• রবিবার, ১৩ জুন ২০২১, ০৬:২২ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
যখন আমি প্রকৃতির নিয়মে বুড়িয়ে যাবো সবই তাঁর দান, সুমহান! জানেন, পুত্র সন্তান জন্মালেই কেন পিতার হাতে খুন হতে হয় নির্মমভাবে! উখিয়ায় রাজাপালং ইউনিয়ন ছাত্রলীগের উদ্যোগে ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস পালিত মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের জোয়ান কতৃক, ১০ হাজার পিস ইয়াবাসহ রোহিংগা নাগরিক ধৃত উখিয়ার বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু বক্কর ছিদ্দিককে হাজার মানুষের ভালবাসা ও রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন উখিয়ায় পাহাড়ধ্বস প্রবণ এলাকায় ইউএনও’র সতর্কতা, জরুরী প্রয়োজনে 01882160082 পানি নিষ্কাশনের একমাত্র ড্রেনেজটি বন্ধ করে দেওয়ায়, উখিয়ার মালভিটা পাড়ার শত শত ঘর বাড়ি কোমর পানিতে সয়লাব ” ১১নং মঘাদিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শাহীনুল কাদের চৌধুরী। বাংলাদেশে সংক্রমণের ৮০ শতাংশই ভারতীয় ধরন

প্রসংগঃ পল্লী বিদ্যুৎ ও লোডশেডিং এ নাকাল সারা দেশ, নগর, অজপাড়া গাঁ!

admin / ৪৬ মিনিট
আপডেট সোমবার, ২৪ মে, ২০২১

 

এম আর আয়াজ রবি।
বাংলাদেশে, সরকারের পরে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষই একমাত্র ক্ষমতাধর বলে মনে হচ্ছে, কারণ, তারা যা বলেন তা তো রক্ষা করেনই না, অধিকন্তু সাধারন মানুষের সাথে রীতিমত খেল তামাসা করে বেড়াচ্ছেন হর-হামেশা, কিন্তু তাদের বোদোদয়ের চিটিপুটি পরিলক্ষিত হবার অবকাশ দৃশ্যমান বলে মনে হচ্ছে না!

বাংলাদেশের শায়ত্বশাসিত যত বিভাগ আছে, তারমধ্যে সবচেয়ে বেশি মাত্রায় সরকারের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত আছে এই পল্লী বিদ্যুৎ বিভাগ। সরকারের পাওয়ার সেক্টরের সফলতা, ব্যর্থতার সাথে সরকারের সফলতা, ব্যর্থতাও ওতপ্রোতভাবে জড়িত। বিদ্যুতের ভেল্কীবাজিতে নাকাল গ্রামীন জনপদ। অনেককেই বলতে শুনা যায়, বিদ্যুৎ যায়না মাঝে মাঝে (বেড়াতে) আসে! সকাল, দুপুর, রাত্রে বিদ্যুতের এমন লুকোচুরি জনজীবন বিপর্যস্ত। গ্রীস্মের কাঠফাঁটা রোদে, গরমে, মানুষ যখন অতীষ্ট, ঠিক সে সময়েই বিদ্যুতের ভেল্কীবাজি জনজীবন হাবিয়া দোজকে পরিনত করে! বর্তমানে বাংলাদেশের আমজনতা অনেকাংশেই আন্দোলন সংগ্রামের চর্চা ভুলে গেছে বা ভুলতে বসেছে। এটি সরকারের অনেক অর্জনের একটি। মানুষকে ছলে, বলে, কৌশলে দমাতে পেরেছেন, শৃংখলিত করতে পেরেছেন।

না হয়, পল্লী বিদ্যুৎ এর এমন ভেল্কীভাজিতেও সাধারন মানুষের মাথা গরম হতে দেখিনা! দেখিনা মিছিল, মিটিং, অবরোধ, আন্দোলন সংগ্রামের কোন আলামত। এটা কিন্তু খুবই ভাল লক্ষণ নয়, হয়ত বড় আন্দোলন বা দূর্যোগের ঘন ঘটা কিনা তাও উড়িয়ে দেওয়া যায়না।

অর্থনীতির একটি বড় টার্ম হচ্ছে চাহিদা ও যোগান। যেখানে চাহিদার অসীমতা আছে কিন্তু যোগানের ঘাটতি থাকে সেখানে এমন বিদ্যুতের অপ্রতুলতার কারনে লোডশেডিং হবে, হতে বাধ্য। কিন্তু তা কর্তৃপক্ষকে স্বীকার করতে হবে প্রথমে। সরকার বিদ্যুতের অপর্যাপ্ততার কথা স্বীকারই করে না কিন্তু রীতিমত লোডশেডিং এ নাকাল সারা দেশ নগর, অজপাড়া গাঁ! আমরা বাস্তবতাকে যেমন প্রকাশ হতে দেখিনা, তেমনি বাস্তবতাকে মেনেও নিতে পারি না! বিদ্যুৎ সেক্টরেও স্বাস্থ্য খাতের মত দূর্নীতির আখড়া। সেই আখড়াকে রাখ ডাক দিয়ে আর কতদিন আড়াল করবে তা সময় বলে দেবে কিন্তু নিঃসন্দেহে একদিন না একদিন পাওয়ার সেক্টরের দূর্ণীতির আদ্যোপান্ত বের হয়ে আসবে, যা জনসম্মুখে প্রকাশিত হতে বাধ্য হবে। আমাদের সাংবাদিক বন্ধুরাই তা বের করে দিতে সক্ষম হবেন ইনশা আল্লাহ। আমরা সেই অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার অপেক্ষায় আছি। ধন্যবাদ সবাইকে।

লেখকঃ প্রেসিডেন্ট-বিএমএসএফ (বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম) ও ভাইস প্রেদিডেন্ট উপজেলা প্রেস ক্লাব উখিয়া।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর....