• রবিবার, ১৪ অগাস্ট ২০২২, ০৯:১২ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
নারী চিকিৎসককে গলা কেটে হত্যা, কথিত প্রেমিক কক্সবাজারের রেজা চট্টগ্রামে আটক ভোটার প্রক্রিয়ায় রোহিঙ্গা অধ্যুষিত সীমান্ত এলাকার জন্য ইসি সচিবালয় কর্তৃক ঘোষিত নির্দেশিকা। কক্সবাজার জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইন চার্জ মনোনীত হয়েছেন’ উখিয়া থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী নাদিম আবাসিক হোটেলে মিলল এক নারী চিকিৎসকের গলাকাটা লাশ, কথিত স্বামী পলাতক। বনের জন্য কক্সবাজার হবে মডেল জেলা-প্রধান বনসংরক্ষক কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সন্ত্রাসীদের গুলিতে হেড মাঝিসহ ০২জন নিহত। আর্থিক খাতে লুটপাটের দায় জনগণ শোধ করবে কেন? মাদক ও ইয়াবার বিরুদ্ধে চলমান অভিযান অব্যাহত রেখে তরুণ সমাজকে রক্ষা করুণ । কক্সবাজার জেলা বিএমএসএফ এর জরুরী সভা অনুষ্ঠিত উখিয়া স্পেশালাইজড হসপিটাল এ জনপদের চাহিদা, আশা-আকাঙ্ক্ষা পুরণে সক্ষম? নাকি শুধুই গতানুগতিক!

জানেন, পুত্র সন্তান জন্মালেই কেন পিতার হাতে খুন হতে হয় নির্মমভাবে!

AnonymousFox_bwo / ৩৬৯ মিনিট
আপডেট মঙ্গলবার, ৮ জুন, ২০২১

আইকন নিউজ ডেস্কঃ

সন্তানের কাছে বাবা মা তার একমাত্র নিরাপদ আশ্রয়স্থল। শত বিপদ থেকে নিজের সন্তানকে বাঁচাতে বুকে আগলে রাখেন তারা। নিজের জীবন বিপন্ন করে হলেও সন্তানকে রক্ষা করাই তাদের প্রধান লক্ষ্য। তবে যদি বলি সন্তানের জন্য বাবা-মা যখন বিপদজনক। তাহলে নিশ্চয় আপনার কপালের ভাঁজ দীর্ঘ হবে। বিচিত্র এই পৃথিবীতে রয়েছে নানা রকম প্রাণী যারা নিজেদের অস্তিত্বের লড়াইয়ে প্রতিপক্ষ মনে করে নিজের সন্তানকেই। তেমনি বিশ্বকে হতবাক করার মতো বৈশিষ্ট্য রয়েছে পুরুষ জলহস্তীর।

জলহস্তী পরিবারে ২৪৩ দিন গর্ভধারণের পর একটা শিশু জলহস্তীর জন্ম। তবে কন্যা সন্তান হলে কোনো সমস্যা নেই। তাকে খুব আদর সোহাগেই বড় করে সবাই। ছেলে সন্তান হলেই বাড়ে যত বিপত্তি। পিতার হাতে ছেলে খুন। এমন ভাবনায় পরিবারের বাকি সদস্যরা সন্তানকে সারাক্ষণ পাহারায় রাখে, যাতে বাবা তার সন্তানকে হত্যা করতে না পারে। আর বাবা সারাক্ষণই সুযোগ খুঁজে বেড়ায়। একটা ছোট সুযোগই যথেষ্ট; বাবার বিশালাকৃতি মুখের ১ ফুট লম্বা তীক্ষ্ণ দাঁতের আঘাতে সন্তানকে হত্যা করার জন্য।

নিজের রাজত্বে অন্য কোনো পুরুষের আধিপত্য যাতে না হয় তাই এমন কাজ করে বাবা জলহস্তী

নিজের রাজত্বে অন্য কোনো পুরুষের আধিপত্য যাতে না হয় তাই এমন কাজ করে বাবা জলহস্তী

কিন্তু বাবার হাতে ছেলে খুনের কেনো এই নৃশংসতা? ডাঙ্গায় থাকা প্রাণীদের মধ্যে তৃতীয় বৃহত্তম প্রাণী হচ্ছে জলহস্তী। তৃণভোজী এই প্রাণীর ওজন, ১৩০০-১৮০০ কেজি পর্যন্ত হয়। এদের এক একটি দলে ৬-১০ টি পর্যন্ত সদস্য থাকে। যাদের মধ্যে একটিই মাত্র পুরুষ সদস্য। বাকিসব নারী সদস্য। পুরুষ সদস্যটি তার হেরেমে কখনো অন্য পুরুষকে আশ্রয় দিতে চায়না। কারণ, সে কখনো তার রাজত্ব হাতছাড়া করতে চায়না। পরিবারে কন্যা সন্তানের জন্ম হলে পরম মমতায় সে বড় হয়। আর ছেলে সন্তানের জন্ম মানেই তার রাজত্বের জন্য হুমকি। তাই পুরুষ সদস্যটি সুযোগ পেলে ছেলে জন্মের পরপরই হত্যা করে ফেলে। তবে ছেলে সন্তানটি যদি বাবার পায়ে পড়ে বশ্যতা স্বীকার করে, তখন কোনো কোনো ক্ষেত্রে বাবা তাকে হত্যা করে না। তবে সবসময়ই সতর্ক থাকে। রাজ্যের জন্য হুমকি মনে হলে মৃত্যু ব্যতিত অন্য কোনো পথ নেই।

পরিবারের অন্য সদস্যরা সবসময় বাচ্চা ছেলে জলহস্তীকে পাহারায় রাখে

পরিবারের অন্য সদস্যরা সবসময় বাচ্চা ছেলে জলহস্তীকে পাহারায় রাখে

তবে পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা ছেলে সন্তানটিকে লুকিয়ে বড় করার চেষ্টা করে। তবে সেজন্য ২৪ ঘন্টাই সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়। এক সময় সন্তান যখন পরিনত হয়, তখন সে বাবার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে। তখন পিতা ও সন্তানের মাঝে জীবন মরন লড়াই হয়। সেখানে মৃত্যু বা পরাজয় বরণ করে মৃতপ্রায় হয়ে দলত্যাগ ব্যাতিত ভিন্ন কোন সুযোগ নেন। প্রকৃতিতে আরো কিছু প্রাণীদের মধ্যে এই প্রবণতা দেখা গেলেও জলহস্তীদের মধ্যে এর প্রবণতা সবচেয়ে বেশি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর....