• বুধবার, ১৭ অগাস্ট ২০২২, ০৭:১৫ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
বিএমএসএফ কক্সবাজার জেলা শাখার উদ্দ্যোগে ১৫-ই আগষ্ট উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন। নারী চিকিৎসককে গলা কেটে হত্যা, কথিত প্রেমিক কক্সবাজারের রেজা চট্টগ্রামে আটক ভোটার প্রক্রিয়ায় রোহিঙ্গা অধ্যুষিত সীমান্ত এলাকার জন্য ইসি সচিবালয় কর্তৃক ঘোষিত নির্দেশিকা। কক্সবাজার জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইন চার্জ মনোনীত হয়েছেন’ উখিয়া থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী নাদিম আবাসিক হোটেলে মিলল এক নারী চিকিৎসকের গলাকাটা লাশ, কথিত স্বামী পলাতক। বনের জন্য কক্সবাজার হবে মডেল জেলা-প্রধান বনসংরক্ষক কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সন্ত্রাসীদের গুলিতে হেড মাঝিসহ ০২জন নিহত। আর্থিক খাতে লুটপাটের দায় জনগণ শোধ করবে কেন? মাদক ও ইয়াবার বিরুদ্ধে চলমান অভিযান অব্যাহত রেখে তরুণ সমাজকে রক্ষা করুণ । কক্সবাজার জেলা বিএমএসএফ এর জরুরী সভা অনুষ্ঠিত

উখিয়া সদরে কয়েকটা হোটেলে একচেটিয়া গলাকাটা ব্যবসা, ভোক্তারা অসহায়- প্রশাসন ও ভোক্তাধিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ।

AnonymousFox_bwo / ১৩১ মিনিট
আপডেট রবিবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২২

(প্রথম পর্ব)

এম আর আয়াজ রবি।

রোহিঙ্গা অধ্যুষিত মানবতার শহর উখিয়া গ্লোবাল ভিলেজের একটি অংশ মাত্র। মেগা রোহিঙ্গা ক্যাম্প উখিয়ায় অবস্থিত হবার কারনে উখিয়া অঞ্চল জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি এলাকা।

প্রতিদিন হাজার হাজার দেশি বিদেশি এনজিও /আইএনজিও চাকুরে ও কর্মকর্তা/কর্মচারীর পদভারে মুখরিত মানবতার শহর উখিয়া সদর। উখিয়া সদরে হাতেগোনা কয়েকটা হোটেল ও রেস্তোরেন্ট রয়েছে। তারমধ্যে পুরনো রেস্তোরেন্টগুলোর মধ্যে উত্তর ষ্টেশনে নুর হোটেল, নুরুল হোটেল, রিজিক হোটেল, দক্ষিণ ষ্টেশনে পুর্বের চুমকি হোটেল যা বর্তমানে সোলতান হোটেল, মধ্য ষ্টেশনে ইনশাআল্লাহ হোটেল, ফানুস, মিষ্টিমুখসহ আরও হরেক রকমের চায়ের দোকান বা রেস্তোরাঁ রয়েছে।

একদা উখিয়ায় মানসম্মত হোটেল বা রেস্তোরাঁর বড়ই অভাব ছিল। অভাব ও চাহিদার আলোকে কিছু মডার্ণ সুযোগ সুবিধা সম্বলিত হোটেল গড়ে উঠেছে। তারমধ্যে উখিয়ার অনতিদুরে ফুডিস রেস্তোরাঁ, বাসমতি রেস্তোরাঁ, এএম-পিএম রেস্তোরাঁ, ভোজন রেস্তোরাঁ ও সদ্য প্রতিষ্ঠিত পুর্বের নুরুল হোটেলের স্থলাভিষিক্ত হয়েছে তাজ বে হোটেল এন্ড রেস্তোরাঁ।

পবিত্র রমাদান মাসে আভ্যন্তরীণ সংস্কার ও যুগের সাথে পাল্লা দিয়ে মডার্ণ আদলে তৈরি করার নিমিত্তে রিজিক হোটেল ও নুর হোটেল আপাততঃ বন্ধ থাকার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে সদ্য প্রতিষ্ঠিত তাজ বে হোটেল এন্ড রেস্তোরাঁ ভোক্তা সাধারনের উপর, গলা কাটা দামে পন্য সামগ্রী বিক্রয় করে রীতিমতো ভোক্তা অধিকারকে জলাঞ্জলি দিয়ে একচেটিয়া ব্যবসায় মজেছে। পাশ্ববর্তী দু’টো অত্যন্ত জনপ্রিয় ও চালু হোটেল রমাদানে সংস্কারের জন্য বন্ধ থাকার সুযোগে ভোক্তাদের পকেট কাটার আয়োজন রপ্ত করেছে, যা ভোক্তা অধিকার আইন ও মানবাধিকারের স্পষ্ট লংঘন বলে সচেতন ভোক্তারা মনে করছেন।

পবিত্র রমাদানে সাধারন মানুষ একটু ভাল খাবার গ্রহন করার খুঁজে কিছু টাকা অতিরিক্ত গেলেও ভাল জিনিস গ্রহন করতে চেষ্টা করেন। এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে সদ্য প্রতিষ্ঠিত তাজ বে হোটেল এন্ড রেস্তোরাঁ গলাকাটা দাম হাঁকিয়ে মানুষকে জিম্মি করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেবার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সেই রমাদানের শুরু থেকেই। অধিকাংশ ভোক্তা সাধারণ অতিরিক্ত মুল্য আদায় করার ব্যাপারে হোটেল কর্তৃপক্ষকে মৌখিকভাবে অবহিত করলেও, তারা কোনপ্রকার কর্ণপাত তো করেননি অধিকন্তু তারা ধরাকে সরা জ্ঞান করে তাদের গলাকাটা ব্যবসার বিন্দু পরিমান লাগাম টানেননি বরং দ্বিগুন উৎসাহে ভোক্তা সাধারনের উপর নির্বিচারে গলা কাটা জুলুম করে ব্যবসা পরিচালনা চালিয়ে যাচ্ছে-যা দেশের প্রচলিত আইন, ভোক্তাধিকার আইন ও মানবাধিকারের লঙ্ঘন বলে স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয়।

এ ব্যাপারে সিকদারবিল এলাকার জনৈক ভোক্তা সিরাজ বলেন, ‘ উখিয়ায় একটি ভাল হোটেল হয়েছে জেনে আমরা ভোক্তারা যারা তাজ বে হোটেলে খেতে যায়, দেখি তারা পাশের অন্যান্য হোটেলের পন্যের চেয়ে প্রায় দ্বিগুন মুল্য হাতিয়ে নেয়। যেমন তাজ বে হোটেলে বিফ হালিম প্রতি বাটি ১২০ টাকা করে নেয়, কিন্তু পাশ্ববর্তী ভোজন রেস্তোরাঁয় প্রতি বাটি বিফ হালিম ৮০ টাকা। আবার তাজ বে তে প্রতি বাটি সেমাই ৪০ টাকা মুল্য নিলেও ভোজন রেস্তোরাঁয় নেয় ২০ টাকা। এভাবে ইফতারি সামগ্রীসহ অন্যান্য পন্যেও অধিক মুল্য গ্রহন করছে, যা আমরা আশা করিনি। আমরা জানি দেশে নিরাপদ খাদ্যদ্রব্য বেচা কেনা করার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় কিছু নিয়ম কানুন মেনে চলতে হয়। কিন্তু উখিয়ায় একেক হোটেলে একেক ধরনের পন্য মুল্য আদায় করলেও প্রশাসনের কোন সঠিক নজরদারি নেই, যা অত্যন্ত দুঃখজনক! ‘
( চলবে…)


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর....