• রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:৪৭ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
প্রসংগঃ সীমান্ত এলাকায় জন্মনিবন্ধন কার্যক্রম এবং স্থানীয়দের অসহ্য যন্ত্রনা ও বিড়ম্বনা ব্রেইন টিউমার আক্রান্ত তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী টুম্পাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন! প্রেক্ষিতঃ সীমান্তবর্তী এলাকার বিদ্যমান সমাস্যা ও জন্ম নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় স্থানীয়দের অসহ্য বিড়ম্বনা ইউপি নির্বাচনের হাওয়া…. পালংখালী চেয়ারম্যান প্রার্থী ইন্জিনিয়ার রবিউল হোসেনের ১০ ইশতেহার ঘোষণা উখিয়া প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব অর্পণ শীর্ষক সংবাদের প্রতিবাদ ও আমার বক্তব্য উখিয়ার সিকদার বিলের তারেক ইয়াবাসহ লোহাগাড়ায় গ্রেফতার তাবৎ জীবনে জীবনসঙ্গীর প্রতি ভালবাসা অফুরান কালের বিবর্তনে বিলাসিতার রকম ফের এনজিও থেকে স্থানীয়দের ছাঁটাইয়ের হিড়িক, কিন্তু ভ্যানগার্ড কেউ নেই উখিয়া প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব অর্পণ শীর্ষক সংবাদের প্রতিবাদ ও আমার বক্তব্য

রোজিনার পরিণতি কি বাবুল আক্তারের মতো হতে চলছে??

admin / ১৯১ মিনিট
আপডেট শনিবার, ২২ মে, ২০২১

আইকন নিউজ ডেস্কঃ

এসপি বাবুল আক্তারের স্ত্রীকে যখন হত্যা করা হলো তখন দেশের আপামর জনগণ তার প্রতি সহানুভূতিশীল হয়ে উঠেছিল। মিডিয়া ও সোশ্যাল মিডিয়া, সর্বত্র তার বীরত্ব, সাহসিকতার কথা। কিন্তু সত্য প্রকাশে দেরী হয় নি। জাতির সেই নায়ক পরিণত হন খলনায়কে।

সচিবালয়ে ফাইল চুরি করতে গিয়ে আটক প্রথম আলোর সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের প্রতি সকলের সহানুভূতি থাকলেও ক্রমেই প্রতীয়মান হচ্ছে তিনি যেন বাবুল আক্তারের প্রতিচ্ছবি।

রোজিনার সচিবালয় সংশ্লিষ্টতা অনেক বছরের। তার বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ উঠেছে বহুবার। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের নথি চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়ার পর তাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছিল। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নথি চুরি করে ধরা পড়ার পর মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পেয়েছিলেন তিনি।
এবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের চুরি করা নথিটি স্পর্শকাতর না হলে হয়তো আগের মতোই পার পেয়ে যেতেন।

এছাড়া রোজিনার বিরুদ্ধে নিউজ কপি করে নিজের নামে প্রকাশের অভিযোগ ছিল দেশে-বিদেশেও। তার অসততা এবং টেন্ডার সিন্ডিকেটের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা সম্পর্কে তার সহকর্মীরাও অবগত। রোজিনা তার স্বামী ঠিকাদার মিঠুর জন্য বর্তমান সচিব আসার আগে তিনটি টেন্ডার বাগিয়ে নেয়ার প্রসঙ্গও প্রথম আলোর সাংবাদিক সাবিহা আলমের কথোপকথনে প্রকাশ পেয়েছে।

সাহেদ সিন্ডিকেটের ঠিকাদার মিঠুর অলিখিত ব্যবসায়িক অংশীদার ছিল রোজিনা। সাংবাদিকতার পরিচয় ব্যবহার করে দ্রুত সময়ে কোটিপতি বনে যান এই দম্পতি। যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ ছাড়াও সেখানে বিনিয়োগ কোটায় স্থায়ী হওয়ার আবেদন করেছেন রোজিনা ও মিঠু। রোজিনার যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া হত্যাকাণ্ডের আসামী ও খালেদা জিয়ার সাবেক
ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি পলাতক মুশফিক ফজল আনসারীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে নানা কথা উঠেছিল। এবার রোজিনা গ্রেফতারের পর তড়িঘড়ি করে মুশফিক জাতিসংঘ ব্রিফিংয়ে উপস্থিত হয়ে রোজিনার ব্যাপারে প্রশ্ন তোলেন। আল জাজিরা নিয়েও তারা একই ধরণের অপচেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়েছিল। কিন্তু এবারের ঘটনায় রহস্যের জন্ম দিয়েছে।

রোজিনা কি টিকা সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রীয় গোপন ও স্পর্শকাতর নথি এবং নন-ডিসক্লোজার এগ্রিমেন্ট চুরি করে আইএসআই বা এমন কোনো গোষ্ঠীর কাছে হস্তান্তর করতে চেয়েছিলেন? এ নথি প্রকাশ পেলে কয়েকটি দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক নষ্ট হতো। এমন উদ্দেশ্যই তার ছিল? এর নেপথ্যে কি শুধু বিএনপি রয়েছে নাকি প্রথম আলোর সম্পৃক্ততাও রয়েছে?

রোজিনার লোভী চরিত্র, অনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততা এবং সাংবাদিক পরিচয়ে কয়েকবছর যাবত ব্যক্তিগত ও বাণিজ্যিক স্বার্থ উদ্ধারের চেষ্টা নতুন রহস্যের জন্ম দিয়েছে। বাবুল আক্তারের মতো তারও খলনায়িকায় পরিণত হওয়া সময়ের ব্যাপার মাত্র।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর....