• রবিবার, ১৪ অগাস্ট ২০২২, ০৮:৪০ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
নারী চিকিৎসককে গলা কেটে হত্যা, কথিত প্রেমিক কক্সবাজারের রেজা চট্টগ্রামে আটক ভোটার প্রক্রিয়ায় রোহিঙ্গা অধ্যুষিত সীমান্ত এলাকার জন্য ইসি সচিবালয় কর্তৃক ঘোষিত নির্দেশিকা। কক্সবাজার জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইন চার্জ মনোনীত হয়েছেন’ উখিয়া থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী নাদিম আবাসিক হোটেলে মিলল এক নারী চিকিৎসকের গলাকাটা লাশ, কথিত স্বামী পলাতক। বনের জন্য কক্সবাজার হবে মডেল জেলা-প্রধান বনসংরক্ষক কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সন্ত্রাসীদের গুলিতে হেড মাঝিসহ ০২জন নিহত। আর্থিক খাতে লুটপাটের দায় জনগণ শোধ করবে কেন? মাদক ও ইয়াবার বিরুদ্ধে চলমান অভিযান অব্যাহত রেখে তরুণ সমাজকে রক্ষা করুণ । কক্সবাজার জেলা বিএমএসএফ এর জরুরী সভা অনুষ্ঠিত উখিয়া স্পেশালাইজড হসপিটাল এ জনপদের চাহিদা, আশা-আকাঙ্ক্ষা পুরণে সক্ষম? নাকি শুধুই গতানুগতিক!

কুরবানির পশুর গোশত কত ভাগ করতে হবে

AnonymousFox_bwo / ২৩২ মিনিট
আপডেট বুধবার, ২১ জুলাই, ২০২১

আইকন নিউজ ডেস্কঃ

আল্লাহ তাআলা কুরআনুল কারিমের একাধিক আয়াতে কুরবানির গোশত কয় ভাগ করতে হবে তার ইঙ্গিত দিয়েছেন। এ সম্পর্কে কুরআনুল কারিমের দিকনির্দেশনা এমন-
وَالْبُدْنَ جَعَلْنَاهَا لَكُم مِّن شَعَائِرِ اللَّهِ لَكُمْ فِيهَا خَيْرٌ فَاذْكُرُوا اسْمَ اللَّهِ عَلَيْهَا صَوَافَّ فَإِذَا وَجَبَتْ جُنُوبُهَا فَكُلُوا مِنْهَا وَأَطْعِمُوا الْقَانِعَ وَالْمُعْتَرَّ كَذَلِكَ سَخَّرْنَاهَا لَكُمْ لَعَلَّكُمْ تَشْكُرُونَ
‘আর কাবার জন্যে উৎসর্গীকৃত উটকে আমি তোমাদের জন্যে আল্লাহর অন্যতম নিদর্শন করেছি। এতে তোমাদের জন্যে মঙ্গল রয়েছে। সুতরাং সারিবদ্ধভাবে বাঁধা অবস্থায় তাদের জবেহ করার সময় তোমরা আল্লাহর নাম উচ্চারণ কর। অতঃপর যখন তারা কাত হয়ে পড়ে যায় তখন তা থেকে তোমরা আহার কর এবং আহার করাও যে কিছু চায় না তাকে এবং যে চায় তাকেও। এমনিভাবে আমি এগুলোকে তোমাদের বশীভূত করে দিয়েছি, যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে পার।’ (সুরা হজ : আয়াত ৩৬)

কুরআনুল কারিমের উল্লেখিত আয়াতে কারিমা থেকে কুরবানির গোশতকে মোটামুটি তিনটি ভাগে ভাগ করার একটি নির্দেশনা বা ইঙ্গিত পাওয়া যায়। তাহলো-
১. কুরবানি দাতা নিজেদের জন্য রাখবে তথা আহার করবে।
২. আত্মীয়-স্বজনদের এক ভাগ দেবে। যারা চায় না।
৩. যারা অভাবি বা গরিব; তাদের এক ভাগ দেবে

অধিকাংশ ইসলামিক স্কলাররাই কুরবানির পশুর গোশতকে উল্লেখিত তিন ভাগে ভাগ করাকে মুস্তাহাব এবং উত্তম বলেছেন।

কুরবানি হবে না; এমনটি ভাবার কারণ নেই…
তবে হ্যাঁ, কেউ যদি তিন ভাগ করার ক্ষেত্রে কম-বেশি করে তাতেও কোনো সমস্যা নেই। কুরবানি হবে না বা কুরবানি নষ্ট হয়ে গেছে, এমনটি ভাবার কিংবা চিন্তিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। কেননা কুরবানি দাতার জন্য কুরবানির পশুর গোশত একেবারে পাল্লায় মেপে তিন ভাগে ভাগ করা আবশ্যক কোনো বিষয় নয়।

আবার চাইলে নিজের ইচ্ছা মতো ভাগ না করেও হাদিয়া দিতে পারেন বা দান করতে পারেন। তাতে কোনো সমস্যা নেই।

প্রচলিত সমাজের ভাগ
দেশের অধিকাংশ এলাকায় একটা রেওয়াজ প্রচলিত আছে যে, সমাজের ভাগ। সেখানে পুরো গ্রাম বা এলাকা থেকে সমাজের ভাগ নাম দিয়ে বিভিন্ন কুরবানির পশুর গোশত এক স্থানে জমা করা হয়। পরে তা গরিব-দুঃখীর মাঝেসহ সবার ঘরে ঘরে বণ্টন করা হয়।

এভাগে গোশত উঠিয়ে তা অসহায় মানুষের মাঝে বিতরণ করা নিঃসন্দেহে ভালো কাজ। তবে জোরপূর্বক না নিয়ে বরং সেচ্ছায় খুশি মনে সামাজিকভাবে এভোবে গোশত সংগ্রহ করে গরিব এবং অভাবি মানুষের কাছে গোশত পৌঁছে দেওয়াও মন্দ নয়।

তবে এর একটা কুপ্রভাবও আছে-
যিনি কুরবানি করেছেন, তিনি হয়তো তার পরিচিত কোনো গরিব বা একান্ত কাউকে দেবেন। আবার হয়তো এখন কোনো গরিব বা অন্য কাউকে দেবেন না ফ্রিজে সংরক্ষণ করে রাখবেন। পরে গরিব-অসহায়দের দেবেন বা খাওয়াবেন।

আবার হয়তো তিন ভাগের একভাগ হয়তো পুরোপুরি গরিবকে দেবেন না কিছু কম বেশি দেবেন। ইসলাম এ স্বাধীনতা প্রত্যেক কুরবানিদাতাকেই দিয়েছেন। সমাজের লোক যদি একভাগ গোশত নিয়ে যায়। তাতে তখন আর করার কিছু থাকে না।

অনেক সময় লজ্জায় পড়ে হলেও এক্ষেত্রে কিছু বলা যায় না। এ বিষয়টি কোনো কোনো ক্ষেত্রে তা অবৈধ বা গোনাহের পর্যায়ে চলে যায়। কারণ মনে সন্তুষ্টিতে না দিয়ে সমাজের চাপের কারণে দিলে তা কোনো অবস্থাতেই বৈধ বা জায়েজ থাকে না।

সুতরাং মুমিন মুসলমানের উচিত, কুরআনের নির্দেশনা অনুযায়ী যার যার ভাগের কুরবানির পশুর গোশত তিন ভাগে ভাগ করা যেতে পারে। যেভাবে দিকনির্দেশনা ও ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে কুরআনের উপদেশ অনুযায়ী কুরবানির গোশত ভাগ ও আহার করার তাওফিক দান করুন। আমিন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর....