• রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:৫৬ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
প্রসংগঃ সীমান্ত এলাকায় জন্মনিবন্ধন কার্যক্রম এবং স্থানীয়দের অসহ্য যন্ত্রনা ও বিড়ম্বনা ব্রেইন টিউমার আক্রান্ত তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী টুম্পাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন! প্রেক্ষিতঃ সীমান্তবর্তী এলাকার বিদ্যমান সমাস্যা ও জন্ম নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় স্থানীয়দের অসহ্য বিড়ম্বনা ইউপি নির্বাচনের হাওয়া…. পালংখালী চেয়ারম্যান প্রার্থী ইন্জিনিয়ার রবিউল হোসেনের ১০ ইশতেহার ঘোষণা উখিয়া প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব অর্পণ শীর্ষক সংবাদের প্রতিবাদ ও আমার বক্তব্য উখিয়ার সিকদার বিলের তারেক ইয়াবাসহ লোহাগাড়ায় গ্রেফতার তাবৎ জীবনে জীবনসঙ্গীর প্রতি ভালবাসা অফুরান কালের বিবর্তনে বিলাসিতার রকম ফের এনজিও থেকে স্থানীয়দের ছাঁটাইয়ের হিড়িক, কিন্তু ভ্যানগার্ড কেউ নেই উখিয়া প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব অর্পণ শীর্ষক সংবাদের প্রতিবাদ ও আমার বক্তব্য

এশিয়ার নোবেল খ্যাত রেমন ম্যাগসাইসাই পদক বিজয়ী ডঃ ফেরদৌস কাদরী ও তথাকথিত পরিমনি

admin / ৬৫ মিনিট
আপডেট শুক্রবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১

আইকন নিউজ ডেস্কঃ 

নিম্নে ছবির যেই মানুষটিকে দেখছেন অনেকেই তাকে চিনেন না। তিনি চলতি বছর  এশিয়ার নোবেল খ্যাত রেমন ম্যাগসাইসাইদ পদক পেয়েছেন।
কলেরা আর টাইফয়েডের টিকা তৈরি করে হাজারো মানুষের প্রাণ বাঁচাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য এই পুরস্কার পেয়েছেন। তার নাম ড. ফিরদৌসী কাদরী । জন্ম ৩১ মার্চ ১৯৫১। বাংলাদেশী প্রতিষেধকবিদ্যা এবং সংক্রামক রোগ গবেষণাকারী বিজ্ঞানী। তিনি প্রায় ২৫ বছর কলেরার টিকা উন্নয়নে কাজ করেছেন। এছাড়া তিনি ইটিইসি, টাইফয়েড, হেলিকোব্যাকটের পলরি, রোটা ভাইরাস ইত্যাদি অন্যান্য সংক্রামক রোগে বিশেষজ্ঞ। তিনি ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ডাইরিয়াল ডিজিজ রিসার্চের (আইসিডিডিআরবি) মিউকোসাল ইমিউনোলজি এবং ভ্যাকসিনোলজি ইউনিটের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
তিনি প্রতিষেধকবিদ্যা এবং সংক্রামক রোগ গবেষণাকারী বিজ্ঞানী। প্রায় ২৫ বছর কলেরার টিকা উন্নয়নে কাজ করেছেন এ বিজ্ঞানী।
ফেরদৌসী কাদরী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন ও আণবিক জীববিদ্যা বিভাগ থেকে ১৯৭৫ সালে বিএসসি ও ১৯৭৭ সালে এমএস ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৮০ সালে যুক্তরাজ্যের লিভারপুল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন, প্রতিষেধকবিদ্যা বিভাগ থেকে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন।
উন্নয়নশীল দেশে শিশুদের সংক্রামক রোগ চিহ্নিতকরণ ও বিশ্বব্যাপী এর বিস্তার রোধে প্রাথমিক চিকিৎসা কার্যক্রম এবং টিকাদান কর্মসূচি জোরদারে অবদানের জন্য ২০২০ সালে তিনি ‘লরিয়েল-ইউনেস্কো উইমেন ইন সায়েন্স অ্যাওয়ার্ড’ লাভ করেন। ২০১৩ সালে পেয়েছেন অনন্যা শীর্ষ দশ পুরস্কার।
এছাড়া ২০২১ সালে সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিজ্ঞান সাময়িকীতে এশিয়ার শ্রেষ্ঠ ১০০ বিজ্ঞানীর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হন ফেরদৌসী কাদরী।

উনি কোন লেভেল এর বিশাল একজন মানুষ সেটা মিডিয়া বুঝতে পারছে না।এমন একজন ব্যক্তিকে না চেনার দায় কি দেশের গণমাধ্যম এড়াতে পারে?????

কিন্তু নতুন প্রজন্মের আইডল হয় রাতের রাণী সোকল্ড মডেলরা। দেশের মানুষের রুচিবোধের পরিবর্তনে গণমাধ্যমের কি কোন ভূমিকা নেই? নাকি টিআরপি আর এলেক্সা র‌্যাংকিং এর পিছনে ছুটে চলাই গণমাধ্যমের মূল লক্ষ্য?

আইকন নিউজটুডে /আর/০৩০৯২০২১


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর....