• বুধবার, ১৮ মে ২০২২, ০৮:১৫ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
তথাকথিত কোটিপতি তকমাদারীর আয়ের উৎস ও সামাজিক অবস্থান এবং মাদক প্রতিরোধে প্রশাসনিক দুর্বলতার ছাপ! মানবিকতার জঘন্যতম দৃষ্টান্ত স্থাপনে কক্সবাজারে আলাদা রাষ্ট্র প্রতিষ্টার চেষ্টায় রোহিঙ্গারা। রোহিঙ্গা ক্যাম্পে হাসপাতাল নয়, যেনো এক একটি রোহিঙ্গা প্রজনন কেন্দ্র। সমুদ্রের পানির উচ্চতা ঝুঁকিতে ‘বিশ্ব’ ও ‘বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল’। মধ্যপ্রাচ্যের ‘ক্যান্সার খ্যাত’ ইসরাইল রাষ্ট্রের উভ্যূদয় ও রোহিঙ্গা জনগোষ্টির ‘স্বাধীন রাষ্ট্র’ স্বপ্ন ও বাস্তবতা রোহিঙ্গা সমাস্যা’ যা বাংলাদেশের গোঁদের উপর বিষফোঁড়াঃ একটি পর্যালোচনা। প্রেক্ষাপটঃ তৈল বিদ্যার তেলেসমাতি–যার প্রভাবে বর্তমান পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রে ত্রাহি ত্রাহি ভাব! বাজার নিয়ন্ত্রণ, মিথ্যার বেসাতি আর গোল খাওয়া পাবলিক ইসলামিক ‘রোজা’ ও বৈজ্ঞানিক ‘অটোফেজি’ শব্দের অর্থ, সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য। উখিয়া ভুঁইয়া ফাউন্ডেশন কর্তৃক মোটর সাইকেল শোভাযাত্রা, ঈদ পুর্ণমিলন ও বীচ ফুটবল খেলা সম্পন্ন।

মুজিব শত বর্ষে শেখ হাসিনার উপহার ঘর পাচ্ছেন কক্সবাজারের ৮৬৭ পরিবার

AnonymousFox_bwo / ৪২ মিনিট
আপডেট সোমবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২২

আইকন নিউজ ডেস্কঃ 

কক্সবাজারের ৮ উপজেলায় আরও ৮৬৭টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার ঈদের আগেই জমিসহ নতুন ঘর পাচ্ছেন। এদের অনেকই এবার এই ঘরেই ঈদ উদযাপন করবেন, যা হতদরিদ্র খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষের ঈদের খুশিকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে ইনশাআল্লাহ।

আগামী কাল, মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) সকাল ১০ টায় সারাদেশের মতো কক্সবাজারেও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিটি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে ২ শতাংশ জমির মালিকানা দলিল ও নতুন বাড়ি হস্তান্তর করা হবে।

মঙ্গলবার সকাল ১০ টায় মুজিববর্ষ উপলক্ষে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে তৃতীয় পর্যায়ে জমি এবং গৃহ প্রদান কার্যক্রমের ভার্চ্যুয়ালি উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে গৃহহীন পরিবারগুলোকে প্রত্যেক উপজেলায় ঘরগুলো বুঝিয়ে দেবে উপজেলা প্রশাসন।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ৷

তিনি জানান, ‘মুজিব শতবর্ষে বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এমন ঘোষণার সফল বাস্তবায়ন করতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় এ কার্যক্রম চলছে।

জেলা প্রশাসক মামুনুর রশীদ জানান, ঈদুল ফিতরের আগে সহায় সম্বলহীন পরিবারের মুখে হাসি ফুটাতে নতুন বাড়ি ও জমির মালিকানা দলিল হস্তান্তর করে ঈদ উপহার হিসাবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এ ঘর তুলে দিচ্ছেন।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. আমিন আল পারভেজ জানান, সোমবার কক্সবাজার সদর উপজেলায় ১০৩টি, চকরিয়ায় ২১০টি, পেকুয়ায় ৪০টি, রামুতে ২০০টি, মহেশখালীতে ৩৫টি, উখিয়ায় ২২০টি, টেকনাফে ৪০টি এবং কুতুবদিয়া উপজেলায় ১৯টি পরিবারসহ মোট ৮৬৭টি পরিবারকে নতুন বাড়ি ও জমির মালিকানা দলিল হস্তান্তর করা হবে।

এর আগে দুই ধাপে জেলার ১৪২৫টি ভূমিহীন পরিবারকে নতুন বাড়ি দেওয়া হয়। এবার তৃতীয় পর্যায়ে জেলায় মোট ১৪৬৩টি ভূমিহীন পরিবারকে পর্যায়ক্রমে নতুন বাড়ি দেওয়া হবে।

জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, কক্সবাজার জেলায় মোট ৪ হাজার ৭৭২টি ভূমি-গৃহহীন পরিবার রয়েছে। এর মধ্যে দুটি পর্যায়ে ১ হাজার ৪২৫টি পরিবারকে ইতিমধ্যে জমি ও গৃহ হস্তান্তর করা হয়েছে। তৃতীয় পর্যায়ে আরও ১ হাজার ৪৬৩টি ঘর নির্মাণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এর মধ্যে ২৬ এপ্রিল ৮৬৭টি পরিবারকে জমি ও নতুন ঘর হস্তান্তর করা হবে। তৃতীয় পর্যায়ের মোট ১ হাজার ৪৬৩টি হস্তান্তর হয়ে গেলে জেলায় আরও ১ হাজার ৮৮৪টি পরিবার গৃহহীন থাকবে তাদের পরবর্তীতে খাস জমি অথবা জমি ক্রয় করে নতুন বাড়ি নির্মাণ করা হবে বলে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, প্রতিটি ঘর নির্মাণে খরচ হয়েছে ২ লাখ ৫৯ হাজার টাকা, প্রতিটি ঘর নির্মিত হচ্ছে ২ শতক জমিতে। দুই রুমের পাকা ঘরের সাথে রান্নাঘর, বাথরুম ও একটি বারান্দা থাকবে। প্রত্যেক ঘরে ঘরে জ্বলবে বিদ্যুতের আলো। পাশাপাশি বিশুদ্ধ পানি পানের জন্য রয়েছে টিউবওয়েল-এর ব্যবস্থা।

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার কক্সবাজারের ৮৬৭টি বাড়িসহ সারাদেশে মোট ৩২ হাজার ৯০৪টি ভূমিহীন পরিবারকে নতুন বাড়ি ও জমির মালিকানা দলিল হস্তান্তর করা হবে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর....