• বুধবার, ১৭ অগাস্ট ২০২২, ০৮:১২ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
বিএমএসএফ কক্সবাজার জেলা শাখার উদ্দ্যোগে ১৫-ই আগষ্ট উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন। নারী চিকিৎসককে গলা কেটে হত্যা, কথিত প্রেমিক কক্সবাজারের রেজা চট্টগ্রামে আটক ভোটার প্রক্রিয়ায় রোহিঙ্গা অধ্যুষিত সীমান্ত এলাকার জন্য ইসি সচিবালয় কর্তৃক ঘোষিত নির্দেশিকা। কক্সবাজার জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইন চার্জ মনোনীত হয়েছেন’ উখিয়া থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী নাদিম আবাসিক হোটেলে মিলল এক নারী চিকিৎসকের গলাকাটা লাশ, কথিত স্বামী পলাতক। বনের জন্য কক্সবাজার হবে মডেল জেলা-প্রধান বনসংরক্ষক কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সন্ত্রাসীদের গুলিতে হেড মাঝিসহ ০২জন নিহত। আর্থিক খাতে লুটপাটের দায় জনগণ শোধ করবে কেন? মাদক ও ইয়াবার বিরুদ্ধে চলমান অভিযান অব্যাহত রেখে তরুণ সমাজকে রক্ষা করুণ । কক্সবাজার জেলা বিএমএসএফ এর জরুরী সভা অনুষ্ঠিত

উখিয়ায় রমজানে কাঁচাবাজার ও নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের বাজারে আগুন, নেই প্রশাসনের কোন কার্যকর মনিটরিং।

AnonymousFox_bwo / ১৪১ মিনিট
আপডেট সোমবার, ৪ এপ্রিল, ২০২২

আইকন নিউজ ডেস্কঃ

অর্থনীতির স্বভাবসিদ্ধ নিয়ম হচ্ছে চাহিদা ও যোগানের ধ্বনাত্মক সম্পর্ক বজায় রাখা অর্থাৎ চাহিদা বাড়লে যোগান বাড়ে, আবার চাহিদা কমলে যোগানও কমে। কিন্তু বাজারে দ্রব্যমুল্যের একক মুল্য নির্ধারণের কিছু সুত্র বা ক্ষেত্র আছে। বর্তমান বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রীর মুল্য আকাশ ছোয়া। বাজারে সবজির যোগান চাহিদা মত দেখা গেলেও এই পবিত্র রমজানের মৌসুসে মোটেও কমেনি বাজারে সবজির দাম। বাজার ঘুরে দেখা মেলল, বাজারে সব্জির বাজারে সরবরাহ থাকলেও প্রায় প্রতিটি পন্যের/ সবজির কেজিপ্রতি লাগামহীন মুল্য বৃদ্ধি পেয়েছে।

আজ ০৪এপ্রিল (সোমবার)-২০২২ইং সকাল থেকে উখিয়াসদর, কুতুপালং, কোটবাজার ও মরিচ্যাসহ উখিয়া উপজেলার বিভিন্ন সবজি বাজারে ঘুরে ও বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানা যায় যে, রমজান আসায় প্রতিটি পন্যের পূর্বের মুল্য থেকে কেজিপ্রতি ৫টাকা, ১০টাকা, ২০ টাকা এমনকি ৩০ টাকা করে বৃদ্ধি পেয়েছে।
উক্ত বাজার গুলোতে দেখা যায় সবজির মূল্যের মধ্যে কাকরোলা ২০০টাকা, শসা কেজি ৮০-১০০টাকা, লেবু প্রতি পিস ২০টাকা কেউ কেউ বলেছেন লেবুর প্রতি পিস- ৩০টাকাও নিচ্ছে ব্যবসায়িরা, গাজর ১২০ টাকা, বরবটি- ৮০টাকা, টমেটো- ৪০টাকা, বেগুন- ৮০টাকা, করলা- ৬০টাকা, পটল ৫০টাকা, কচুর লতি ৬০টাকা, সিম ৫০-৬০টাকা, পেঁপে কেজি ৪০টাকা, পাতা কফি ৫০টাকা, পটল ৪০-৪৫টাকা, চিচিঙ্গা ৫০-৬০টাকা, মিষ্টি কুমড়া প্রতি কেজি ৪০টাকা। এবং চাল কুমড়া প্রতিটি ৪০-৫০টাকা, বাঁধাকপি কেজি- ৫০টাকা, লাউ প্রতিটি ৬০-৭০টাকা, হলুদ ১৫০-২২০টাকা। প্রতিটি পন্যের দাম বাড়লেও একমাত্র কাচা মরিচের ঝাল বেড়েনি বরং কমেছে। পুর্বে কাঁচামরিচের দাম ছিল-৮০টাকা, বর্তমান ২০টাকা কমে তা ৬০টাকাতে বিক্রি হচ্ছে। তাছাড়া শুকনো মরিচ কেজি ১৫০-২৫০টাকায় বিক্রি হচ্ছে, দেশি আদা বিক্রি হচ্ছে ৭০-৮০টাকা, চায়না আদা ১৬০টাকা, রসুন ৮০-১২০টাকাতে বিক্রি হচ্ছে,
গরু মাংস বিক্রি হচ্ছে কেজিতে ৮০০-৯০০টাকা। ব্রয়লার মুরগি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৬০-১৭০টাকা। অন্যদিকে সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ২৬০-২৭০টাকা। আবার লেয়ার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৯০-৩০০টাকায়। তাছাড়া চালের বাজারও অনিয়ন্ত্রিত। উখিয়ার বিভিন্ন ষ্টেশনের ব্যবসায়ীর সাথে কথা বলে উপরোক্ত তথ্যাদি জানা যায়।
অপরদিকে কোটবাজরের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যবসায়ী বলেন বাজারে সবজি দেখা গেলেও অন্যান্য ব্যবসায়িরা দাম না কমানোর কারনে আমাদেরকও তাদের সাথে সামঞ্জস্য করে বিক্রি করতে হচ্ছে।

উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ রমজানে বাজার মনিটরিং করে দ্রব্যমুল্যের বাজার নিয়ন্ত্রণ করে সহনীয় পর্যায়ে আনার কথা থাকলেও, বাজারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপের কোন দৃশ্যমান অগ্রগতি চোখে পড়েনি, বরং প্রায় প্রতিটি পন্যের কেজি প্রতি মুল্য বৃদ্ধি পেয়েছে পূর্বের মুল্যের চেয়ে ৫,১০,২০ অথবা ৩০ টাকা করে।

এভাবে নিত্য প্রয়োজনীয় পন্যের মুল্য বৃদ্ধি পাওয়ায়, নিম্নবিত্ত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উপর জীবন ধারনে মারাত্মক প্রভাব পড়েছে। তারা দৈনন্দিন কার্যাবলী পরিচালনা করতে রীতিমতো হিমসিম খাচ্ছে। একদিকে আয় রোজগারের ক্ষেত্র নেই, নিম্ন আয়ের অনেকাংশ ছদ্মবেকারত্বের অভিশাপে জর্জরিত, অন্যদিকে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন উর্ধ্বগতি। নিম্ন আয়ের মানুষের প্রান ওষ্টাগত। তাই টিসিবির পন্যের গাড়িতে সর্বস্তরের মানুষ হন্য হয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর....