• বুধবার, ১৮ মে ২০২২, ০৯:৫৭ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
তথাকথিত কোটিপতি তকমাদারীর আয়ের উৎস ও সামাজিক অবস্থান এবং মাদক প্রতিরোধে প্রশাসনিক দুর্বলতার ছাপ! মানবিকতার জঘন্যতম দৃষ্টান্ত স্থাপনে কক্সবাজারে আলাদা রাষ্ট্র প্রতিষ্টার চেষ্টায় রোহিঙ্গারা। রোহিঙ্গা ক্যাম্পে হাসপাতাল নয়, যেনো এক একটি রোহিঙ্গা প্রজনন কেন্দ্র। সমুদ্রের পানির উচ্চতা ঝুঁকিতে ‘বিশ্ব’ ও ‘বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল’। মধ্যপ্রাচ্যের ‘ক্যান্সার খ্যাত’ ইসরাইল রাষ্ট্রের উভ্যূদয় ও রোহিঙ্গা জনগোষ্টির ‘স্বাধীন রাষ্ট্র’ স্বপ্ন ও বাস্তবতা রোহিঙ্গা সমাস্যা’ যা বাংলাদেশের গোঁদের উপর বিষফোঁড়াঃ একটি পর্যালোচনা। প্রেক্ষাপটঃ তৈল বিদ্যার তেলেসমাতি–যার প্রভাবে বর্তমান পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রে ত্রাহি ত্রাহি ভাব! বাজার নিয়ন্ত্রণ, মিথ্যার বেসাতি আর গোল খাওয়া পাবলিক ইসলামিক ‘রোজা’ ও বৈজ্ঞানিক ‘অটোফেজি’ শব্দের অর্থ, সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য। উখিয়া ভুঁইয়া ফাউন্ডেশন কর্তৃক মোটর সাইকেল শোভাযাত্রা, ঈদ পুর্ণমিলন ও বীচ ফুটবল খেলা সম্পন্ন।

রাজা পালং ৯ নং ওয়ার্ডের জনপ্রিয় মেম্বার হেলাল উদ্দিনের স্বাক্ষাৎকার

AnonymousFox_bwo / ৮৫ মিনিট
আপডেট শনিবার, ২ এপ্রিল, ২০২২

রাজাপালং ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের (কুতুপালং –পাতাবাড়ি) জনপ্রিয় মেম্বার হেলাল উদ্দিন সাহেবের সাথে আইকন নিউজ টুডে ডট কম সম্পাদক ও প্রকাশক এম আর আয়াজ রবির এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারঃ

আইকন নিউজ টুডে পরিবারের পক্ষথেকে আপনাকে স্বাগতম।

আইকন নিউজ টুডেঃ মরহুম বখতিয়ার আহমেদ যিনি সাবেক জনপ্রিয় মেম্বার ছিলেন, আপনি উনার যোগ্য উত্তরসুরী, রাজাপালং ৯ নং ওয়ার্ডের দু’দুবারে জনগনের বিপুল ভোটে নির্বাচিত জনপ্রিয় মেম্বার-আপনি আপনার মুল্যায়ন করুণ।
মেম্বার হেলালঃ আমার শ্রদ্ধেয় পিতা মরহুম বখতিয়ার আহমেদ অত্র ৯ নং ওয়ার্ডের তিন তিন বারের জনপ্রিয় মেম্বার ছিলেন। তিনি এলাকা ও জনগণের সেবা করার জন্য আমৃত্যু নিয়োজিত ছিলেন। কি অজানা উদ্দ্যেশ্যে বর্তমানে ফাসির দন্ডপ্রাপ্ত সাবেক ওসি খুনী প্রদীপ ও উখিয়া থানার তৎসময়ের ওসি মর্জিনা আকতারের আক্রোশের শিকার হয়ে বিনা বিচারে নির্মমভাবে খুন হতে হয় আমার শ্রদ্ধেয় পিতাকে। আমার বাবার মৃত্যুর পরে উনার শুন্য আসনে নির্বাচন করে বিপুল ভোটে বাবার মর্যাদা ধরে রাখি। এর পরে গত নির্বাচনেও অত্র এলাকার মানুষ আমাকে বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করে আমার পরিবারকে, পরিবারের সম্মানকে মুল্যায়িত করেন। আমি এলাকার সাধারন মানুষের জন্য বাবার মত নিবেদিত থেকে সেবা করে যেতে চাই। মানুষের কল্যাণে কাজ করার স্বর্গীয় সুখ অনুভব করি। তাই ভাল কাজের মাধ্যমে দেশ ও মানুষের সেবা করার মাধ্যনে গণমানুষের মনে স্থান করে নেওয়াই আমার মুল লক্ষ্য। এভাবেই কাজ করে যাচ্ছি, আলহামদুলিল্লাহ।

আইকন নিউজ টুডেঃ এক দুঃখজনক অধ্যায়ের মাধ্যমে আপনার বাবা বখতিয়ার মেম্বারকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দিয়েছেন, তার শুন্যস্থানে আপনারা বিশেষ করে আপনি ঘুরে দাড়িয়েছেন। তাই যারা ষড়যন্ত্র করে আপনার বাবার নির্মম হত্যাকান্ডের মাধ্যমে আপনাদের অগ্রযাত্রা থামিয়ে দেবার চক্রান্ত করেছিল তারা সেই অর্থে সফল হয়নি-মুল্যায়ন করুণ।

মেম্বার হেলালঃ অনেকেই আমার বাবার উত্থানে, ব্যবসা বাণিজ্য করে স্বচ্ছল জীবন যাপন করে এলাকার মানুষের সুখে দুখে পাশে থেকে সেবা করাকে সহ্য করতে পারেন নি। তাই আমাদের অগ্রযআত্রাকে নশ্চ্যাত করার চেষ্টা করে সফল হননি। আমরা এখন স্বাবলম্বী হয়ে বাবার অসমাপ্ত কাজকে টেনে নিয়ে যাচ্ছি কিন্তু আমার বাবাকে তো আর পাবনা!

আইকন নিউজ টুডেঃ আপনার বাবা বেঁচে থাকলে নিশ্চয়ই এত তাড়াতাড়ি আপনি জনগনের কাতারে আসতেন না, তাহলে আপনার জীবনের লক্ষ্য কি ছিল?
আপনার বড় ভাই বা কেন আপনার বাবার শুন্যস্থান পুরণে এগিয়ে এসে জনপ্রতিনিধি হননি? আপনার মতামত দিন।

মেম্বার হেলালঃ জ্বী তা হয়ত সম্ভপর হতোনা কিন্তু আমার আব্বা বিভিন্ন অসুখে জর্জরিত ছিলেন। তিনি ডায়াবেটিসের রোগী, ইনসুলিন নিতে হতো। আমার বাবাও বিকল্প জনপ্রতিনিধি গড়ে তোলার জন্য আমাকে প্রস্তুতি নেবার কথা বলেছিলেন। আমার বরাবরই ইচ্ছে ছিল জনপ্রতিনিধি হয়ে দেশ ও মানুষের সেবা করা। এখন আপনাদের দোয়ায়, আল্লাহর রহমতে মানুষের যে ভালবাসা পাচ্ছি, তা অসাধারণ। আমার বড়ভাই একটি এনজিও-তে জব করেন।উনার জনপ্রতিনিধি হবার ব্যাপারে আগ্রহ তেমন নেই, তাই আমাকে এগিয়ে আসতে হল।

আইকন নিউজ টুডেঃ বিগত নির্বাচনে আপনার বাবার অঢেল সম্পত্তি ও কাড়ি কাড়ি টাকার কাছে আপনার প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থীরা হেরেছে, তারা জনগনের ভালবাসার কাছে বা ম্যান্ডেটের কাছে হারেনি-কথাটি কিভাবে মুল্যায়ন করবেন?
মেম্বার হেলালঃ আমি ইতিমধ্যে ব্যাপারটি উল্লেখ করেছি। আমরা জনগনের ভালবাসায় সিক্ত। তাই উপরোক্ত কথাটি অমুলক ও বানোয়াট।

আইকন নিউজ টুডেঃ আওয়ামীলীগের দলীয় কোন পদে আপনি আছেন?
ছাত্রাবস্থায় ইসলামী ছাত্রশিবিরের রাজনীতির সাথে আপনি জড়িত ছিলেন-কথাটি কি সত্য?
মেম্বার হেলালঃ আমার বাবা আওয়ামী মীলীগের সহ সভাপতি ছিলেন। আমি আওয়ামী লীগ পরিবারের সন্তান।নিশ্চয়ই আওয়ামী লীগ কে, বঙ্গবন্ধুকে, অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে আমি লালন করি ও পছন্দ করি।
ছাত্রাবস্থায় আমি কোন রাজনৈতিক দলের সাথে জড়িত ছিলাম না। কেহ আমাকে শিবির বা অন্যকোন দলের সাথে সম্পৃক্ততা দেখাতে পারবেনা। রাজনৈতিক ভিন্নমতাদর্শের মানুষ বা প্রতিদ্বন্দ্বিরা প্রপোগন্ডা চালিয়ে আমাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা চালিয়ে একটু মজা নেয় আর কি!

আইকন নিউজ টুডেঃ আপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কি? কুতুপালং তথা উখিয়া বাসীর জন্য আপনার ম্যাসেজ কী?
মেম্বার হেলালঃ আমার প্রথম লক্ষ্য হচ্ছে একজন সৃষ্টিশীল আলোকিত মানুষ হয়ে চিন্তা চেতনা, মনমানসিকতা, ধ্যান ধারনায় অত্র এলাকা ও জনপদের মানুষের সুখে দুখে পাশে থেকে দেশ মানুষের কল্যাণে নিজকে আত্মনিয়োগ করা। কুতুপালং ও উখিয়াবাসীর কাছে আমার ম্যাসেজ হচ্ছে অতীতের মত আমার, আমার পরিবারের পাশে এলাকাবাসী ও উখিয়াবাসী যেভাবে পাশে থেকে সাহস যুগিয়েছেন, শক্তি যুগিয়েছেন, সুন্দর পথের দিক নির্দেশনা দিয়েছেন তা অভাবনীয়, যা সব সময় আমার ও বখতিয়ার মেম্বারের পরিবারের কাছে সামনে চলার অনুপ্রেরণা জোগাবে নিশ্চয়ই।

আইকন নিউজ টুডেঃ এলাকার শিক্ষিত বেকারদের ব্যাপারে আপনার অবদান কী? এ পর্যন্ত রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কয়জনকে চাকুরী দিয়েছেন বা চাকুরীর জন্য সুপারিশ করেছেন?
মেম্বার হেলালঃ আমি যে পজিশন হোল্ড করি তা হচ্ছে স্থানীয় সরকারের সবচেয়ে নিচের দিকের একটা দায়িত্ব। এ দায়িত্বে থেকেও এলাকার মানুষের জন্য সাধ্যমত চেষ্টা করে থাকি। এ পর্যন্ত আমি প্রায় ৬০ জন মত শিক্ষিত বেকারের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছি। যখনই যে বা যারা এসেছেন আমি খালি হাতে কাউকে ফেরৎ পাঠাইনি। সাধ্যমত সহযোগিতার হাত প্রশস্ত করেছি।

আইকন নিউজ টুডেঃ আপনি কি মনে করেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ও ক্যাম্পের বাইরে হোস্ট কমিউনিটি অরক্ষিত? রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ইয়াবা ব্যবসা, স্বর্ণ চোরাচালান, সন্ত্রাসী কার্যকলাপ, গুম, খুন, ধর্ষণ প্রভৃতির ব্যাপারে আপনি কতটুকু জানেন?

মেম্বার হেলালঃ নিশ্চয়ই। রোহিঙ্গা ক্যাম্পের অভ্যন্তরে প্রায় ৩৫০ টি পরিবার রয়েছে। তারা নিজেদের ঘর, বাড়ি, ভিটা জায়গা জমি রোহিঙ্গাদের জন্য উৎসর্গ করে মাথা গুজাবার ঠাই টুকু নিয়ে কোনপ্রকার কায়ক্লেশে জীবন যাপন করছে। রোহিঙ্গারা দোকান বসিয়ে ব্যবসা বানিজ্য করতে পারলেও স্থানীয়রা সেসকল সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তাদের আয়ের কোন উৎস যেমন নেই, নেই কোন ক্ষেত্র। আগে তারা বিভিন্ন ক্ষেত খামার, কৃষিকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করলেও এখন তারা প্রচ্ছন্ন বেকার। রোহিঙ্গা কমিউনিটির জন্য দেশি বিদেশি এনজিও সহায়তার হাত প্রসারিত করলেও হোস্ট কমিউনিটির মানুষগুলো বরাবরই ঊপেক্ষিত। তাদেরকে নয় সরকার কর্তৃক সহায়তা করা হয়, না এনজিও কর্তৃক! তারা খুব বেশি কষ্টে কালাতিপাত করছে।
আর রোহিঙ্গারা যেভাবে অবস্থান করছে, মনে হচ্ছে না তারা কোনদিন তাদের দেশে ফিরে যাবে।রোহিঙ্গা সমাস্যা এখন জটিল আবর্তে ঘূর্ণীপাক খাচ্ছে। এটা বাংলাদেশ মায়ানমারের দ্বিপক্ষীয় ব্যাপার নয় এখন, এটি এখন বহুপাক্ষীক ও আন্তর্জাতিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।তাই অদুর ভবিষ্যতে এই একরোখা রোহিঙ্গাদের সামাল দেয়া বাংলাদেশ রাষ্ট্রের পক্ষে কঠিন হবে বলে মনে করি। তখন আমরা হোস্টরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভোগার সম্ভাবনা অত্যধিক।
আর রোহিঙ্গারা বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত হয়ে পড়ছে। ইয়াবা, স্বর্ণচোরাচালান, মাদক, সন্ত্রাসী, গুম, খুনসহ অনেক অপরাধের সাথে তারা জড়িত হয়ে পড়ছে। এটি আরও দুঃখজনল ও বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্য মারাত্মক হুমকি বলে আমি মনে করি।

আইকন নিউজ টুডেঃ ক্যাম্প প্রশাসনের সাথে হোস্ট কমিউনিটির দুরত্বের কারণ কী বলে আপনি মনে করেন? অনেকেই বলেছেন। ক্যাম্প প্রশাসন, আমলারা ও এপিবিএন পুলিশ রোহিঙ্গাদের স্বার্থ রক্ষায় বেশি মনোযোগী-আপনি কী মনে করেন?
মেম্বার হেলালঃ রোহিঙ্গাদেরকে দেখ ভালের দায়িত্বে সরকার কর্তৃক নিজস্ব প্রশাসনের দায়িত্বশীল রয়েছেন৷ সাথে এপিবিএন রয়েছে। পত্র পত্রিকা, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, প্রিন্ট মিডিয়া, ইলেকট্রনিক মিডিয়া তে এটি ফলাও করে খবর বের হতে দেখি, ক্যাম্প প্রশাসন, আমলারা ও ক্যাম্পে নিয়োজিত আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী রোহিঙ্গাদের সাথে মিলে একাকার হয়ে হোস্টদের বিরুদ্ধ আচরন করছে। এটির অনেকটা সত্যতা আছে বলে আমি মনে করি।

আইকন নিউজ টুডেঃ অনেকেই বলার চেষ্টা করছেন, অর্থ, লাঠিয়াল বাহিনী, সন্ত্রাসী লালন করে আপনি ক্ষমতার দাপটে আপনি এগিয়ে যাচ্ছেন- কথাটি মুল্যায়ন করুণ।
মেম্বার হেলালঃ আপনি নিশ্চয়ই জানেন, আমার বাবা এই জনপদের একজন সবার পছন্দের আলোকিত, আলোচিত মানুশ ছিলেন। আমরা তাঁরই যোগ্য উত্তরসুরী। আমরা কোন অন্যায় কাজের সাথে যেমন সম্পৃক্ত হতে পারি না, তেমনি মানুষের ভালবাসা আদায় করার জন্য কৃত্রিম পথে হাঁটতে হয়না। অত্র জনপদের সাধারণ মানুষের ভালবাসায় আমরা সিক্ত। জনগণের বাঁধভাঙ্গা ভালোবাসায় আমরা মানুষের মনে স্থান করে নিয়েছি।লাঠিয়াল বাহিনী, সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে আর কিছু হলেও জনসেবা হয়না। মানুষের আন্তরিকতা, ভালবাসা পেতে হলে তাদের হ্রদয় মন জয় করে তা সম্ভব। কোনপ্রকার ভয়ভীতি, সন্ত্রাসী কার্যকলাপ ও লাঠিয়াল বাহিনী দিয়ে কি আদৌ সম্ভব? অনেকেই আমাদের জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে আনাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রপগান্ডা চালাচ্ছে।

আইকন নিউজ টুডেঃ আপনার আমলে, সরকারি ও এনজিওদের সহায়তায় কুতুপালং ওয়ার্ডের অনেক অবকাঠামোগত উন্নয়ন করেছেন। আপনি ব্যক্তিগত তরফ থেকে এলাকার কী কী উন্নয়ন করেছেন?

আইকন নিউজ টুডেঃ অনেকেই জনপ্রতিনিধির আড়ালে, বিভিন্ন ব্যবসা ও কনস্ট্রাকশন ব্যবসার আড়ালে ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত। কেহ রথি মহারথি হয়ে অর্থের জোগান দিচ্ছে, কেহ আশ্রয় প্রশ্রয় দিচ্ছে, কেহ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ইয়াবা সংশ্লিষ্ট হয়ে কোটি কোটি অর্থ সম্পদের, গাড়িবাড়ির মালিক হচ্ছেন- কথাটি কি সত্য?
মেম্বার হেলালঃ অনেকে এ সকল অপকর্মের সাথে নিজকে আষ্টেপৃষ্টে জড়িত করে থাকতে পারে, সেটি আমি বলতে পারবনা কিন্তু আমি আমার ব্যাপারটা আপনাদের নিশ্চিত করতে চাই, আমি সরকারকে ট্যাক্স, ভ্যাট ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক দিয়ে বৈধভাবে ব্যবসা করছি। আল্লাহর রহমতে আমাদের যা আছে, সেগুলো ভালভাবে ধরে রেখে সুন্দর পরিকল্পনার মাধ্যমে চালিয়ে নিতে পারলে কোন অপকর্মের সাথে জড়িত না হয়ে আমার বংশ পরম্পরায় চৌদ্দ জেনারেশন খেয়ে শেষ করতে পারবে না ইনশাল্লাহ।

আইকন নিউজ টুডেঃ একবাক্যে আপনার ইতিবাচক দিক বলুন কেন আপনাকে সাধারণ মানুষ ভালবাসেন-
একবাক্যে আপনার নেতিবাচক দিক বলুন কেন আপনাকে সাধারণ মানুষ খুব বেশি ভালবাসেনা বা কম ভালবাসে?
মেম্বার হেলালঃ প্রথমেই আমার নেতিবাচক দিক নিয়ে কথা বলি- আমি সর্বসাধ্য চেষ্টা করি কারো মনে কষ্ট না দিয়ে সবার সাথে সুন্দরভাবে চলার তথাপি আমার বয়স এখনও কম হওয়ায়, পরিবেশ পরিস্থিতি ভেদে হয়ত অনেকক্ষেত্রে সবাইকে ন্যায্য সম্মান দিতে পারি কিনা জানি না কিন্তু আমার চেষ্টার অন্ত থাকেনা সবাইকে যোগ্য সম্মান দিতে।
আর আমার ইতিবাচক দিক হচ্ছে, আমি জনগনের সেবায় নিজেকে আত্মনিয়োগ করে দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাওয়া আমার জীবনের মহান ব্রত।আমি চিন্তা চেতনা, ধ্যান ধারনায়, মন মনমানসিকতায় সৎ, নিষ্টাবান, দায়িত্ববান, নিবেদিত প্রান থেকে মানুষের কল্যাণে কাজ করে যেতে চাই।

ধৈর্য ধরে আপনার মুল্যবান সময় আমাদের সাথে ব্যয় করার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
মেম্বার হেলালঃ আপনাকে, আইকন নিউজ পরিবারকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। আপনারা সাংবাদিক ভাইয়েরা সমাজের তৃতীয় চোখ।আমাদের ভুল ত্রুটি চোখে পড়লে ধরিয়ে দিয়ে শোধরাবার ব্যবস্থা করে দিলে আমাদের চলার পথ আরও প্রশস্ত হয়। ধন্যবাদ আপনাকে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর....