• সোমবার, ২৬ জুলাই ২০২১, ০১:১০ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
বহুরূপী (এক আত্মপ্রত্যয়ীর ডায়রী থেকে সংগৃহীত) প্রসংগঃ মিষ্টি আম আম্রপালির নামকরণ প্রসংগঃ সাংবাদিক, সাংবাদিকতা, অপসাংবাদিকতা বা হলুদে সাংবাদিকতা রোহিঙ্গা শিবির ভিত্তিক শীর্ষ ইয়াবা কারবারিরা অধরা! রোহিঙ্গা শিবির ভিত্তিক শীর্ষ ইয়াবা কারবারিরা অধরা! প্রফেসর তারেক শামসুর রহমানের করুণ মৃত্যু থেকে মুসলিম জাতির শিক্ষা কি??? মারা গেলেন বাবরী মসজিদে প্রথম আঘাতকারীদের একজন থেকে দ্বীন প্রচারক হয়ে উঠা বলবীর সিং (মুহাম্মদ আমির)! রান্না করা কুরবানির গোশতের টুকরোতে মহান আল্লাহতায়ালার সিফাতমূলক আরবী নাম ‘আল্লাহ’র প্রকাশ! কুরবানির পশুর গোশত কত ভাগ করতে হবে ঈদুল আযহার নামাজের নিয়ম,ঈদের দিনের সুন্নাহ ও কোরবান পরবর্তী পরিচ্ছন্নতাঃ

ঈদুল আযহার নামাজের নিয়ম,ঈদের দিনের সুন্নাহ ও কোরবান পরবর্তী পরিচ্ছন্নতাঃ

admin / ৩৬ মিনিট
আপডেট বুধবার, ২১ জুলাই, ২০২১

আইকন নিউজ ডেস্কঃ 

পবিত্র ঈদুল আযহার নামাজের নিয়ত: নাওয়াইতু আন উসাল্লিয়া লিল্লাহি তায়ালা রাকয়াতাই সালাতি ঈদিল আযহা, মায়া ছিত্তাতি তাকবীরাতি ওয়াজিবুল্লাহি তায়ালা ইকতাদাইতু বিহাযাল ইমাম, মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।
ঈদের নামাযের বাংলা নিয়ত :
প্রথমতঃ এভাবে নিয়ত করবে যে ,আমি ঈদুল ফিতর বা ঈদুল আযহার দু’রাকাত ওয়াজিব নামায ছয় তাকবিরের সাহিত এই ইমামের পিছনে কিবলামুখি হয়ে আদায় করছি “ আল্লাহু আকবার ”

ঈদের নামাজ আদায় পদ্ধতি
১ । প্রথমত , স্বাভাবিক নামাজের মতােই তাকবিরে তাহরিমা বলে হাত বাঁধবেন ।

২ । তারপর ছানা পাঠ করবেন । । তারপর ইমামের সাথে অতিরিক্ত তিনটি তাকবির বলবেন । প্রথম দুই তাকবিরে হাত তুলে ছেড়ে দেবেন এবং তৃতীয় তাকবিরে হাত বেঁধে ফেলবেন ।

৩ । তারপর আউজুবিল্লাহ ও বিসমিল্লাহ পড়ার পর ইমাম সুরা ফাতিহা পড়ে এর সঙ্গে অন্য একটি সুরা মেলাবেন ।

৪ । তারপর স্বাভাবিক নামাজের মতােই রুকু – সিজদা করে প্রথম রাকাত শেষ করবেন ।

৫। দ্বিতীয় রাকাতে ইমাম কিরাত পড়া শেষে রুকুতে যাওয়ার আগে অতিরিক্ত তিন তাকবির দেবেন । প্রতি তাকবিরের সঙ্গে হাত উঠাবেন এবং ছেড়ে দেবেন । তারপর চতুর্থ তাকবির বলে রুকুতে চলে যাবেন । তারপর স্বাভাবিক নামাজের মতােই নামাজ শেষ করবেন..।।

৬ । নামাজ শেষে ইমাম মিম্বারে উঠবেন । দুটি খুতবা দেবেন । এ সময় ইমামের খুতবা মনােযােগসহকারে শুনতে হবে । কোনাে ধরনের কথা বলা বা অন্য কাজে ব্যস্ত হওয়া যাবে না..।।খুতবা এতটা ই গুরুত্বপূর্ণ যে,কেউ যদি খুতবার সময় কথা বলে তাকে চুপ করতে বলার জন্য ও কথা বলা যাবে না।

ঈদুল আযহার দিনের সুন্নত ~~~

১.অতি ভোরে ঘুম থেকে উঠা।
২.উত্তমরূপে মিসওয়াক করা।
৩.উত্তমরূপে গোসল করা।
৪.উত্তম পোশাক পরিধান করা।
৫.শরীয়ত সম্মত ভাবে সাজগোজ করা।
৬.আতর/সুগন্ধি /খুশবু ব্যবহার করা।
৭.ঈদগাহে যাওয়ার পূ্র্বে না খাওয়া বরং কোরবানীর গোশত দ্বারা সে দিনের খাওয়া শুরু করা।
৮.সকাল সকাল ঈদগাহে যাওয়া।
৯.পায়ে হেটে ঈদগাহে যাওয়া।
১০.ঈদগাহে ঈদের নামাজ আদায় করা।
১১.ঈদের নামাজ সকাল সকাল আদায় করা।
১২.ঈদগাহে যাওয়া আসার সময় উচ্চস্বরে তাকবীরে তাশরিক পাঠ করা।
১৩. ঈদগাহে এক রাস্তায় যাওয়া এবং অন্য রাস্তা দিয়ে আসা।

ঈদুল আজহার সুন্নাহ হচ্ছে আগে আগে ঈদের নামাজ আদায় করে ফেলা। আর সেটা হচ্ছে সূর্যোদয়ের ঘণ্টাখানেকের মধ্যে ঈদের নামাজ আদায় করে ফেলা উচিত।আমাদের দেশে সকালে ঘুমানোর সুবিধার জন্য ঈদের নামাজ দেরিতে পরা হয়ে থাকে।ফজরের নামাজ ফরজ ঈদের নামাজ ওয়াজিব বিষয় টা আমাদের মাথাতে রাখতে হবে।তাই কোন ভাবেই ফজর যেনো বাদ না যায়।

পরিষ্কারের বিষয়টা আমরা একদম খেয়াল করিনা অথচ পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ঈমানের অংশ।কোরবানী পবিত্র জিনিস অথচ গরুর নাড়ি ভু্ড়ি, হাড়,রক্ত এদিক সেদিক ফেলে রাখি তা পরিষ্কার না করেই মাটিত ফেলে রাখি এতে দুর্গন্ধে মানুষের কষ্ট হয়ে থাকে যা গুণাহের কারণ।
আমাদের পবিত্র কোরবানী যেনো কারো সমস্যার তৈরী না করে।
সেদিকে অবশ্যই খেয়াল রাখা উচিত।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর....