• বুধবার, ১৮ মে ২০২২, ০৮:৩৬ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
তথাকথিত কোটিপতি তকমাদারীর আয়ের উৎস ও সামাজিক অবস্থান এবং মাদক প্রতিরোধে প্রশাসনিক দুর্বলতার ছাপ! মানবিকতার জঘন্যতম দৃষ্টান্ত স্থাপনে কক্সবাজারে আলাদা রাষ্ট্র প্রতিষ্টার চেষ্টায় রোহিঙ্গারা। রোহিঙ্গা ক্যাম্পে হাসপাতাল নয়, যেনো এক একটি রোহিঙ্গা প্রজনন কেন্দ্র। সমুদ্রের পানির উচ্চতা ঝুঁকিতে ‘বিশ্ব’ ও ‘বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল’। মধ্যপ্রাচ্যের ‘ক্যান্সার খ্যাত’ ইসরাইল রাষ্ট্রের উভ্যূদয় ও রোহিঙ্গা জনগোষ্টির ‘স্বাধীন রাষ্ট্র’ স্বপ্ন ও বাস্তবতা রোহিঙ্গা সমাস্যা’ যা বাংলাদেশের গোঁদের উপর বিষফোঁড়াঃ একটি পর্যালোচনা। প্রেক্ষাপটঃ তৈল বিদ্যার তেলেসমাতি–যার প্রভাবে বর্তমান পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রে ত্রাহি ত্রাহি ভাব! বাজার নিয়ন্ত্রণ, মিথ্যার বেসাতি আর গোল খাওয়া পাবলিক ইসলামিক ‘রোজা’ ও বৈজ্ঞানিক ‘অটোফেজি’ শব্দের অর্থ, সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য। উখিয়া ভুঁইয়া ফাউন্ডেশন কর্তৃক মোটর সাইকেল শোভাযাত্রা, ঈদ পুর্ণমিলন ও বীচ ফুটবল খেলা সম্পন্ন।

সন্তান নিয়ে বাবার করুণ স্ট্যাটাস-যা খুবই মর্মান্তিক ও হ্রদয়বিদারক!

AnonymousFox_bwo / ১৫৭ মিনিট
আপডেট শুক্রবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২১

এম আর আয়াজ রবি।

আমার প্রতিবেশি ছোটভাই মোঃ ইসমাইল তার যক্ষের ধন, কলিজার টুকরো ছোট্ট শিশুকে উখিয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিল শীতকালীন ঠান্ডা জ্বর, কাঁশিতে আক্রান্ত অবস্থায়। পরে সন্তানের নিউমোনিয়া ধরা পড়ে, অবস্থা বেগতিক দেখে ডাক্তারগণ যথারীতি হাসপাতালে ভর্তি করিয়েছিল। কিন্তু বিধিবাম! তিনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা, কিংকর্তব্যবিমূঢ়তা দেখে এবং সরকারি হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা, ডাক্তারের অসৌজন্য আচরণ, অবহেলা, বঞ্চনা, ভোগান্তি বিষয়ে এক আবেগঘন স্ট্যাটাস দিয়ে সচেতন সমাজকে জানান দিতে চেয়েছেন, এই হাসপাতালে সঠিক চিকিৎসাসেবার অভাব রয়েছে। তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার সন্তানের চিকিৎসার বিষয়ে আক্ষেপ করে বলেছিলেন ‘উখিয়া সরকারি হাসপাতালে সরকারি মানুষ আছে কিন্তু সরকারি সেবা নেই’!

কথাটির মর্মার্থ আমরা কেহই সেদিন বুঝতে পারিনি! ব্যাপারটা নিয়ে আমরা কেহই তেমন মাথাও ঘামাইনি! কারণ আমরা আমাদের মত ভাল আছি, ভাল থাকার চেষ্টা করছি। পৃথিবীর বাস্তবতা অমোঘ নিয়মে চলমান। দিব্যি আমরা ভাল আছি! কিন্তু আমার ভাই ইসমাইল এখন কেমন আছেন? সন্তানের জন্মদাত্রী মা, পরিবার পরিজন কেমন আছেন? কথায় বলে ‘যার যায় সেই-ই বুঝে’! ঠিকই আমার ছোট ভাই ইসমাইল বুঝছে এখন! তার প্রাণের ধন, প্রানের স্পন্দন কলিজার টুকরো সন্তানকে হারিয়ে সেই-ই বুঝছে, সন্তান হারানোর কি যে ব্যথা। কবি বলেছিলেন, “কি যাতনা বিষে, বুঝিবে সে কিসে, কভু আশীবিষে দংশেনী যারে!” বাবার কাঁধে সন্তানের লাশ যে বা যারাই নিয়েছে তারাই বুঝে সন্তান হারানোর ব্যথা।

অযত্ন, অবহেলা, সু-চিকিৎসার অভাবে তিলে তিলে জীবন প্রদীপ শেষ হয়ে যাওয়া সন্তানকে বাঁচাবার আকুল আকুলতা, ইচ্ছে, আগ্রহ নিয়ে উখিয়া সদর হাসপাতাল থেকে নিয়ে যায় চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন হাসপাতালে। শুধু আশায় বুক বেঁধেছিল উন্নত চিকিৎসায় হয়ত তার কলিজার টুকরো সন্তান মহান আল্লাহর ইচ্ছেই সুস্থ হয়ে আবারো বাপ পা, বাব বা, মা, মাম মা ডাক শুনবেন!

কিন্তু নিয়তির নির্মম পরিহাস, মহান আল্লাহর ইচ্ছেই তাঁর ডাকে সাড়া দিয়ে, জন্মদাতা মা-বাবা, পরিবার-পরিজনকে শোকের সাগরে ভাসিয়ে গত কাল সন্ধ্যা ৬টায় না পেরার দেশে চলে গেছে ( ইন্না-লিল্লাহ ওয়া ইন্নাইলাইহে রাজেউন)। আমি শোকসন্তপ্ত মা-বাবা, পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও সমব্যদনা জানাচ্ছি।

নিশ্চয়ই আমার মত শত বিবেকবান মানুষকে তাড়িত করবে, উখিয়া সদর হাসপাতালে কি চিকিৎসা ব্যবস্থা চালু আছে? কি চিকিৎসা ব্যবস্থা হাসপাতালে কর্তৃপক্ষ করেছিলেন? এখন সরকারি হাসপাতাল এনজিও-দের দখলে। উখিয়া সদর হাসপাতাল পরিচালনা করছে এনজিও। তাদের কোন নিয়ন্ত্রণ নেই। তাদের খেয়াল খুশিতে চলছে চিকিৎসা সেবা। তারা বাস্তবে কি সেবা দিচ্ছে, কি তাদের আচার ব্যবহার, কোন পর্যায়ে তাদের জনসেবা সেটাই বলাই বাহুল্য! হাসপাতালে এনজিও কর্তৃক নিয়োগ প্রাপ্ত ডাক্তারগুলো কতটুকু যাছাই বাছাই করে নেওয়া হয়েছে, আসলেই তারা পাশকৃত সার্টিফিকেটদারি পেশাগত ডাক্তার কিনা প্রশ্ন রয়েই যায়! (কারন পরে অন্য প্রবন্ধে তুলে ধরার চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ)। এখন এনজিও রা স্থানীয় জনগোষ্টির ভাল কামনা করার সময় পায়না। তারা পড়ে থাকে সীমান্ত পার হয়ে আসা রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী নিয়ে। তাদের আষ্টেপৃষ্টে রোহিঙ্গাপ্রীতি। তারা স্থানীয়দেরকে মানুষ ভাবতে শিখেনি। আমি ছোট ভাই ইসমাইলের সন্তানের মৃত্যুর পেছনে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা, অবহেলা আছে কিনা তদন্তের দাবি রাখছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর....