• সোমবার, ২৬ জুলাই ২০২১, ১২:৩১ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
প্রসংগঃ মিষ্টি আম আম্রপালির নামকরণ প্রসংগঃ সাংবাদিক, সাংবাদিকতা, অপসাংবাদিকতা বা হলুদে সাংবাদিকতা রোহিঙ্গা শিবির ভিত্তিক শীর্ষ ইয়াবা কারবারিরা অধরা! রোহিঙ্গা শিবির ভিত্তিক শীর্ষ ইয়াবা কারবারিরা অধরা! প্রফেসর তারেক শামসুর রহমানের করুণ মৃত্যু থেকে মুসলিম জাতির শিক্ষা কি??? মারা গেলেন বাবরী মসজিদে প্রথম আঘাতকারীদের একজন থেকে দ্বীন প্রচারক হয়ে উঠা বলবীর সিং (মুহাম্মদ আমির)! রান্না করা কুরবানির গোশতের টুকরোতে মহান আল্লাহতায়ালার সিফাতমূলক আরবী নাম ‘আল্লাহ’র প্রকাশ! কুরবানির পশুর গোশত কত ভাগ করতে হবে ঈদুল আযহার নামাজের নিয়ম,ঈদের দিনের সুন্নাহ ও কোরবান পরবর্তী পরিচ্ছন্নতাঃ পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে ‘আইকন নিউজ টুডে ডটকম’ এর সম্পাদক ও প্রকাশক এম আর আয়াজ রবি’র শুভেচ্ছা

উখিয়া সদর-ইনানী বীচ মেরিন ড্রাইভ সংযোগ সড়ক’-এক যুগান্তকারী সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন

admin / ৪৪ মিনিট
আপডেট রবিবার, ১১ জুলাই, ২০২১

আইকন নিউজ ডেস্কঃ 

উখিয়া উপজেলা বাংলাদেশ তথা বিশ্বের আলোচিত একটি উপজেলা। মায়ানমারের বাস্তুচ্যুত প্রায় ৭ লাখ রোহিঙ্গাদের বসবাস এ উপজেলায় অবস্থিত হওয়ায় এ উপজেলা বিশ্ব দরবারে বেশ পরিচিত।

বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে মায়ানমার সীমান্তবর্তী এলাকায় প্রাকৃতিক পরিবেশের লীলালিকেতন অনিন্দ্য সুন্দর এক জনপদের নাম উখিয়া। এটি কক্সবাজার জেলার দক্ষিণাংশে ২১°০৮´ থেকে ২১°২১´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯২°০৩´ থেকে ৯২°১২´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ জুড়ে উখিয়া উপজেলার অবস্থান। এ উপজেলার আয়তন প্রায় ২৬১.৮০ বর্গ বঃকিঃমিটার.। কক্সবাজার জেলা সদর থেকে এ উপজেলার দূরত্ব প্রায় ৩৩ কিলোমিটার। এ উপজেলার উত্তরে রামু উপজেলা, পূর্বে বান্দরবান জেলার মায়ানমারের রাখাইন প্রদেশ, দক্ষিণে টেকনাফ উপজেলা এবং পশ্চিমে বঙ্গোপসাগর অবস্থিত।

২০১১ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী উখিয়া উপজেলার জনসংখ্যা ২,০৭,৩৭৯ জন। (যদিওবা এখন স্থানীয় লোকসংখ্যা তিন লাখের উপর হবে।) এর মধ্যে পুরুষ ১,০৪,৫৬৭ জন এবং মহিলা ১,০২,৮১২ জন। বাৎসরিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ২.৯%। মোট জনসংখ্যার ৮৮.১% মুসলিম, ২.৩% হিন্দু, ৭.৬% বৌদ্ধ এবং ২% খ্রিস্টান ও অন্যান্য ধর্মাবলম্বী।

বর্তমানে মায়ানমারের বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্টির বেশির ভাগই এই অঞ্চলে অবস্থান করার কারনে লোকসংখ্যা প্রায় দশ লক্ষ। রোহিঙ্গাদের জন্য নির্মিত ক্যাম্পগুলো কুতুপালং, বালুখালী, মধুর ছড়ার বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে রয়েছে। উখিয়া পৃথিবীর একমাত্র লোকসংখ্যা প্রবণ এলাকা যেখানে প্রতি বর্গমাইলে প্রায় ২৫ হাজার লোক বসবাস করেন! আবার রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলো প্রস্তাবিত/চলমান মেরিন ড্রাইভ রোডের পাশ ঘেঁসে অবস্থিত হওয়ায়, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হওয়া সাপেক্ষে প্রায় ৫ লাখ রোহিঙ্গাদেরকে দেশি বিদেশী এনজিও/আইএনজিও ও বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো তাদের সেবাকার্যক্রমসমুহ সুচারোরুপে সম্পাদন যেমন করতে পারবেন, সাথে নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী ও লজিস্টিকস গুলো সরবরাহের কাজ আরও ত্বরান্বিত করা যাবে।

উখিয়া উপজেলার পশ্চিম পাশে বঙ্গোপসাগরের বিস্তীর্ণ বালিয়াড়ির কুল ঘেঁসে কক্সবাজার কলাতলী থেকে টেকনাফ পর্যন্ত প্রায় ৮০ কিঃমিঃ যেখানে প্রায় ২৫ কিঃমিঃ উখিয়া উপজেলার জালিয়া পালং ইউনিয়নের অংশবিশেষ ইনানী,নিদানীয়া, শামলাপুরসহ আরও কিছু এলাকা উক্ত মেরিন ড্রাইভ রোডের সাথে সংযোগ থাকায় পর্যটন শিল্প, বনভুমি ও সামুদ্রিক প্রাকৃতিক সম্পদ আহরনের চারন ভুমি হিসেবে পরিগনিত হয়েছে।

কক্সবাজার টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ এমন একটি প্রসিদ্ধ মেরিন ড্রাইভ, যাকে পৃথিবীর দীর্ঘতম মেরিন ড্রাইভ বলে অভিহিত করা হয়। এটি দেশি-বিদেশী পর্যটকদের বিনোদন ও স্বপ্নের চারন ভূমি হিসেবে ইতিমধ্যে প্রতিষ্টা পেয়েছে। কক্সবাজার টেকনাফের এই মেরিন ড্রাইভের ইনানী শামলাপুর অংশের সাথে মিলিত হতে যাচ্ছে ‘উখিয়া সদর-ইনানী মেরিন ড্রাইভ সংযোগ সড়ক’। উক্ত উখিয়া মেরিন ড্রাইভ রোড যেটা উখিয়া উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান, বর্তমান উখিয়া টেকনাফের নির্বাচিত মাননীয় সংসদ সদস্য জননেতা শাহীন চৌধুরীর শ্রদ্ধেয় আব্বাজান, সাবেক উখিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান, মরহুম নুরুল ইসলাম চৌধুরী সাহেবের নামে নামকরন করা হয়েছে/ হবে বলে জানা গেছে। এই সড়কের আই ডি নংঃ ৪২২৯৪২০০৩, রাস্তার ধরনঃ উপজেলা রোড (মেরিন ড্রাইভ রোড), রাস্তার দুরত্বঃ ১৭ কিঃমিটার, ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছেঃ ৩ কিঃমিটার, অসম্পূর্ণ রাস্তার পরিমানঃ ১৪ কিঃমিটার।

উক্ত সংযোগ সড়কটি উখিয়া উপজেলার সদরের বুক ছিড়ে মিলিত হতে যাচ্ছে উখিয়ার একমাত্র পর্যটন কেন্দ্র ইনানী বীচের সাথে। ইনানী বীচ এমন একটি টুরিস্ট স্পট যেখানে প্রতিবছর হাজার হাজার দেশি ও বিদেশি পর্যটকদের ভিড় লেগেই থাকে। কক্সবাজার বিশ্বের অন্যতম পর্যটন ও স্বাস্থ্যকর স্থান। ভ্রমন পিপাসু হাজার হাজার দেশি-বিদেশী পর্যটক তাদের প্রানের খোরাক মিটানোর জন্যে কক্সবাজার আসেন। কক্সবাজার আসলে কক্সবাজার টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ রোড ও ইনানী বীচ ভিজিট কোন পর্যটক সহজে মিস করেন না, কারন এখানে একই সাথে পাহাড়, সমুদ্র, নদী এবং সমতলের অপূর্ব দৃশ্য দেখার সুবর্ণ সুযোগ সৃষ্টি হয়, যা সচরাচর বাংলাদেশের অন্য কোথাও দেখা যায়না। ইনানী বীচে রয়েছে দেশি-বিদেশী পর্যটকদের বিনোদনের সুন্দর ব্যবস্থা। বাংলাদেশ পর্যটন শিল্পের অধীনে ও ব্যক্তি মালিকানায় এখানে গড়ে উঠেছে বিশ্ব মানের হোটেল, মোটেল, রেস্তোরেন্টসহ পর্যটকদের ঘুরে বেড়ানোর অপূর্ব বিনোদন স্পট-যেখানে আছে সাগর, পাহাড়, টীলা, উপত্যকা, বনভুমি ও সমতল ভুমির অপুর্ব প্রাকৃতিক সমন্বয়, যা ভ্রমন পিপাসুদের মনে দোলা দেয় আনন্দের ফল্গুধারা। এই মেরিন ড্রাইভের একপাশে আছে সাগরের মৃদুমন্দ গর্জনের সাথে বিশুদ্ধ হীমেল ও নাতিশীতোষ্ণ সমীরনের দোলা অন্যদিকে আছে পাহাড়, উপত্যকা, বনভুমি ও সমতলের সমারোহ। এই সৈকতে দাঁড়িয়ে সূর্যাস্তের অপরূপ দৃশ্য যেমন দেখা যায়, তেমনি প্রকৃতির খুব কাছাকাছি থেকে জীবনের নিগুঢ় রহস্য ভেদ করার অপূর্ব সুযোগ সৃষ্টি হয়। বর্তমানে ইনানীকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা চলছে। যা অর্থনীতিবিদরা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে ধারনা রাখছেন।

সদ্য শুরু হওয়া, উখিয়া উপজেলা মেরিন ড্রাইভ (মরহুম নুরুল ইসলাম চৌধুরী ) রোডটি উখিয়া সদরের ফলাইয়া পাড়া রাস্তার মাথা মেইন সড়ক থেকে শুরু হয়ে মাছকারীয়া, হাতীমোড়া, মধুর ছড়া হয়ে পাহাড়ে ঘেরা বিস্তীর্ণ বনভুমির বুকের মধ্যদিয়ে ইনানীর শাপলাপুর সীমান্তে গিয়ে কক্সবাজার টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ হয়ে বীচের সাথে মিলিত হবে।যেহেতু ১৭ কিঃমিটারের মধ্যে কিছু অংশ রাস্তা ইতিমধ্যে তৈরি হয়েছে, বাকী অংশ রাস্তার কাজ শেষ হলেই, উখিয়া সদরের সাথে উখিয়া ইনানী মেরিন ড্রাইভের সংযোগ স্থাপন সম্পন্ন হবে এবং উখিয়াবাসীর দীর্ঘ দিনের লালায়িত স্বপ্নের সংযোগ সড়কটি নির্মিত হবে।এই মেরিনড্রাইভ রোড সড়কটি এতদ অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা, পর্যটন শিল্পের বিকাশ, অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও উখিয়া সদরের সাথে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের মধ্যে অর্থনৈতিক উন্নয়নের এক সেতু বন্ধন রচনা করে, এক সম্ভাবনাময় নতুন দিগন্তের সুচনা করবে বলে উখিয়ার আপামর জনসাধারন মনে করেন।

একটি কল্যাণকামী অর্থনীতির গোড়া পত্তনের সময় ও সুযোগ এসেছে উখিয়াবাসীর দোর গোড়ায়। উখিয়া বাংলাদেশের অনুন্নত অঞ্চলগুলোর একটি। অর্থনৈতিক অগ্রগতির সুযোগ সীমিত থাকার কারনে অনেকেই উখিয়াকে ‘মরু অঞ্চল বা মরুভুমি বলে অভিহিত করেছেন। এ অঞ্চলের মানুষ অর্থনৈতিক ভাবে খুবই অস্বচ্ছল ছিল। দারিদ্র্য  সীমার নিচে বসবাস করা মানুষের সংখ্যার আধিক্য ছিল। মানুষের জীবন-জীবিকা ও অর্থনৈতিক চাকা সঠিকভাবে না ঘুরাতে পারলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়ন সম্ভপর নয়। মাত্র কিছুদিন পুর্বেও অত্র এলাকার মানুষ আধুনিকতার ছোঁয়া থেকে বঞ্চিত ছিল। এলাকার মানুষের অন্ন, বস্ত্র,বাসস্থান, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ বেঁচে থাকার মৌলিক অধিকারের প্রশ্নে ছিলেন অত্র এলাকার অধিকাংশ মানুষের অবস্থান ছিল দারিদ্র্যসীমার নিচে। বেশির ভাগ মানুষের ‘নুন আনতে পানতা পুরোয়’ অবস্থা বিদ্যমান ছিল। অবশ্য এখনও যে যুগান্তকারি পরিবর্তন হয়েছে তা নয়, কিন্তু পুর্বের তুলনায় জীবন যাত্রার মানের উন্নতি হয়েছে বলা যায় বৈ কি।

ধরতে গেলে গত দশকে মানুষের চিন্তা-চেতনা, মনমানসিকতা, বিচার বুদ্ধির কিছুটা পরিবর্তন এসেছে, যোগাযোগ ব্যবস্থার পরিবর্তন হয়েছে, অবকাঠামোর উন্নতি সাধন হয়েছে এবং আধুনিকতার ছোয়া লেগেছে এলাকায় এলাকায়। শিক্ষার হার বেড়েছে, মানুষের সচেতনতাবোধ বেড়েছে, মানুষের গড় আয় বেড়েছে, বেড়েছে মানুষের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়ন।

তার পরেও দেশের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নতি ও অগ্রগতি আরও অনেক বেশি হওয়ার কথা ছিল। আসলে এতদ অঞ্চলের মানুষের জীবিকার সুনির্দিষ্ট কোন মাধ্যম নেই বা ছিলনা। অর্থনৈতিক চাকা ঘুরানোর উপযুক্ত মাধ্যম না থাকায় ঘু্রে ফিরে মানুষ ‘অর্থনৈতিক দুষ্ট চক্রে’ আবদ্ধ থেকেছে। সেই জটিল দুষ্টচক্র ভেদ করার কোন সুযোগ না থাকায় এ অঞ্চলের আপামর জনসাধারন দারিদ্যসীমাকে অতিক্রম করতে পারেনি বার বার। ফলে অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা মুখ থোবড়ে পড়েছে এতদ অঞ্চলে ! তাই অত্র এলাকার আপামর জনতা এখন তাদের ভাগ্য উন্নয়নের স্বপ্নে বিভোর। একটি এলাকা বা অঞ্চলের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, যোগাযোগ ব্যবস্থার অগ্রগতি, আধুনিকতার সংযোগ,তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়ন, শিক্ষাদীক্ষার উন্নতি, স্বাস্থ্য-চিকিতসার উন্নয়নসহ প্রশাসনিক কেন্দ্রীভূত অবস্থা থেকে বিকেন্দ্রীকরণ অবস্থায় ফিরে যেতে না পারলে ঐ অঞ্চল বা এলাকার মানুষের ভাগ্যোন্নয়ন সেই অর্থে সম্ভব হয়না।

তাই অত্র এলাকার পশ্চাৎপদ আপামর জনসাধারনের অর্থনৈতিক মুক্তির মেল বন্ধন হিসেবে আলোচিত উখিয়া মেরিন ড্রাইভ রোড উখিয়ার অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা পালন করবে এবং অত্র এলাকার মানুষের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভবপর হবে। জাতিসংঘ প্রদত্ত বাংলাদেশ সরকারের ‘টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা’ অর্জনে আমাদের এলাকার উজ্জ্বল ভূমিকা পালন করে সামষ্টিকভাবে দেশের অগ্রগতিতে গুরুত্বপুর্ণ ভুমিকা পালন করবে বলে আশা রাখতে পারি।

সেই সাথে দারিদ্র্য বিমোচন, ক্ষুধা মুক্তি, সুস্বাস্থ্য, সু-শিক্ষা, লিঙ্গসমতা, সুপেয় পানি ও পয়ঃনিস্কাষন ব্যবস্থা, নবায়ন ও ব্যয় সাধ্য জ্বালানী,কর্মসংস্থান ও অর্থনীতি, উদ্ভাবন ও উন্নত অবকাঠামো, বৈষম্য হ্রাস, টেকসই নগর উন্নয়ন, সম্পদের দায়িত্বপুর্ণ ব্যবহার, সর্বোপরি শান্তি,সামাজিক ন্যায় বিচার প্রতিষ্টা ও মানুষে মানুষে বৈষম্য হ্রাস করনের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ন ভূমিকা পালন করতে সক্ষম হবে। আমাদের উখিয়া সদরকে পৌরসভা করার জন্য আবেদন করা হয়েছে। উক্ত ‘উখিয়া সদর-ইনানী বীচ মেরিন ড্রাইভ সংযোগ সড়ক’ (মরহুম নুরুল ইসলাম চৌধুরী সড়ক) উখিয়া সদরকে পৌরসভায় রুপান্তর/উন্নতির ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা পালন করবে এবং মানুষের নুন্যতম নাগরিক সুযোগ সুবিধার উন্নয়নসহ ‘টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে’ এক যুগান্তকারী ও বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধন করবে ইনশা আল্লাহ। ধন্যবাদ সবাইকে।
লেখকঃ প্রেসিডেন্ট মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম ( বিএমএসএফ) উখিয়া উপজেলা ও ভাইস প্রেসিডেন্ট-উপজেলা প্রেসক্লাব উখিয়া।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর....