• বুধবার, ১৮ মে ২০২২, ০৮:২৩ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
তথাকথিত কোটিপতি তকমাদারীর আয়ের উৎস ও সামাজিক অবস্থান এবং মাদক প্রতিরোধে প্রশাসনিক দুর্বলতার ছাপ! মানবিকতার জঘন্যতম দৃষ্টান্ত স্থাপনে কক্সবাজারে আলাদা রাষ্ট্র প্রতিষ্টার চেষ্টায় রোহিঙ্গারা। রোহিঙ্গা ক্যাম্পে হাসপাতাল নয়, যেনো এক একটি রোহিঙ্গা প্রজনন কেন্দ্র। সমুদ্রের পানির উচ্চতা ঝুঁকিতে ‘বিশ্ব’ ও ‘বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল’। মধ্যপ্রাচ্যের ‘ক্যান্সার খ্যাত’ ইসরাইল রাষ্ট্রের উভ্যূদয় ও রোহিঙ্গা জনগোষ্টির ‘স্বাধীন রাষ্ট্র’ স্বপ্ন ও বাস্তবতা রোহিঙ্গা সমাস্যা’ যা বাংলাদেশের গোঁদের উপর বিষফোঁড়াঃ একটি পর্যালোচনা। প্রেক্ষাপটঃ তৈল বিদ্যার তেলেসমাতি–যার প্রভাবে বর্তমান পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রে ত্রাহি ত্রাহি ভাব! বাজার নিয়ন্ত্রণ, মিথ্যার বেসাতি আর গোল খাওয়া পাবলিক ইসলামিক ‘রোজা’ ও বৈজ্ঞানিক ‘অটোফেজি’ শব্দের অর্থ, সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য। উখিয়া ভুঁইয়া ফাউন্ডেশন কর্তৃক মোটর সাইকেল শোভাযাত্রা, ঈদ পুর্ণমিলন ও বীচ ফুটবল খেলা সম্পন্ন।

একজন আবুল মাল আবদুল মুহিত, সাবেক অর্থমন্ত্রী ও অজানা তথ্য

AnonymousFox_bwo / ১২৩ মিনিট
আপডেট বুধবার, ৯ মার্চ, ২০২২

আইকন নিউজ ডেস্কঃ 

আবুল মাল আবদুল মুহিত, বাংলাদেশ সরকারব্র সফল সাবেক অর্থমন্ত্রী। আগা গোড়া শিক্ষিত একজন সজ্জন ও ভদ্র লোক। নব্বই ছুঁই ছুঁই বয়স।বাংলাদেশের মোস্ট সিনিয়র সিটিজেন। এখন বেশ বয়সের ভারে ন্যুব্জ অবস্থায় কালাতিপাত করছেন।জীবন সায়াহ্নে উপনীত হয়েছেন প্রায়।

একসময়ের তুখোড় মেধাবী মানুষ স্বাধীনতার পুর্বেও নিজ্রর যোগ্যতায় হাজারো বাঁধা পেরিয়ে তৎকালীন সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, কুটনৈতিক, গত দু’সেশনে আওয়ামী লীগ সরকারের সফল অর্থমন্ত্রী ছিলেন।

ইদানিং অনেকেই আবুল মাল আব্দুল মুহিত এর ছবি শেয়ার দিয়ে খুব মায়াকান্না করছেন। মানুষটা সম্পর্কে আপনি কতটুকু জানেন?

উনি দেশের অন্যতম সেরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা করেছেন, ব্যাচে টপ হয়েছেন। বিশ্বের শ্রেষ্ঠ দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হার্ভার্ড ও অক্সফোর্ড এ করেছেন মাস্টার্স।

আবুল মাল আবদুল মুহিত ১৯৫১ খ্রিষ্টাব্দে সিলেটের এমসি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন। পরবর্তীতে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতক (সম্মান) শ্রেণীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। সেখান থেকে ১৯৫৪ খ্রিষ্টাব্দে ঐ বিষয়ে প্রথম শ্রেণী পেয়ে কৃতকার্য হন এবং একই বিষয়ে ১৯৫৫ খ্রিষ্টাব্দে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করেন। বিদেশে চাকুরীরত অবস্থায় অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করেন তিনি। অতঃপর ১৯৬৩-৬৪ শিক্ষাবর্ষে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমপিএ ডিগ্রী লাভ করেন।

যোগদান করেছিলেন পাকিস্তান সিভিল সার্ভিসে, ক্ষমতাধর মানুষদের নিজ যোগ্যতা দিয়ে হটিয়ে হয়েছিলেন পাকিস্তান সিভিল সার্ভিস কমিটির মহাসচিব। মুক্তিযুদ্ধের সময় ছিলেন ওয়াশিংটনে পাকিস্তান দূতাবাসের কূটনীতিক। মুক্তিযুদ্ধের সময় সাহসিকতার পরিচয় দিয়ে পাকিস্তান সরকারের চাকরী থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন। কাজ করেছেন বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে, ছিলেন ওয়াশিংটনে মুক্তিযুদ্ধকালীন অস্থায়ী সরকারের রাষ্ট্রদূত। স্বাধীন দেশের পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সচিব হয়েছেন।

১৯৮১ সালে স্বইচ্ছায় রিটায়ারমেন্ট এ গিয়েছেন সরকারী চাকরী থেকে, ৪৮ বছর বয়সে শুরু করলেন জীবনের সেকেন্ড ইনিংস। ১৯৮২ তে ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা। বিশ্বব্যাংক, জাতিসংঘ, IDB, IMF কোথায় কাজ করেন নাই তিনি!! প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিজিটিং ফেলো ছিলেন।

৭৫ বছর বয়সে যখন সাধারণ মানুষ মৃত্যু চিন্তায় ব্যস্ত, তখন নতুন করে তিনি হলেন অর্থমন্ত্রী। কাজ করেছেন টানা দুই দফা।
এই মানুষটার বিছানায় শোয়া ছবি দেখে আপনি হায় হুতাশ করলে তো হবে না। মানুষ মারা যাবে এইটা চিরন্তন সত্য, মানুষকে পরিমাপ করবেন তার জীবনের অর্জন দিয়ে। বিছানায় শুয়ে থেকে ভেঙে যাওয়া শরীর দেখে মানুষকে বিবেচনা করবেন না। ভেঙ্গে যাওয়ার আগে কতটা আপনি গড়ে গেছেন ওটা দেখার বিষয়।

আপনি বিছানায় শুয়ে থাকা ৮৮ বছরের শরীরটা দেখছেন, তার মুখে লেগে থাকা হাসিটা দেখছেন না? আমরা যৌবনেই ভেতরে ভেতরে মরে যাই বারবার, আর উনি মৃত্যের মুখে দাঁড়িয়ে যৌবনের শক্তিতে ছুটে চলেছেন।

এই মানুষটার শরীরটা বুড়িয়ে গেছে শুধু, ভেতরের আত্মাটা এখনো মাথা উচু করে দাঁড়িয়ে আছে। নিজেকে নিয়ে উনি গর্ব করতেই পারেন।

ন্যুইয়ে পড়ার আগে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় যা করলেন তা-ই আপনার সফলতা!


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর....