• বুধবার, ১৮ মে ২০২২, ০৮:৫৪ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
তথাকথিত কোটিপতি তকমাদারীর আয়ের উৎস ও সামাজিক অবস্থান এবং মাদক প্রতিরোধে প্রশাসনিক দুর্বলতার ছাপ! মানবিকতার জঘন্যতম দৃষ্টান্ত স্থাপনে কক্সবাজারে আলাদা রাষ্ট্র প্রতিষ্টার চেষ্টায় রোহিঙ্গারা। রোহিঙ্গা ক্যাম্পে হাসপাতাল নয়, যেনো এক একটি রোহিঙ্গা প্রজনন কেন্দ্র। সমুদ্রের পানির উচ্চতা ঝুঁকিতে ‘বিশ্ব’ ও ‘বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল’। মধ্যপ্রাচ্যের ‘ক্যান্সার খ্যাত’ ইসরাইল রাষ্ট্রের উভ্যূদয় ও রোহিঙ্গা জনগোষ্টির ‘স্বাধীন রাষ্ট্র’ স্বপ্ন ও বাস্তবতা রোহিঙ্গা সমাস্যা’ যা বাংলাদেশের গোঁদের উপর বিষফোঁড়াঃ একটি পর্যালোচনা। প্রেক্ষাপটঃ তৈল বিদ্যার তেলেসমাতি–যার প্রভাবে বর্তমান পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রে ত্রাহি ত্রাহি ভাব! বাজার নিয়ন্ত্রণ, মিথ্যার বেসাতি আর গোল খাওয়া পাবলিক ইসলামিক ‘রোজা’ ও বৈজ্ঞানিক ‘অটোফেজি’ শব্দের অর্থ, সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য। উখিয়া ভুঁইয়া ফাউন্ডেশন কর্তৃক মোটর সাইকেল শোভাযাত্রা, ঈদ পুর্ণমিলন ও বীচ ফুটবল খেলা সম্পন্ন।

কক্সবাজার দক্ষিণ ও পার্বত্য এলাকায় লাইসেন্স ও অনুমোদনবিহীন ইট ভাটায় সয়লাব-বনভুমি উজাড়,পরিবেশ দূষণ ও জীববৈচিত্র্য বিপন্ন

AnonymousFox_bwo / ৫৩ মিনিট
আপডেট সোমবার, ১১ এপ্রিল, ২০২২

(প্রথম পর্ব)
এম আর আয়াজ রবি, উখিয়া-কক্সবাজার

মায়ানমার সীমান্তবর্তী অঞ্চলে রোহিঙ্গা অধ্যুষিত হবার প্রেক্ষাপটে,সরকারের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, এনজিও, আইএনজিওদের উন্নয়নমূলক কার্যক্রমকে প্রতিষ্টা দেবার জন্য, কক্সবাজার দক্ষিণ ( রামু, উখিয়া, টেকনাফ) ও পার্বত্য চট্টগ্রামের কিংদশ (নাইক্ষ্যংছড়ি)সহ বিভিন্ন অঞ্চলে পরিবেশ অধিদপ্তরের আইন অমান্য করে ব্যাঙের ছাতার মত ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে ইট ভাটা। ফলে পরিবেশ দূষন ও নানা রকমের স্বাস্থ্য, পরিবেশ ও প্রতিবেশগত হুমকিতে রয়েছে অত্র অঞ্চলের এলাকাবাসী। কৃষি জমি নষ্ট করে, সরকারি নির্দেশ উপেক্ষা করে চলছে ইটভাটার কার্যক্রম।
যথাযথ লাইসেন্স ও পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়াই অধিকাংশ মালিক ফসলি জমির ওপরে অবৈধভাবে ইটভাটা নির্মাণ করছেন। আর এ সব ভাটা গড়ে উঠেছে ধানের ফসলি জমি ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায়। উপজেলার বিভিন্ন স্থানে এক শ্রেণির ব্যবসায়ী ইট তৈরির নামে প্রতি বছর শত শত একর জমির উপরের উর্বর মাটি পুড়ে বিনষ্ট করছে। বনভুমি উজাড় করে পরিবেশের ক্ষতি করছে ও সরকার হারাচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকার রাজস্ব।
শুধু উর্বর জমি বিনষ্ট নয় ইটভাটা থেকে যে দুষিত গ্যাস ও তাপ নির্গত হয় তা আশে পাশের জীবজন্তু, গাছপালা এবং ফসলের ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে এবং এলাকায় বসবাসকারী মানুষের স্বাস্থ্যহানির কারণ ঘটায়।
স্কুল কলেজ, হাসপাতাল এমনকি সড়কের ৩ কিঃমিটারের মধ্যে ভাটা স্থাপন সরকারি আইন লঙ্ঘন হলেও অধিকাংশ ইট ভাটার মালিক তা তোয়াক্কা করছেন না। ইট ভাটার কারনে পরিবশের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। অনেক ফলনশীল গাছে কোন ফল ধরছেনা, ফল ধরলেও তা অকালে ঝরে পড়ে, এক মারাত্মক অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এ অবস্থা অব্যাহত থাকলে অত্র অঞ্চলের কৃষি জমির পরিমান যেমন হ্রাস পাবে তেমনি জৈববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পতিত হবে। খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা ব্যাহত হয়ে এতদঅঞ্চলে পরিবেশ বিপর্যয়ের অবস্থা বিরাজমান রয়েছে।
ইট ভাটা প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন ( নিয়ন্ত্রন) আইন, ২০১৩ তে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে, ইট ভাটায় ফসলি জমির উপরের মাটি ( টপ সয়েল) ব্যবহার করলে প্রথম বারের জন্য দুই বছরের কারাদন্ড ও দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হবে। দ্বিতীয়বার ঐ একই অপরাধ করলে ইট ভাটা কর্তৃপক্ষকে ২ থেকে ১০ বছরের জেল ও ২ থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা যাবে।
অনুমোদন না নিয়ে ইট ভাটা স্থাপন করলে এক বছরের কারাদন্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমান করা যাবে। আবাসিক জনবসতি, সংরক্ষিত এলাকা, বানিজ্যিক এলাকা, বনভুমি এবং গুরুত্বপুর্ণ স্থাপনার এলাকায় ইট ভাটা স্থাপন করলে একই শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। ইট ভাটায় কয়লার পরিবর্তে কাঠ ব্যবহার করলে ৩ বছরের কারাদন্ড এবং ৩ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দন্ডে দন্ডিত হতে পারে।
এসব আইন সরকারের অফিস আদালতের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও বাস্তবে তার প্রয়োগ দৃশ্যমান হচ্ছেনা।ফলে কৃষি, পরিবেশ ওমানুষের স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন দেশের সচেতন নাগরিক, কৃষি বিজ্ঞানি, চিকিৎসক ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞগণ। ইট ভাটার কারনে সবচেয়ে বেশি দূষিত হচ্ছে বাতাস। কক্সবাজারের দক্ষিণাঞ্চল ও পার্বত্য অঞ্চলের নাইক্ষ্যংছড়ি কিংদংশে (রামু, উখিয়া, নাইক্ষ্যংছড়ি, টেকনাফ) প্রায় ২৫টি মত ইট ভাটা রয়েছে।
(চলবে…)


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর....