• বুধবার, ১৭ অগাস্ট ২০২২, ০৬:৩২ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
বিএমএসএফ কক্সবাজার জেলা শাখার উদ্দ্যোগে ১৫-ই আগষ্ট উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন। নারী চিকিৎসককে গলা কেটে হত্যা, কথিত প্রেমিক কক্সবাজারের রেজা চট্টগ্রামে আটক ভোটার প্রক্রিয়ায় রোহিঙ্গা অধ্যুষিত সীমান্ত এলাকার জন্য ইসি সচিবালয় কর্তৃক ঘোষিত নির্দেশিকা। কক্সবাজার জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইন চার্জ মনোনীত হয়েছেন’ উখিয়া থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী নাদিম আবাসিক হোটেলে মিলল এক নারী চিকিৎসকের গলাকাটা লাশ, কথিত স্বামী পলাতক। বনের জন্য কক্সবাজার হবে মডেল জেলা-প্রধান বনসংরক্ষক কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সন্ত্রাসীদের গুলিতে হেড মাঝিসহ ০২জন নিহত। আর্থিক খাতে লুটপাটের দায় জনগণ শোধ করবে কেন? মাদক ও ইয়াবার বিরুদ্ধে চলমান অভিযান অব্যাহত রেখে তরুণ সমাজকে রক্ষা করুণ । কক্সবাজার জেলা বিএমএসএফ এর জরুরী সভা অনুষ্ঠিত

পাত্র দেখানোর কথা বলে বাড়িতে নিয়ে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ

AnonymousFox_bwo / ২২৬ মিনিট
আপডেট মঙ্গলবার, ৯ মার্চ, ২০২১

খুলনার পাইকগাছায় ভালো পাত্রের সঙ্গে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে নবম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক মাছ বিক্রেতার বিরুদ্ধে। সোমবার (৮ মার্চ) অভিযুক্ত মাছ ব্যবসায়ী মো. মিজানুর রহমানকে (৪৫) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

এর আগে রোববার রাত ১২টার দিকে ওই ছাত্রীর মা বাদী হয়ে পাইকগাছা থানায় মিজানুর রহমানের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও দুজনকে আসামি করে মামলা করেন।
এ তথ্য নিশ্চিত করে পাইকগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এজাজ শফি বলেন, ধর্ষণের অভিযোগে আসামি মিজানুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ভুক্তভোগী ওই ছাত্রীকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে ভর্তি করা হয়েছে।

এজাহার সূত্রে জানা গেছে, পাইকগাছা উত্তর সলুয়া এলাকার মৃত রহিম বক্সের ছেলে মাছ ব্যবসায়ী মো. মিজানুর রহমান মাছ বিক্রির জন্য ভুক্তভোগীর বাড়িতে প্রায়ই যাওয়া-আসা করতেন। দীর্ঘদিন মাছ ক্রয়-বিক্রয়ের সুবাদে তাদের মধ্যে সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে। মাছ ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান নবম শ্রেণির ছাত্রীকে ভালো ছেলের কাছে বিয়ে দেবে এমন আশ্বাস দেয়। গত ৩ মার্চ পাত্র ওই মাছ ব্যবসায়ী বাসায় এসেছে এমন কথা বলে ওই ছাত্রী এবং তার মাকে তার বাড়ি যেতে বলেন।ওইদিন বিকেল ৩টায় বাদী তার মেয়েকে নিয়ে মিজানুর রহমানের বাড়িতে যান। কিন্তু সেখানে বিয়ের জন্য পাত্র না থাকায় ভুক্তভোগীর মা পাত্র কোথায় জানতে চাইলে মিজান বলে একটু পরে চলে আসবে। কিছুক্ষণ পর মিজানুর রহমান ভুক্তভোগী নবম শ্রেণির ছাত্রী এবং তার মাকে শরবত খেতে দেন। শরবত খাওয়ার পর ওই স্কুলছাত্রীর মা অজ্ঞান হয়ে পড়েন।
এক ঘণ্টা পরে জ্ঞান ফিরলে দেখেন ওই বাড়িতে কেউ নেই। এমনকি তার মেয়েও নেই। মেয়েকে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও না পেয়ে নিজ বাড়িতে ফিরে যান মামলার বাদী। বাড়ি গিয়ে ঘটনাটি তার স্বামীকে জানান। ওইদিন রাতভর মেয়েকে খোঁজাখুঁজি করেন তারা।
পরদিন সকাল ৭টায় এক বাজারে ঘোরাঘুরি করছে তার মেয়ে এমন সংবাদ পেয়ে তিনি ছুটে যান। সেখান থেকে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসেন।
নবম শ্রেণির ওই ছাত্রী তার মাকে জানায়, শরবত দিয়ে অজ্ঞান করার পর তাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে ওই এলাকার একটি বাড়িতে নিয়ে যায় মিজানুর রহমান। সেখানে সারারাত তাকে ধর্ষণ করা হয়। সকালে তাকে সেখান থেকে নিয়ে ওই বাজার এলাকায় রেখে যায়। মেয়ের শারীরিক অবস্থা খারাপ হলে তাকে গ্রাম্য ডাক্তার দেখিয়ে চিকিৎসার চেষ্টা করে।
পরে রোববার (৭ মার্চ) রাত ১২টার দিকে পাইকগাছা থানায় মামলা করেন নির্যাততার মা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর....