• সোমবার, ০৮ অগাস্ট ২০২২, ১০:০৬ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
কক্সবাজার জেলা বিএমএসএফ এর জরুরী সভা অনুষ্ঠিত উখিয়া স্পেশালাইজড হসপিটাল এ জনপদের চাহিদা, আশা-আকাঙ্ক্ষা পুরণে সক্ষম? নাকি শুধুই গতানুগতিক! ফেসবুকে পরিচয় ও প্রেম-অতপরঃ এক কলেজ শিক্ষিকাকে কলেজ ছাত্রের বিয়ে! উখিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল হুদা নির্বাচিত। উখিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের কাউন্সিল ও সম্মেলন কালঃ সভাপতি ও সাঃসম্পাদক পদে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস। আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই , মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ডঃ শিরীন আখতার। আসন্ন উখিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের ত্রি বার্ষিক নির্বাচনে, সভাপতি পদে জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী স্পষ্টতঃ এগিয়ে। উখিয়ায় পয়ঃনিষ্কাশন ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার অপ্রতুলতা এবং ময়লা ফেলার নির্দিষ্ট ভাগাড়ের অভাব। দেশে প্রতিবছর পানিতে ডুবে ১৪ হাজারের বেশি শিশুর মৃত্যু হয়। যানযট নিরসন ও বনভুমি রক্ষার্থে কঠোর সিদ্ধান্তে যাচ্ছেন উখিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার।

আবাসন শিল্পের মুল উপাদান রড, সিমেন্ট ও অন্যান্য সামগ্রীর মুল্য লাগামহীন, যেন দেখার কেউই নেই!

AnonymousFox_bwo / ৩৭৫ মিনিট
আপডেট শনিবার, ১৩ মার্চ, ২০২১

আইকন নিউজ ডেস্কঃ

নিম্নোক্ত পাঁচটি কারণই মুল্যবৃদ্ধির জন্য দায়ী করেছেন সংশ্লিষ্টরা-

.নির্মাণসামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধি।

.বৈশ্বিক বাজারে কাঁচা মালের মুল্য বৃদ্ধি।

.পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি।

.ব্যাংকঋণের সুদের হার বৃদ্ধি ও

.চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য খালাসে বিলম্বের কারণে রডের দাম বেড়েছে।

দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন বলেন বা, টেকসই উন্নয়ন বলেন বা ভিশন ২০২১ বা ২০৪১ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বলেন সবকিছুই অনেকাংশে নির্ভর করছে দেশের ভৌত অবকাঠামোগত উন্নয়নের উপর। শীত ও গ্রীস্ম মৌসুম আবাসন খাতের ভরা মৌসুম বলে খ্যাত। কিন্তু এ ভরা মৌসুমে আবাসন খাতের মৌল উপাদান রড, সিমেন্ট ও অন্যান্য উপাদানের মুল্য লাগামহীন হয়ে পাগলা ঘোড়ার মত লাফিয়ে বাড়ছে। কয়েক বছর স্থিতিশীল থাকার পরে এই দুই পণ্যের বাজারে অস্থিরতা তৈরি হলো। রড ও সিমেন্টের দাম বেড়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছে দেশে আবাসন খাতের কোম্পানিগুলো। তারা বলছে, এতে নির্মাণ ব্যয় বাড়বে এবং ফ্ল্যাটের দামের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

রড-সিমেন্ট বিক্রির এখন ভরা মৌসুম। এ সময়ে মূল্যবৃদ্ধির জন্য ইস্পাত শিল্প ও সিমেন্ট শিল্প পাঁচটি করে কারণ উল্লেখ করছে। কোম্পানিগুলোর দাবি, মোটা দাগে কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধি, পরিবহন খরচ বৃদ্ধি, টাকার বিপরীতে ডলারের দাম বেড়ে যাওয়া, ব্যাংকঋণের সুদের হার বৃদ্ধি ও চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য খালাসে বিলম্বের কারণে রডের দাম বেড়েছে। সিমেন্টের দাম বাড়ার পেছনের কারণগুলো একই, তবে চট্টগ্রাম বন্দরের জটের প্রভাব নেই।

২০০৭ সালকে রডের বাজারে সর্বোচ্চ মূল্য হাঁকানোর বছর বলে বেশ পরিচিত ছিল।। সেই সময়ে ভালো, উন্নত মানের এক টন রডের দাম ৮০ হাজার টাকা পর্যন্ত উঠেছিল। এর পর বেশ কয়েক বছর রডের দাম প্রায় স্থিতিশীল থাকলেও সম্প্রতি তা বাড়তে শুরু করেছে। বর্তমানে ভালো মানের এক টন রডের মুল্য ৭২ থেকে ৭৫ হাজার টাকা। অন্যদিকে সিমেন্টের দাম মান ভেদে প্রতি বস্তায় বেড়েছে ৩০ থেকে ৫০ টাকা। আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামালের দাম বাড়ার অজুহাতে রড সিমেন্টের দাম বেড়েছে দাবি সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের। এখানে দাম বাড়ানোর ক্ষেত্রে দেশের কোন নিয়ম কানুন মানা হয়েছে কিনা এক জটিল প্রশ্ন।

আন্তর্জাতিক বাজারে রড, সিমেন্টের কাঁচামাল বৃদ্ধির অজুহাতে সিন্ডিকেট করে দাম বাড়াচ্ছে কিনা সেটাও অনেকে মনে করেন। অনেকের প্রশ্ন- আন্তর্জাতিক বাজারে উক্ত পন্যের কাঁচামালের দাম কি এখনই বাড়ছে, নাকি সিন্ডিকেট করে ভরা মৌসুমকে কাজে লাগিয়ে, দ্রব্য সামগ্রীর অতিরিক্ত চাহিদার কথা বিবেচনায় রেখে সরকার ও ব্যবসায়ীদের অতি মুনাফা হাতিয়ে নেবার মানসে এই খোঁড়া যুক্তি তা নিয়ে সর্বসাধারনে নানা কানাঘুষা চলছে। কারন কোনপ্রকার পুর্ব ঘোষনা ছাড়া অবকাঠামো খাতের মুল উপাদানের মুল্য বৃদ্ধির সাথে হাজার হাজার ইনভেষ্টর জড়িত। অনেকেই দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নের জন্য অতি কষ্টে ব্যাংক ঋন বা বিভিন্ন খাত থেকে চড়া সুদে ঋন নিয়ে অবকাঠামোগত উন্নয়নে হাত দেবার চেষ্টা করেন, কিন্তু হঠাৎ করে কোনপ্রকার পূর্ব ঘোষণা ছাড়া আবাসন খাতের মুল উপাদানের লাফিয়ে লাফিয়ে মুল্য বৃদ্ধি অনেকের মনোকষ্টের কারন হয়ে দাঁড়িয়েছে বা অনেকেই প্রত্যাশিত আবাসন শিল্পে বিনিয়োগের চিন্তা থেকে সরে যাবার উপক্রম হয়েছে- যা দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নের জন্য মারাত্মক নেতিবাচক ভুমিকা পালন করবে, বৈকি!

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, দাম বাড়ায় বিক্রি কমেছে বলে জানিয়েছে খুচরা ব্যবসায়ীর, যা আবাসন খাতে বড় প্রভাব পড়ার আশঙ্কা। অন্যদিকে পণ্যের দাম বাড়ার অজুহাত দেখিয়ে বাড়তে পারে সিমেন্ট ও রড নির্ভর সরকারি প্রকল্পগুলোর ব্যয়। রড উৎপাদনকারি ব্যবসায়ীরা বলছেন, বিশ্ববাজারে রড়ের কাঁচা পণ্যের দাম বাড়ায় উৎপাদন খরচ বেড়েছে।
তাই দেশের বাজারে রডের দাম বেড়েছে। রড সিমেন্টের দাম গত বছরের নভেম্বর থেকে বারতে শুরু করে। প্রতি বস্তা সিমেন্টে মান ভেদে দাম বেড়েছে ৩০ থেকে ৫০ টাকা। অন্যদিকে ভালো মানের প্রতি টন রডে দাম বেড়েছে ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা করে।
সিমেন্ট উৎপাদনকারি ব্যবসায়ীরা বলছেন, বিশ্ব বাজারে সিমেন্টের কাঁচামাল বেড়েছে। ক্লিংকার, জিপসাম লাইমস্টোন ও ফ্লাই অ্যাশ এসবই হচ্ছে সিমেন্টের প্রধান কাঁচামাল। আর এগুলো পুরোটাই আমদানি নির্ভর।
মূলত সিমেন্ট তৈরিতে ব্যবহৃত ক্লিংকারের দাম আগের তুলনায় অনেকটা বেড়ে যাওয়ায় প্রভাব পড়েছে সিমেন্টের দামের ওপর। ক্লিংকারের দাম কয়েক দফায় গত এক মাসে ৯ ডলার বা ৭৬৫ টাকা বেড়েছে প্রতি টনে। এতে বস্তাপ্রতি ক্লিংকারের খরচ বেড়েছে ৩৮ টাকার ওপরে। এছাড়া আন্তর্জাতিক বাজারে ক্লিংকার প্রস্তুতে ব্যবহৃত জ্বালানি কয়লার দাম বেড়ে যাওয়ায় ক্লিংকারের উৎপাদন খরচ বেড়েছে।

অন্যদিকে চীন হঠাৎ করে কয়লার আমদানি বাড়ানোর ফলে দাম অব্যাহতভাবে বাড়ছে। এফওবিতে বা উৎপাদন পর্যায়ে যেখানে প্রতি টন কয়লার মূল্য ছিল ৪০ থেকে ৪২ ডলার, তা এখন দাঁড়িয়েছে ৮২ ডলারে। এসব কারণেই আন্তর্জাতিক বাজারে সিমেন্টের অন্যতম মূল কাঁচামাল ক্লিংকারের দাম বেড়েই চলেছে। ফলে দেশের সিমেন্ট খাতেও পড়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।তবে বৈশ্বিক বাজারে কাঁচামালের মুল্য বৃদ্ধি বা অন্যান্য প্রভাবে নয়, বাজার অস্থিশীল হবার পেছনে, ভরা মৌসুমে পণ্যের অতিরিক্ত চাহিদা, ব্যবসায়ী ও সরকারের যুগ সাজসকেই মুল্য বৃদ্ধির মুল কারন বলে অনেকেই মনে করছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর....