• সোমবার, ০৮ অগাস্ট ২০২২, ১১:২৫ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
কক্সবাজার জেলা বিএমএসএফ এর জরুরী সভা অনুষ্ঠিত উখিয়া স্পেশালাইজড হসপিটাল এ জনপদের চাহিদা, আশা-আকাঙ্ক্ষা পুরণে সক্ষম? নাকি শুধুই গতানুগতিক! ফেসবুকে পরিচয় ও প্রেম-অতপরঃ এক কলেজ শিক্ষিকাকে কলেজ ছাত্রের বিয়ে! উখিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল হুদা নির্বাচিত। উখিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের কাউন্সিল ও সম্মেলন কালঃ সভাপতি ও সাঃসম্পাদক পদে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস। আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই , মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ডঃ শিরীন আখতার। আসন্ন উখিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের ত্রি বার্ষিক নির্বাচনে, সভাপতি পদে জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী স্পষ্টতঃ এগিয়ে। উখিয়ায় পয়ঃনিষ্কাশন ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার অপ্রতুলতা এবং ময়লা ফেলার নির্দিষ্ট ভাগাড়ের অভাব। দেশে প্রতিবছর পানিতে ডুবে ১৪ হাজারের বেশি শিশুর মৃত্যু হয়। যানযট নিরসন ও বনভুমি রক্ষার্থে কঠোর সিদ্ধান্তে যাচ্ছেন উখিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার।

উখিয়ায় বরর্মাইয়া পিতা পুত্রের রমরমা ইয়াবা ব্যবসা!

AnonymousFox_bwo / ২৭৩ মিনিট
আপডেট সোমবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১

 

নিজস্ব সংবাদদাতা।
কক্সবাজারের উখিয়ার শীর্ষ ইয়াবা কারবারি ইদ্রিস মিস্ত্রি ও তার পুত্র জাহাঙ্গীর আলম নিরবে চালিয়ে যাচ্ছে মারণ নেশা ইয়াবা ব্যবসা।

এ প্রতিবেদকের অনুসন্ধানে উঠে আসে, ৭/৮ বছর পূর্বে বর্মার তুমব্রু নামক এলাকা থেকে বাংলাদেশ পাড়ি দেয় বর্রমাইয়া ইদ্রিস, ঠিক তার কয়েক বছর পর নিয়ে আসে পরিবার।
প্রথম দিকে উখিয়ার বিভিন্ন গ্যারেসে গাড়ি মেরামতের কাজে লিপ্ত হয়, পর্যায়ে ক্রমে রাজাপালং ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের মালভিটা পাড়ায় বসতি স্থাপন করেন। টাকার বিনিময়ে সংগ্রহ করে জন্ম নিবন্ধ, এন আই ডি সহ গুরুত্বপূর্ণ কাগজ পত্র।
পরবর্তীতে গড়ে উঠে উখিয়ার চিহ্নিত কয়েকজন ইয়াবা কারবারিদের সাথে সখ্যতা। সূত্রমতে, বিভিন্ন গাড়ির ভিতর যোগান সৃষ্টি করে মায়ানমারে থাকা তার আত্মীয়ের মাধ্যমে সীমান্ত পেরিয়ে আনা হয় ইয়াবার বৃহত্তর চালান। পাচার করা হয় দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহর গুলোতে। এ কারবারি কালো টাকায় রাতারাতি কোটি টাকার মালিক বনে যায়, নাম বদলে বরর্মাইয়া ইদ্রিস থেকে হয়ে উঠে ইদ্রিস কোম্পানি। ইয়াবার টাকায় একাধিক গাড়ি, বাড়ি ও রাজাপালং শেখ পাড়া এলাকায় বিশাল জায়গা ক্রয় করে নিজস্ব গ্যারেস নির্মাণ করে অধ্যবদি সু কৌশলে প্রশাসানকে ফাঁকি দিয়ে ইয়াবার কারবার চালিয়ে যাচ্ছে। সূত্রে আরো জানাগেছে, বর্মাইয়া ইদ্রিসের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম গাড়ি চালানোর সুযোগ ব্যবহার করে চট্টগ্রাম সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ইয়াবা সরবরাহ করে থাকে। কখনো গাড়ির হেলপার কখনো গাড়ির ড্রাইবার বনে যাওয়া জাহাঙ্গীর বর্তমানে এনজিও-র মাসিক ভাড়া হিসাবে ঢোকে নিরাপদে রোহিঙ্গা শিবির থেকে পাচার করে যাচ্ছে ইয়াবার বৃহত্তর চালান। গত বছর দুই এক আগে উখিয়ার শেখ পাড়া এলাকায় বর্মাইয়া ইদ্রিসের গ্যারেজে ইয়াবার চালান বদল করার সময় র‍্যাব অভিযান পরিচালনা করলে ইদ্রিস ও তার ছেলে জাহাঙ্গীর পালিয়ে যায়, পরবর্তীতে সেখান থেকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার পূর্বক বরর্মাইয়া ইদ্রিসের বিরুদ্ধে উখিয়া থানায় নিয়মিত মামলা রুজু হয় যা বর্তমানেও চলমান রয়েছে। এ ছাড়াও বিভিন্ন থানায় ইয়াবার মামলা আছে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে। কাজেই সরকারের মাদকবিরোধী জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে দ্রুত এ চিহ্নিত পিতা পুত্রকে গ্রেপ্তারে বেরিয়ে আসবে ইয়াবার আরো নতুন রহস্য বলে আশাবাদী স্থানীয়রা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর....