• সোমবার, ০৮ অগাস্ট ২০২২, ০৯:৫৪ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
কক্সবাজার জেলা বিএমএসএফ এর জরুরী সভা অনুষ্ঠিত উখিয়া স্পেশালাইজড হসপিটাল এ জনপদের চাহিদা, আশা-আকাঙ্ক্ষা পুরণে সক্ষম? নাকি শুধুই গতানুগতিক! ফেসবুকে পরিচয় ও প্রেম-অতপরঃ এক কলেজ শিক্ষিকাকে কলেজ ছাত্রের বিয়ে! উখিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল হুদা নির্বাচিত। উখিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের কাউন্সিল ও সম্মেলন কালঃ সভাপতি ও সাঃসম্পাদক পদে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস। আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই , মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ডঃ শিরীন আখতার। আসন্ন উখিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের ত্রি বার্ষিক নির্বাচনে, সভাপতি পদে জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী স্পষ্টতঃ এগিয়ে। উখিয়ায় পয়ঃনিষ্কাশন ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার অপ্রতুলতা এবং ময়লা ফেলার নির্দিষ্ট ভাগাড়ের অভাব। দেশে প্রতিবছর পানিতে ডুবে ১৪ হাজারের বেশি শিশুর মৃত্যু হয়। যানযট নিরসন ও বনভুমি রক্ষার্থে কঠোর সিদ্ধান্তে যাচ্ছেন উখিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার।

উখিয় মুহুরীপাড়ার পার্শ্ববর্তী মসজিদ কর্তৃপক্ষের নিকট একটি জরুরী ও মানবিক আবেদন

AnonymousFox_bwo / ৩৮৫ মিনিট
আপডেট বুধবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২১

আইকন নিউজ ডেস্কঃ

উখিয়া সদরের, মুহুরীপাড়া একটি বর্ধিঞ্চু গ্রাম। এটি উখিয়া সদরের প্রানকেন্দ্র বললেও চলে। এ এলাকাটির চতুপার্শ্বে স্কুল, কলেজ, মসজিদ, মাদ্রাসা, হাট, বাজার, থানা, উপজেলা প্রশাসন কেন্দ্রসহ শত শত সরকারি/বেসরকারি ভবন। আর চতুর্পাশে রয়েছে বিভিন্ন মসজিদ সমুহ। যেমনঃ ষ্টেশন মসজিদ, কেন্দ্রীয় মসজিদ, মৌলভীপাড়া মসজিদ, ফলাইয়া পাড়া মসজিদ, আমতলী মসজিদ- যার প্রায় সবগুলো মসজিদই অত্র এলাকার সম্মানীত মুসল্লীদের ওয়াকিং দুরত্বে! কিন্তু অতীব দুঃখের বিষয় এই যে, মসজিদগুলোর আজানের ধ্বনি খুব কম সময় বা মাঝে মাঝে অত্র এলাকার মানুষের কানে আসলেও, কিন্তু কোন ওয়াক্তেও সঠিকভাবে মুসল্লীদের কানে আসেনা! অন্যদিকে হাফ কিমি দুরের বৌদ্ধ কিয়াং এর প্রচারিত কীর্তনগুলো সব সময় কানে আসে, কারণ টা কি আমাদের কাছে তেমন বোধগম্য নয়!

এতদপ্রসংগে কিছু কথা না বললেই নয়! আমার বয়োবৃদ্ধ আব্বা, জনাব হাজী আবদুর রহমান (বয়স ৮০)। উনিসহ আরও কতক বয়োবৃদ্ধ ও তরুন, যুবক, ফজরের ওয়াক্ত সহ প্রতি ওয়াক্ত নামাজ কেন্দ্রীয় মসজিদে গিয়ে আদায় করেন, আলহামদুলিল্লাহ! কিন্তু অতীব দুঃখের সাথে বলতে হয়, আজানের মধুর ধ্বনি কানে না আসায় আমার আব্বা, মাঝে মধ্যে রাত আড়াইটায় / তিনটায় বা জামাতের পরে ও মসজিদে চলে যান! যদিও বা উনার রুমে বড় একটা ওয়াল ঘড়ি দেওয়া থাকলেও, মাঝে মধ্যে ভ্রম করে, ভুল সময়ে উনি মসজিদে চলে যান। আবার অনেক সময়, যাবার সময় দরজা ও গ্রীল খোলা রেখে চলে যান। তাই রাত বিরাতে চুরি হবার যেমন ভয় থাকে, ঠিক তেমনি অবেলায় মসজিদে চলে যাওয়ার রোড এক্সিডেন্টসহ কত ধরনের দূর্ঘটনার ঝুঁকি থাকে, তা বলাই বাহুল্য।

কিছুদিন পূর্বেও প্রতি ওয়াক্তে, চতুর্পাশের মসজিদের আজানের ধ্বনিতে মুখরিত ছিল, যা আমাদের সকলের মন, প্রান ও শরীরে শিহরণ জাগিয়ে তুলত। ইদানিংকালে সেই আজানের মধুর ধ্বনি কেন কানে আসছেনা বা শুনা যাচ্ছে না- তা রীতিমত গবেষনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে! ইতিমধ্যে,আজকে ( ১৪/০৪/২০২১ ইংরেজি) থেকে চলে এসেছে পবিত্র রমজান মাস। বাংগালী মুসলমানদের একটি মজ্জাগত স্বভাব হচ্ছে, শত ঘড়ি, মোবাইল, পেন্ডোরাম সাথে থাকুক না কেন, সেহরী ও ইফতারের সময় আজান অথবা সাইরেনের আওয়াজ ছাড়া যেমন সেহরী শেষ করেন না, ঠিক তেমনি মাগরিবের আজান বা সাইরেনের শব্দ ছাড়া ইফতারও মুখে দিতে চাননা। অবশ্য এটার একটি মনস্তাত্বিক কারণ ও আছে বলে আমার মনে হয়! যতই ঘড়ির সময়ই দেখিনা কেন, মসজিদের আজানের ধ্বনির জন্যই আমরা অপেক্ষায় থাকি, কারন সবাই ভয়ে থাকেন, পাছে নির্দিষ্ট সময়ের পুর্বে ইফতার করে সারা দিনের রোজা বরবাদ দিচ্ছি কিনা সেই মনস্তাত্বিক ভয়ে!

তাই অত্র এলাকার প্রায় দুই আড়াই হাজার ধর্মপ্রাণ মুসলমানের প্রয়োজনীয়তার কথা চিন্তা করে, উক্ত জনহিতকর ব্যাপারটি বিবেচনায় নিয়ে আজানের ধ্বনি মুহুরী পাড়া এলাকার হাজার মুসলমানের কানে পৌঁছানোর ব্যাপারে মসজিদের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিনীত দৃষ্টি আকর্ষন করছি। আশা করি উক্ত জনগুরুত্বপূর্ণ ব্যাপারটি আমলে নিয়ে সুন্দর সুরাহার ব্যবস্থা করে এলাকাবাসীকে বাধিত করবেন। ধন্যবাদ সবাইকে।

লেখকঃ সাংবাদিক এম আর আয়াজ রবি।
সভাপতি, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম     (বিএমএসএফ), উখিয়া উপজেলা শাখা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর....