• বুধবার, ১৭ অগাস্ট ২০২২, ০৬:২৮ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
বিএমএসএফ কক্সবাজার জেলা শাখার উদ্দ্যোগে ১৫-ই আগষ্ট উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন। নারী চিকিৎসককে গলা কেটে হত্যা, কথিত প্রেমিক কক্সবাজারের রেজা চট্টগ্রামে আটক ভোটার প্রক্রিয়ায় রোহিঙ্গা অধ্যুষিত সীমান্ত এলাকার জন্য ইসি সচিবালয় কর্তৃক ঘোষিত নির্দেশিকা। কক্সবাজার জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইন চার্জ মনোনীত হয়েছেন’ উখিয়া থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী নাদিম আবাসিক হোটেলে মিলল এক নারী চিকিৎসকের গলাকাটা লাশ, কথিত স্বামী পলাতক। বনের জন্য কক্সবাজার হবে মডেল জেলা-প্রধান বনসংরক্ষক কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সন্ত্রাসীদের গুলিতে হেড মাঝিসহ ০২জন নিহত। আর্থিক খাতে লুটপাটের দায় জনগণ শোধ করবে কেন? মাদক ও ইয়াবার বিরুদ্ধে চলমান অভিযান অব্যাহত রেখে তরুণ সমাজকে রক্ষা করুণ । কক্সবাজার জেলা বিএমএসএফ এর জরুরী সভা অনুষ্ঠিত

মা-বাবাকে হত্যার পরেই মেয়েকে ধর্ষন বাড়ির কাজের লোক আশরাফুলের!!

AnonymousFox_bwo / ২৯৫ মিনিট
আপডেট শনিবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২১

আইকন ক্রাইম ডেস্কঃ

ঘটনা প্রসংগে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তারা জানান, গত ২৮ মার্চ ফরিদপুর কৃষেন (শ্রমিক) হাট থেকে কৃষি কাজ করার জন্য আসামি আশরাফুল মোল্লা এবং ভোলারাও নামের দুই জন শ্রমিক বাড়িতে আনে মৃত মোয়াজ্জেম সরদার।

ওই বাড়িতে মৃত মোয়াজ্জেম সরদার তাদের কন্যা আন্তানুর (১৪) ও নুসরাতকে (৬) নিয়ে বসবাস করতেন। মোয়াজ্জেম সরদারের বাড়িতে কাজে যাওয়ার পর থেকেই তাদের কন্যা আন্তানুরের প্রতি কুদৃষ্টি ছিল আসামি আশরাফুল মোল্লার।

মোয়াজ্জেম সরদারের বাড়িতে কাজে যাওয়ার পর থেকেই তাদের কন্যা আন্তানুরের প্রতি কুদৃষ্টি ছিল আসামি আশরাফুল মোল্লার। বিভিন্ন সময় কাজের ফাঁকে সুযোগ পেলেই সে আন্তানুরের (১৪) সাথে গল্প করতো এবং তার সাথে সখ্যতা গড়ে তোলার চেষ্টা করতো। বিকৃতমনা আশরাফুল মোল্লা আন্তানুরের প্রতি তার যৌন লালসা চরিতার্থ করার সুযোগ খুঁজতে থাকে এবং মনে মনে পরিকল্পনা করে।

আসামি আশরাফুল মোল্লা বিভিন্ন সময় কাজের ফাঁকে সুযোগ পেলেই আন্তানুরের (১৪) সাথে গল্প করতো এবং তার সাথে সখ্যতা গড়ে তোলার চেষ্টা করতো।

বিষয়টি মোয়াজ্জেম সরদারের নজরে আসলে; তখন আসামি আশরাফুল মোল্লা নিজেই আন্তানুরকে পছন্দের কথাটি জানায়। সব জেনেবুঝে মোয়াজ্জেম তার মেয়ের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে আশরাফুলকে আন্তানুরের সাথে কথা বলতে নিষেধ করে দেয়।

কিন্তু বিকৃতমনা আশরাফুল মোল্লা আন্তানুরের প্রতি তার যৌন লালসা চরিতার্থ করার সুযোগ খুঁজতে থাকে এবং মনে মনে পরিকল্পনা করে যে, আন্তানুরের বাবা-মাকে খুন করে সেই রাতে আন্তানুরের ঘরে প্রবেশ করার পথ তৈরি করবে।

পিবিআই জানায়,  আশরাফুল মোল্লা তার পূর্ব পরিকল্পনা মোতাবেক গত  ৫ এপ্রিল রাতে প্রথমে মোয়াজ্জেম সরদারকে কৌশলে বসতভিটা থেকে আনুমানিক ২৫০ গজ দূরে নির্জন স্থানে ডেকে নিয়ে তার গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। পরবর্তীতে একই কৌশল অবলম্বন করে তার স্ত্রী  মাকসুদা বেগমকে একই স্থানে ডেকে নিয়ে একই গামছা দ্বারা গলায় পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে।

নিহত মোয়াজ্জেম সরদার (৫০) ও মাকসুদা বেগম

এরপর রাতেই কয়েক মিনিট পর আশরাফুল মোল্লা ওই বাড়িতে প্রবেশ করে ঘরে থাকা নাবালিকা মেয়ে আন্তানুরকে কৌশলে ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পিবিআই গোপালগঞ্জের এসআই মো. আল-আমিন শেখ বলেন, ‘এ ঘটনায় ওই দম্পতির জামাতা এমরান সরদার বাদী হয়ে কালকিনি থানায় একটি নিখোঁজ মামলা দায়ের করেন। পরে ৯ এপ্রিল মোয়াজ্জেম দম্পত্তির লাশ পুলিশ উদ্ধার করে সুরাতহাল রিপোর্টে শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মাদারীপুর মর্গে পাঠায়। পরে আমরা এ মামলার তদন্তভার গ্রহণ করি। প্রধান অভিযুক্ত আশরাফুলকে গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে আমরা এ হত্যকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছি।

তিনি আরও বলেন, ‘আশরাফুল বিভিন্ন সময়ে নিজেকে সেনাবাহিনীর গোয়েন্দা সংস্থার ভুয়া পরিচয় দিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় একাধিক নারীকে ধর্ষণ করেছেন বলেন জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে যশোর, নড়াইল ও রাজশাহীতে এ সংক্রান্ত ৫টি মামলা চলমান রয়েছে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর....