• সোমবার, ০৮ অগাস্ট ২০২২, ১১:২৪ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
কক্সবাজার জেলা বিএমএসএফ এর জরুরী সভা অনুষ্ঠিত উখিয়া স্পেশালাইজড হসপিটাল এ জনপদের চাহিদা, আশা-আকাঙ্ক্ষা পুরণে সক্ষম? নাকি শুধুই গতানুগতিক! ফেসবুকে পরিচয় ও প্রেম-অতপরঃ এক কলেজ শিক্ষিকাকে কলেজ ছাত্রের বিয়ে! উখিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল হুদা নির্বাচিত। উখিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের কাউন্সিল ও সম্মেলন কালঃ সভাপতি ও সাঃসম্পাদক পদে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস। আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই , মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ডঃ শিরীন আখতার। আসন্ন উখিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের ত্রি বার্ষিক নির্বাচনে, সভাপতি পদে জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী স্পষ্টতঃ এগিয়ে। উখিয়ায় পয়ঃনিষ্কাশন ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার অপ্রতুলতা এবং ময়লা ফেলার নির্দিষ্ট ভাগাড়ের অভাব। দেশে প্রতিবছর পানিতে ডুবে ১৪ হাজারের বেশি শিশুর মৃত্যু হয়। যানযট নিরসন ও বনভুমি রক্ষার্থে কঠোর সিদ্ধান্তে যাচ্ছেন উখিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার।

বর্তমান রাজনীতি ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে যোগ্যতাই হোক পরিবর্তনের মাপকাঠি

AnonymousFox_bwo / ২৪২ মিনিট
আপডেট বৃহস্পতিবার, ১৭ জুন, ২০২১

 

মিজানুর রহমান মিজান :

একটি দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট তখনই উন্নতির দিকে ধাবিত হবে যখন সে দেশের তরুনরা দেশকে নিয়ে ভাববে,তরুনরা দেশের জন্য কাজ করবে।
কথিত আছে যৌবন যার যুদ্ধে যাবার সময় তার।এখন প্রশ্ন হল তরুনরা কিভাবে ভাববে ও তাদের কারা সাহায্য করবে?

তাদের সাহাজ্য করার বড় মাধ্যম হচ্ছে সামাজিক প্রেক্ষাপট?? একটি শিশু সমাজ থেকে শিখবে।।সমাজের যে সংস্কৃতি তা তাকে ন্যায় ও অন্যায়ের পথ বুঝতে সাহায্য করবে।
যে_দেশের,মসজিদ,মাদ্রাসার,সভাপতি ও উপদেষ্টা হয় চোর,চরিএহীন সে দেশের তরুনরা ভাল কিছু শিখবে তা প্রত্যাশা করা ভুল।
স্কুল,কলেজের সভাপতি হয় যে নাম লিখতে দশবার তার হাত থেকে কলম পড়ে যায়।

তাহলে সে দেশের তরুণরা শিক্ষিত হয়ে সে দেশের জন্য কাজ করবে না এটাই স্বাভাবিক। ফ্রয়েড সাহেব বলেছিলেন মানুষ যা কল্পনা করে তাই সে বাস্তবে করার চেষ্টা করে।।আর হিটলার সাহেব বলেছিলেন যে বেশী মিথ্যাবাদী সে ততবড় রাজনীতিবিদ।।এখন এই অবস্থার পরিবর্তন তরুণরা করতে পারে এমন কথা বলা হয় সব মিডিয়া ও টিভি চ্যানেলগুলোতে।

অবস্থার পরিবর্তন করতে গেলে প্রথমে যেটা দরকার সেটা নির্বাচনে তরুণদের অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে,সৎ মেধাবী যোগ্যতম প্রার্থী বাছাই করতে হবে।।আর এই প্রার্থী বাছাই করার জন্য তরুণদের নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক আলোচনা সভা করা যেতে পারে,প্রত্যেকটি ইউনিয়ন থানা পর্যায়ে তুলনামূলক যোগ্যতম প্রার্থী বাছাই করতে হবে।।রাজনীতিতে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরী করতে হবে।

এলাকায় যে প্রার্থী নির্বাচনে দাঁড়াবে তার অবশ্যই জনসংশ্লিষ্টতা থাকতে হবে। এমনও অনেক এমপি আছে যাদের ভোটের পর তাদের আর এলাকায় দেখা যায় না।।এরকম কাউকে অবশ্যই কোন রকম সুযোগ দেয়া যাবে না।রাজনীতির এমন পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে যে তরুণরা রাজনীতি করতে আগ্রহবোধ করে।

দিন পাল্টেছে,সমাজ ও পাল্টাচ্ছে, ভাবনা ও পাল্টাচ্ছে তাই প্রত্যেকটি সাধারণ মানুষের উচিত চিন্তা ভাবনা করে প্রার্থী বাছাই করা ও তরুণদের একটা বড় অংশ যাতে সেই বাছাইয়ে থাকে। তাহলে কিছুটা হলেও দেশের সামগ্রিক অবস্থায় পরিবর্তন আসবে।

তাই সমাজকাঠামোকে পরিবর্তন করতে হবে।
কারণ তরুণরা সমাজ থেকেই শিখে তারা যখন দেখবে প্রতিটি যোগ্য ব্যক্তি যোগ্যতার আসনে বসে আছে তাহলে তারাও যোগ্যতা অর্জন করার চেষ্টা করবে।

তাই যোগ্যতাই হোক পরিবর্তনের মাপকাঠি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর....