• বুধবার, ১৭ অগাস্ট ২০২২, ০৭:৩৪ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
বিএমএসএফ কক্সবাজার জেলা শাখার উদ্দ্যোগে ১৫-ই আগষ্ট উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন। নারী চিকিৎসককে গলা কেটে হত্যা, কথিত প্রেমিক কক্সবাজারের রেজা চট্টগ্রামে আটক ভোটার প্রক্রিয়ায় রোহিঙ্গা অধ্যুষিত সীমান্ত এলাকার জন্য ইসি সচিবালয় কর্তৃক ঘোষিত নির্দেশিকা। কক্সবাজার জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইন চার্জ মনোনীত হয়েছেন’ উখিয়া থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী নাদিম আবাসিক হোটেলে মিলল এক নারী চিকিৎসকের গলাকাটা লাশ, কথিত স্বামী পলাতক। বনের জন্য কক্সবাজার হবে মডেল জেলা-প্রধান বনসংরক্ষক কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সন্ত্রাসীদের গুলিতে হেড মাঝিসহ ০২জন নিহত। আর্থিক খাতে লুটপাটের দায় জনগণ শোধ করবে কেন? মাদক ও ইয়াবার বিরুদ্ধে চলমান অভিযান অব্যাহত রেখে তরুণ সমাজকে রক্ষা করুণ । কক্সবাজার জেলা বিএমএসএফ এর জরুরী সভা অনুষ্ঠিত

ধর্মীয় গুরু রাম রহিম সিং ও তার কীর্তি, প্রেক্ষাপট মাওলানা মুমিনুল হক।

AnonymousFox_bwo / ২৭৯ মিনিট
আপডেট মঙ্গলবার, ৬ এপ্রিল, ২০২১

সেই কিছুদিন পূর্বের কথা। ভারতীয় ধর্ম গুরু রাম রহিম সিং। একজন ধর্মবেত্তা ছিলেন।তার ফলোয়ার ছিল কয়েক কোটি। সারাদেশ ছাড়িয়ে বিশ্বব্যাপী ধর্মীয় গুরু হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছিল। এক কথায় হিন্ধু ধর্মের আবাল বৃদ্ধবণিতা রাম রহিম সিং বলতে পাগল ছিল। কিন্তু তার জনপ্রিয়তাকে পুজি করে করে গেছেন যাবতীয় অপকর্ম, যা ভক্তকূল বিশ্বাস করতে পারেন নি। তাই বিভিন্ন অপকর্মের অভিযোগে রাষ্ট্র কর্তৃক বন্দী হলেন, ঠিক তখনই সারা দেশে বিক্ষোভ শুরু হল!

রাম রহিম সিং এর আশ্রমে যেসব নারীরা অবস্থান করতেন, তাদেরকে তিনি বেছে বেছে বিনোদন ও শয্যাসংগী করতেন। এর মধ্যে কিছু নারী অভিযোগ করলে ২০১৭ সালে তার ২০ বছরের জেল হয়। কিন্তু তার শিষ্যরা কোনভাবেই মানতে পারেননি তিনি একাজ করতে পারেন। সব আপিল টাপিল শেষে তাকে যখন জেলে নেয়া হয় তার শিষ্যরা আন্দোলনে নেমে পড়ে। অনেকগুলো জেলায় দাঙ্গা হাংগামা করে ৪০/৫০ জন লোক মারা যায়। হাজার হাজার লোক আহত হয়। একটা সময় সরকার এদেরকে নিয়ন্ত্রন করতে সক্ষম হয়।

২০১৯ সালে রাম রহিমের সাজা আরও বাড়ে তার বিরুদ্ধে সাংবাদিক হত্যার অভিযোগ প্রমাণিত হয়। বাকি জীবন জেলেই কাটাতে হবে এই ধর্মীয় গুরুকে। কিন্তু তার ভক্তরা এতই অন্ধ যে এগুলোকে ষড়যন্ত্র বলেছে। এখনও সকাল-বিকাল তার জন্য প্রার্থনা করে চলছে। আসল কথা হল যাদের মগজ একবার ধুলাই হয় সেখানে আর লজিক, বাস্তবতা, সত্য-মিথ্যা, যুক্তি-আইন আদালত কিছুই কাজ করেনা।

এই ফেনাটিক অন্ধরা সকল ধর্মের মধ্যেই আছে। ধর্মান্ধতা একটি ব্যাধি সারাজীবনের জন্য, এটি ডিজিজ ফর লাইফ লং, এটা পুরো না সারলেও সঠিক ট্রিটমেন্ট হলে মোটামুটি নিয়ন্ত্রনে আনা সম্ভব।

আমাদের দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে এমন এক বাস্তবতা স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হচ্ছে। আমরা মাওলানা মমিনুল হককে ঘিরে সৃষ্ট ঘটনার সুষ্ট তদন্ত করে দেশবাসীকে ক্লীয়ার করুণ। উনি সত্যিই তার বিবাহিত স্ত্রীকে নিয়ে অভিসারে গিয়েছিলেন। যদি তাই হয় যারা উনার ব্যক্তি স্বাধীনতায় আঘাত করেছেন তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসুন। যদি তা না হয়, মুমিনুল হকের অপরাধের জন্য রাষ্ট্রীয় আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর....