড়িয়েছে কক্সবাজারের বনাঞ্চল। বাংলাদেশে ‘অবৈধভাবে অনুপ্রবেশকারী মিয়ানমারের রোহিঙ্গা নাগরিকদের চিহ্নিতকরণ’ সংক্রান্ত কমিটির প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। ধন্যবাদ সবাইকে।
আইকন নিউজ ডেস্ক/আ র/২৪/০২/২০২১


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর....