• বুধবার, ২০ অক্টোবর ২০২১, ০২:৩০ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
ইউপি নির্বাচন এবং সমাজে তথাকথিত ইয়াবা সংশ্লিষ্ট কোটিপতি তকমাদারীর সামাজিক অবস্থান ! ঘুংধুম আজুখাইয়ায় বাল্য বিয়ের বলী হলেন হুমায়রা নামক এক গৃহবধু উখিয়ায় ষোড়শীর বিষপান, স্ত্রীকে হাসপাতালে রেখে স্বামীর পলায়ন উখিয়ায় মুহিবুল্লাহ হত্যাকান্ড || সন্দেহজনক এক আরসা নেতা নাইক্ষ্যংছড়িতে গ্রেফতার ইউপি নির্বাচনের প্রার্থিতা নিয়ে সংঘর্ষ, নিহত ৪ অপহরণের ৪ দিন পর রোহিঙ্গা যুবক উদ্ধার উখিয়ায় মর্মান্তিক ট্রাক দুর্ঘটনায় হেল্পার নিহত, ড্রাইভার আহত মরিচ্যা চেকপোস্টে সাড়ে ৮২ হাজার ইয়াবাসহ আটক ৬ উখিয়া উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক ঘোষিত ষ্টেশন ও বাজার সম্বলিত সড়ক, মহাসড়কে সৃষ্ট যানজট নিরসনে দৃশ্যমান কোন অগ্রগতি নেই । আজকের দিনে সাংবাদিক হওয়া কঠিন, বিপজ্জনক: মারিয়া রেসা

প্রেক্ষিতঃ সীমান্তবর্তী উখিয়া টেকনাফের বিদ্যমান সমাস্যাসমুহ ও কিছু অব্যক্ত পংক্তিমালা

admin / ৬৮ মিনিট
আপডেট সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১

এম আর আয়াজ রবি।

রোহিঙ্গা অধ্যুষিত সীমান্তবর্তী এলাকাগুলো যেন সমাস্যার আবর্তে ঘূর্ণায়মান এক একটি জ্বলন্ত আগ্নেয়গিরি। বিশেষ করে উখিয়া টেকনাফ যেন সমাস্যার আবর্তে ঘূর্ণায়মান জ্বলন্ত ভিসুভিয়াস! এখানে সমাস্যা আছে কিন্তু সমাধানের পথ বন্ধুর, কন্টাকাকীর্ণ। দিনে দিনে সমাস্যাগুলো চারা গাছ থেকে মহীরুহ আকার ধারন করছে। স্থানীয় প্রায় সাত লক্ষ বাসিন্দা, সাথে পার্শ্ববর্তী মায়ানমার থেকে আগত প্রায় চৌদ্দ লক্ষ রোহিঙ্গা। অত্র এলাকা জনসংখ্যার ভারে ন্যুব্জ। এত বড় জনসংখ্যা অধ্যুষিত এলাকাকে পরিকল্পিত ভাবে, সুচারু রুপে নিয়ন্ত্রন করা ও শ্বাপদসংকুল পরিবেশ পরিস্থিতি সামাল দেওয়া রীতিমত কঠিন ও দুঃসাধ্য হয়ে উঠছে। প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে এবং জনপ্রতিনিধি ও সর্বসাধারনের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুরত্ব পরিলক্ষিত হচ্ছে। এখানে অনেকক্ষেত্রে ‘অনিয়মই নিয়ম, অন্যায়ের প্রতিবাদ করাই যেন অন্যায়’ এরুপ ধারায় পরিনত হয়েছে।অবৈধ ব্যবসা-বাণিজ্য, একচেটিয়া কনস্ট্রাকশন বাণিজ্য, নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য-সামগ্রীর উর্ধ্বমুখী লাফানো ঘোড়া,স্বৈরতান্ত্রিক টেন্ডার বাণিজ্য, একচেটিয়া সাপ্লাই চেইন বাণিজ্য, ইয়াবা বাণিজ্য, সিন্ডিকেট বাণিজ্য, হাট-বাজার ইজারা বাণিজ্য, বালুমহল বাণিজ্য, প্রাকৃতিক পেরেক খ্যাত পাহাড় কেটে উজাড় করা বাণিজ্যসহ কত শত বৈধ বা অবৈধ বাণিজ্যের ছড়াছড়ি এ জনপদে বলাই বাহুল্য। এখন নতুন করে শুরু হয়েছে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে চাকুরী বাণিজ্য! এনজিও, আই এনজিও সমুহের প্রজেক্ট সংকোচনের অজুহাতে, স্থানীয় শিক্ষিত বেকার গোষ্টি চাকরিচ্যুত হয়ে বেকারত্বের অভিশাপে জর্জরিত হয়ে অনেকেই জীবন যাত্রার মান ধরে রাখতে গিয়ে হাতের নাগালে প্রাপ্ত সহজ অবৈধপন্থা অনুসরন করতে গিয়ে ইয়াবাসহ বিভিন্ন অপরাধকর্মে জড়িত হয়ে পড়ছে। যা এখন মারাত্মক সমাস্যা হিসেবে আভির্ভূত। সাথে রোহিঙ্গা সমাস্যা গোঁদের উপর বিষফোঁড়া হিসেবে তো জগদ্দল পাথর হিসেবে আছেই!

এখানে প্রশাসন ও নির্বাচিত প্রতিনিধির মধ্যে সম্মিলিত উদ্দ্যোগ নেই, নেই উপজেলাসমুহের মুল সমাস্যাগুলো চিহ্নিত, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমাস্যাগুলোর সমাধানের কার্যকরী উদ্দ্যোগ, সামগ্রিকভাবে অত্র এলাকার প্রায় ৭ লক্ষ স্থানীয় জনসাধারনের ভাগ্যোন্নয়নে তেমন কোন ‘কনস্ট্রাক্টিভ ইন্টেগ্রেটেড এন্ডেয়েভর’নেই। উপজেলার সাধারন মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য, অনেক ক্ষেত্রে উপজেলা প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিসমুহ মিলে সম্মিলিত উদ্দ্যোগ নিলেও যেকোন এক পক্ষের অবহেলা ও উদাসীনতার কারনে মহতি উদ্দ্যোগ গুলোর সঠিক বাস্তবায়ন মুখ থোবড়ে পড়তে দেখি বারংবার। আবার উভয় পক্ষের সম্মিলিত সাহসী উদ্দ্যোগগুলো উভয় পক্ষের ‘পারফেক্ট কম্বিনেশন’ ছাড়া এক পক্ষ কর্তৃক সঠিকভাবে সমাধান ও বাস্তবায়ন করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। তাই অনেকক্ষেত্রে অনেক বড় বড় পরিকল্পনা ও উদ্দ্যোগ সঠিক পরিকল্পনা ও সমন্নয়হীনতার কারনে সুষ্টভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হচ্ছে না অনেকক্ষেত্রে খুব কঠিন ও দুরুহ হয়ে পড়ছে। তাই উপজেলা প্রশাসন ও নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির যৌথ ও সম্মিলিত প্রয়াসে দলীয় ও ক্ষুদ্র স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে, দেশ ও দেশের মানুষের বৃহত্তর কল্যাণের স্বার্থে সমাস্যাগুলো চিহ্নিত করে তা সমাধানের জন্য এগিয়ে না আসলে পরিকল্পিত উখিয়া টেকনাফ বিনির্মাণের স্বপ্ন সাধ অচিরেই ধুলায় মিশে যাবে, বৈকি !

মায়ানমারের পার্শ্ববর্তী আরাকান ও অন্যান্য রাজ্য থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিংগা জনগোষ্টীকে বাংলাদেশে আশ্রয় প্রদানের ফলে উখিয়া টেকনাফের হাজার হাজার একর বনভুমি কেটে সাবাড় করা হয়েছে। অত্যধিক জনসংখ্যার বাড়তি চাপ সামাল দিতে শত শত ঘর বাড়ি, বড় বড় দালান-কোঠা, হাই রাইজ বিল্ডিং গড়ে উঠছে কৃষিযোগ্য সমতল ফসলী জমি ভরাট করে, যার মাটিগুলোর উৎস ও যোগানদাতা হিসেবে সরকারি/বেসরকারি পাহাড় নিধনে চলছে রীতিমত মহোৎসব। ডাম্পার যোগে মাটি পাচার, ড্রেজার মেশিন দিয়ে অবৈধভাবে বালি উত্তোলন, এসব ব্যবসার একচেটিয়া সুবিধাভোগী একশ্রেণির সিন্ডিকেট। রীতিমত ধ্বংসস্তূপে পরিনত করেছে প্রাকৃতিক পেরেক খ্যাত প্রাকৃতিক পাহাড়সমুহ।

এমনিতে সূর্যের আলো প্রকট হওয়ার কারনে এন্টাক্টিকা মহাদেশের জমায়িত বরফগুলো গলে গিয়ে সমুদ্রের উচ্চতা বৃদ্ধি পাচ্ছে অবিরত। সাথে রয়েছে গ্রীন হাউস এফেক্টের কারনে ওজোন স্তর হ্রাস, শিল্প-কল-কারখানার উদ্গ্রীত ধোঁয়ায় সারা বিশ্বের পরিবেশ ও প্রতিবেশকে অতিমাত্রায় হুমকির মুখে পতিত করার হাজারো সমাস্যার কথা। পরিবেশ বিজ্ঞানীদের মতে নগর ও পরিবেশ বিপর্যয়ের কারনে আগামী এক দশকে বাংলাদেশের সমুদ্রোপকূলের বিস্তীর্ণ এলাকাসহ মোট আয়তনের এক দশমাংশ ভূমি সমুদ্র গর্ভে বিলীন হয়ে যাবার আশংকা রয়েছে। কিন্তু আমরা এখনও বেখবর ও উদাসীন এসব গুরুত্বপুর্ণ খবরে!আমরা আমাদের আগামী প্রজন্মের জন্য রেখে যাচ্ছি একটি অসম, অসামাঞ্জস্য, দূষিত, অনিয়ন্ত্রিত স্বাপদসংকুল পৃথিবী, যে পৃথিবীর ভবিষ্যত প্রজন্মরা বা সন্তানরা আমাদেরকে ক্ষমা করবেন না হয়ত কস্মিনকালেও!

কথিত আছে, উখিয়া টেকনাফে গোপন আঁতাতে খাস কালেকশনের নামে অনুমোদিত অনেক রোহিঙ্গা বাজার ইজারা প্রদান করে কোটি কোটি টাকা একটি চিহ্নিত স্বার্থান্বেষী মহলের মধ্যে ভাগ বাটোয়ারা হয়ে গেছে। কিন্তু রাষ্ট্রযন্ত্রের কিছু সুবিধাবাদীমহল ও দুষ্কৃতকারী ব্যক্তিবর্গ এহেন জঘন্য কাজ করে পার পেয়ে যাবে স্বাধীন গনতান্ত্রিক এই বাংলাদেশে- তা কিভাবে সম্ভব? অবকাঠামো নির্মাণের নামে বিভিন্ন সড়ক, কাবিকা, সরকারি ও এনজিও/আইএনজিও কর্তৃক বরাদ্দকৃত অবকাঠামোগত উন্নয়ন মুলক কাজে শত শত কোটি টাকার কাজ নির্দিষ্ট সিন্ডিকেটের মাধ্যমে নয় ছয় করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেবার খবরও বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশিত হচ্ছে।

বনায়নের নামে নির্দিষ্ট গোষ্টি কর্তৃক লক্ষ লক্ষ টাকা লুটপাট, হাট-বাজারকে সিন্ডিকেটের হাতে তুলে দিয়ে দ্রব্য মূল্যের অস্বাভাবিক উর্ধ্বগতি সৃষ্টি করে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য-সামগ্রীর দাম সাধারনের ক্রয় সীমানার বাইরে নিয়ে গিয়ে হক হালালী আয়ের মানুষগুলোকে রীতিমত তুষের আগুনে পোড়াচ্ছে! উঠতি বয়সী যুব সমাজের হাতে মরণ নেশা ইয়াবা চলে যাওয়ায় এতদ অঞ্চল নয় শুধু সারাদেশের তরুন সমাজকে ধ্বংসের শেষ প্রান্তে নিয়ে যাচ্ছে। এভাবে নতুন প্রজন্মকে এক মারাত্মক চোরাবালিতে নিমজ্জিত করে স্বাধীনতার ৫০ বৎসর পরে, দেশ পরিচালনার ভবিষ্যৎ নের্তৃত্ব প্রদানকারী ছাত্র ও যুব সমাজ কে মেধাশুন্য করে অথর্ব জাতি নির্মাণের নেপথ্যে কাজ করে যাচ্ছে! অতি সহজে কোটিপতি হবার স্বপ্নে বিভোর উঠতি যুব সমাজ, ইয়াবা বাণিজ্যে নিজেদেরকে জড়িয়ে ভবিষ্যত প্রজন্মকে সর্বনাশ করার মরণ খেলায় আকন্ঠ নিমজ্জিত করছে, কার স্বার্থে? বর্তমানে অত্র এলাকার প্রায় প্রতিটি বাড়িতে ইয়াবা ট্রেডের ছড়াছড়ি। যেখানে আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্য ও অনেক মুখোশধারী সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী, সাধারন জনতা ও যুব সমাজের মধ্যে কৌশলে মরণ নেশা ইয়াবা ঢুকিয়ে দিয়ে যুব সমাজ ও জাতিকে শুধু ধ্বংসই করেনি, অধিকন্তু জাতিকে মেধাশুন্য করে মেধাহীন জাতিতে পরিনত করার গভীর ষড়যন্ত্রও হচ্ছে সু-কৌশলে, সচেতন সমাজ এমনটাই মনে করেন। বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ইতিমধ্যে মাদক ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষনা করেছেন। এ অবস্থা থেকে পরিত্রান পেতে হলে অতি শীঘ্রই রাষ্ট্রযন্ত্র ও রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক ব্যক্তিবর্গ যদি গুরুত্বের সাথে উদ্ভূত পরিস্থিতি উপলব্ধি করে সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে এগিয়ে না আসেন, রাষ্ট্রের বিভিন্ন চৌকস বাহিনীর সমন্বয়ে মাদক বা ইয়াবা নির্মূলে সর্বোচ্চ শক্তি প্রয়োগ না করেন, রাষ্ট্রের বিভিন্ন দপ্তর, অধিদপ্তর, সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মরত কর্তাব্যক্তি ও আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা মাদক নির্মূলে ঝটিকা অভিযান বা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা অথবা দৃশ্যমান প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিয়ে সমাজ ও দেশ কে বাঁচানোর জন্য এগিয়ে না আসেন, তাহলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম নিশ্চিত চোরাবালিতে আটকে খেই হারিয়ে ফেলবে।

অনেক দিন পরে, ইতিমধ্যে জন্ম নিবন্ধন সার্ভার খুলে দেওয়া হয়েছে। জন্ম নিবন্ধন করতে গিয়ে স্থানীয়দের কত ধরনের অব্যবস্থাপনা, হয়রানী ও নাকানী-চুবানী খেতে হচ্ছে, ভোক্তভোগী মাত্রই ওয়াকেফহাল। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে, জন্মনিবন্ধন করতে গিয়ে সাধারন জনগন যে পরিমান ভোগান্তির শিকার হয়েছে, ভোক্তভোগীরা দ্বিতীয় বার চিন্তা করবেন, নতুন ইস্যু (সন্তান) নিবেন কিনা অর্থাৎ জন্ম নিবন্ধন করতে যে পরিমান হয়রানী ও ভোগান্তির শিকার হয়েছেন, উক্ত সন্তানের সম্মানীত মা-বাবা দ্বিতীয়বার সন্তান নিবেন কিনা সেই সিদ্ধান্তে উপনীত হতে অনেকবার চিন্তা করবেন!

এখানে প্রসংগত উল্লেখ্য যে, পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা যারা উখিয়া টেকনাফের বিভিন্ন অঞ্চলে বা বিভিন্ন ক্যাম্পে অবস্থান করছেন, যে কোনভাবে উক্ত জন্ম নিবন্ধনে তাদের অন্তর্ভূক্তির পথ বন্ধ করার জন্য যত ধরনের কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে, তার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সব নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে স্থানীয় সাধারন জনগনের উপর। এই ক’দিনে স্থানীয় জনগন জন্ম নিবন্ধন করতে গিয়ে অনেক রকমের হয়রানীর শিকার হয়েছেন।

আবার রোহিংগা ও মরণ নেশা ইয়াবা সমাস্যায় পাশাপাশি রোহিঙ্গা সমাস্যা যেন একটি সুপ্ত আগ্নেয়গিরি। যেকোন মুহুর্তে এ আগ্নেয়গিরির বিস্ফোরন ঘটলে উখিয়া টেকনাফ তথা পুরো দেশ অস্তিত্ব সংকটে পড়বে। তাই জটিল সমাস্যা জিইয়ে না রেখে ধাপে ধাপে এক একটি সমাস্যার সমাধান করার জন্য দ্রুত এগিয়ে এসে দেশকে ভয়াবহ বিপর্যয় থেকে রক্ষা করার সময় এখনই। যত কালক্ষেপণ হবে, সমাস্যাঢ় মাত্রা বৃদ্ধি পাবে, যা নিয়ন্ত্রনের কোন সুযোগ থাকবে না, দেশ শেষ পর্যন্ত খাদের কিনারায় পতিত হবে, সেই গহবর থেকে বেঁচে আসার পথ চিরতরে রুদ্ধ হবে। ধন্যবাদ সবাইকে।
লেখকঃ ভাইস প্রেসিডেন্ট-উপজেলা প্রেস ক্লাব উখিয়া, সাবেক প্রেসিডেন্ট বিএমএসএফ উখিয়া উপজেলা ও স্টাফ রিপোর্টার-জাতীয় দৈনিক গণজাগরণ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর....