• রবিবার, ০২ অক্টোবর ২০২২, ০৭:২৭ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
এ বছরে নোবেল প্রাইজের জন্য মনোনীত বাংলাদেশী চিকিৎসক রায়ান সাদী কক্সবাজারে ৪২ কোটি টাকায় বনায়ন, নতুন রূপে সাজবে হিমছড়িসহ কক্সবাজার জেলা। পুলিশের প্রশিক্ষণ খাতে এনজিওগুলো শত শত কোটি টাকা অনুদান পেয়েছে : বেনজীর আহমেদ  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গত রাতেও ০১ জন খুন, অস্থিতিশীল অবস্থায় স্থানীয়রাও চরম আতংকে। র‍্যাব-৭ কর্তৃক ২ লক্ষ ৩৮ হাজার ইয়াবাসহ ০৩ জন আটক। র‍্যাব-৭ কর্তৃক ২ লক্ষ ৩৮ হাজার ইয়াবাসহ ০৩ জন আটক। উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক মুল্য ৬ কোটি। উখিয়া রেঞ্জকর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে উদ্ধারকরা ৩ শতাধিক বক অবমুক্ত করা হয় উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এক রোহিঙ্গা ভলান্টেয়ারকে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে নির্মমভাবে খুন। ঘুংধুম সীমান্তে চরম উত্তেজনায় এসএসসি ও সমমানের পরিক্ষার কেন্দ্র পরিবর্তন শাড়ি পরে কলেজে গেল ছেলে, ছবি পোস্ট করলেন ‘গর্বিত’ বাবা!

সমুদ্রের পানির উচ্চতা ঝুঁকিতে ‘বিশ্ব’ ও ‘বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল’।

AnonymousFox_bwo / ১২১ মিনিট
আপডেট বৃহস্পতিবার, ১২ মে, ২০২২

এম আর আয়াজ রবি

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তা হুমকি- বিশেষ করে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তার ওপর যেসব ঝুঁকি তৈরি হতে পারে, তা নিয়ে বিশ্বের প্রায় সব দেশই এখন একমত। বাংলাদেশও এই ঝুঁকিতে ব্যতিক্রম নয়। প্রকৃতপক্ষে, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে যেসব দেশ সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির সম্মুখীন, বাংলাদেশ সেগুলোর মধ্যে একটি। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি জলবায়ু থেকে উদ্ভব হলেও এটি মনুষ্যসৃষ্ট। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা, প্রাকৃতিক সম্পদের চাহিদা বৃদ্ধি, বনাঞ্চল ধবংশ, ওজোন স্তরের ক্ষয়, অতিরিক্ত মাত্রায় কার্বন নিঃসরন, উন্নত দেশসমুহের শিল্পায়ন থেকে মাত্রাতিরিক্ত গ্যাস, কার্বন, কার্বন মনো-অক্সাইড নিঃসরন ও ব্যাপকহারে নগরায়নের ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতাকে বিপজ্জনক মাত্রায় বৃদ্ধি করেছে।

প্রসিডিংস অব দ্য ন্যাশনাল একাডেমি অব সায়েন্সেস (Proceedings of the National Academy of Science) সাময়িকীতে প্রকাশিত একটি গবেষণা প্রতিবেদনে গবেষকরা বলছেন, বর্তমান হারে কার্বন নির্গমন ঘটতে থাকলে ২১০০ সাল নাগাদ বৈশ্বিক তাপমাত্রা ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়তে পারে ৬২ থেকে ২৩৮ সেন্টিমিটার। গবেষকরা বলছেন, ২১০০ সাল লাগাদ তাপমাত্রা যদি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি না বাড়ে, তাহলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিতে শুধু গ্রিনল্যান্ডেই প্রভাব ফেলবে। কিন্তু ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের চেয়ে বেশি বাড়লে অ্যান্টার্কটিকাও ব্যাপক হারে গলতে শুরু করবে। কার্বন নির্গমনে লাগাম টেনে ধরতে না পারলে ধারণার চেয়ে ভয়াবহ পরিণতি ভোগ করতে হবে পৃথিবীকে। বাদ যাবে না বাংলাদেশও।

সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে সারা বিশ্বের নিম্নাঞ্চলের দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে, যার মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। জলবায়ু পরিবর্তন-বিষয়ক আন্তসরকার সংস্থা ইন্টারগভর্নমেন্টাল প্যানেল ফর ক্লাইমেট চেঞ্জের (আইপিসিসি) একটা গবেষণা বলছে, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ১ মিটার (৩৯.৩৭ ইঞ্চি) বাড়লে বাংলাদেশের ১৭-২০ শতাংশ স্থলভূমি পানিতে তলিয়ে যাবে। জলবায়ু পরিবর্তনের ওপর বাংলাদেশের জাতীয় কৌশলনীতি অনুসারে এর ফলে আড়াই কোটি মানুষ জলবায়ু-উদ্বাস্তুতে পরিণত হবে। অবশ্য স্বতন্ত্র গবেষণা বলছে, এ সংখ্যা ৩ থেকে সাড়ে ৩কোটি পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

নাসার সাম্প্রতিক একটি গবেষণা বলছে, আগামী ১০০ বছরের মধ্যে বাংলাদেশের বন্দরনগরী চট্টগ্রামসহ উপকূলীয় অঞ্চলের অনেক অংশ সমুদ্রগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে। কিন্তু এটা নিঃসংকোচে বলা যায়, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতার ফলাফল আর বাংলাদেশের নিরাপত্তার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকছে না বরং এটা আন্তরাষ্ট্রীয় ও আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি হয়ে উঠবে।

সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে কিছু দ্বীপরাষ্ট্র। মালদ্বীপ, পাপুয়া নিউগিনি এবং প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্রগুলো পুরোপুরি পানিতে তলিয়ে যাবে। এসব দেশ পুরোপুরি নিমজ্জিত হওয়ার আগেই বসবাসের অনুপযুক্ত হয়ে পড়বে। এ ছাড়া পূর্ব এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য এবং উত্তর আফ্রিকা বেশ ঝুঁকিতে রয়েছে। এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে, বিশ্বের বৃহৎ ১০টি মেগাসিটির মধ্যে ৮টিই সমুদ্র–তীরবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত। পৃথিবীর দুই তৃতীয়াংশ মানুষ সমুদ্রোপকুল থেকে ১০০ কিলোমিটারের মধ্যে বসবাস করে। তাই সমুদ্রপৃষ্টের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে বিপুল সংখ্যক মানুষ বাস্তুচ্যুত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশ, যাদের সম্পদ সীমিত, তাদের পক্ষে এই ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা কোনভাবেই সম্ভবপর নয়।

সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে সারা বিশ্বের অর্থনীতির ওপর প্রতিকূল প্রভাব পড়বে। উপকূলীয় অবকাঠামো—সমুদ্রবন্দর, রাস্তাঘাট ও রেলসংযোগ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। বন্দরসমূহের কার্যক্ষমতা কমে যাওয়ায় বৈশ্বিক বাণিজ্য ব্যাহত হবে। এর ফলে সমুদ্রোপকূলবর্তী শহর ও রাষ্ট্রসমূহের মানুষকে সেবা দেওয়ার সক্ষমতা হ্রাস পাবে, যা রাষ্ট্রসমূহকে ভঙ্গুর করে তুলবে।

জীববৈচিত্র্যের ওপর সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির প্রভাব হবে ধ্বংসাত্মক। লবণাক্ত পানির সংক্রমণের ফলে উপকূলীয় অঞ্চলের মাটির গুণগত মানের পরিবর্তন হবে, যা ওই অঞ্চলের জীববৈচিত্র্য, বিশেষত গাছপালার ওপর প্রতিকূল প্রভাব ফেলবে। বাংলাদেশের সুন্দরবনের ওপর বর্তমানে যে প্রতিকূল প্রভাব আমরা দেখছি, তা আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে। অনেক সামুদ্রিক জীব অস্তিত্ব সংকটের সম্মুখীন হবে। কারণ, পানির উচ্চতার পরিবর্তনের ফলে এরা আলো ও অক্সিজেনের স্বল্পতায় ভুগবে। এককথায় সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতায় পরিবর্তনের ফলে সমগ্র পৃথিবীর জীব বৈচিত্র্য নষ্ট হয়ে যাবে। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে যেসব সমস্যার সৃষ্টি হবে, তা ‘ঝুঁকি গুণিতক’ (Threat Multiplier)-এর কাজ করবে। ফলে যেসব সমস্যা ইতিমধ্যে বিভিন্ন দেশে বিদ্যমান আছে, সেগুলো আরও প্রকট হয়ে দেখা দেবে, যা চূড়ান্তভাবে তাদের সংঘাতের দিকে ঠেলে দেবে। যেসব দেশের শাসনব্যবস্থা দুর্বল, এসবসমস্যাতাদেরআরওভঙ্গুরকরেতুলবে।

সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির প্রক্রিয়া পুরোপুরি রোধ করা সম্ভব নয়। বরং বৃদ্ধির হার কতটা কমিয়ে রাখা যায়, সেটাই আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত। পাশাপাশি সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে যেসব নিরাপত্তাঝুঁকির সৃষ্টি হবে, সেগুলো মোকাবিলা করার জন্য বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের যে যৌথ ব্যবস্থাপনা থাকা দরকার, সেদিকে আমাদের বিশেষ নজর দিতে হবে। শুধু পরিকল্পনা নয়, বাস্তবায়নের দিকেও জোর দিতে হবে। তাহলেই ভবিষ্যৎকে নিরাপদ রাখা সম্ভব হবে।

অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাজ্যের একদল বিজ্ঞানী ১৯৯০ এবং ২০০০ সালের মধ্যে ৫৬ উন্নয়নশীল দেশের বন্যার ঘটনা বিশ্লেষণ করে দেখেছেন যে ওই দশকে দেশগুলোতে প্রায় এক লাখ মানুষ বন্যার কারণে মৃত্যুবরণ করেছে এবং প্রায় ৩২০ মিলিয়ন মানুষ পরিবেশ-উদ্বাস্তুতে পরিণত হয়েছে। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিতে চীন ও বাংলাদেশ ভয়াবহ বিপদে পড়বে বলে নাসা এরই মধ্যেই সতর্ক করে দিয়েছে।
পুর্বের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা, বাংলাদেশ ভূখণ্ডের উপরিভাগের তাপমাত্রা যদি ক্রমবর্ধমান থাকে, তাহলে ২০৫০ সালের মধ্যে বঙ্গোপসাগরের গড় উচ্চতা প্রায় ৩০ সেন্টিমিটার বাড়বে এবং এতে প্রায় ১৪ শতাংশ স্থলভূমি স্থায়ী ও অস্থায়ী জল-নিমজ্জনের শিকার হবে। এতে প্রায় ২০ শতাংশ বাসযোগ্য স্থলভূমি স্থায়ী ও অস্থায়ী জল-নিমজ্জনের শিকার হবে এবং ১৫ মিলিয়ন লোক ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
বাংলাদেশের ওপর সম্পাদিত গবেষণা থেকে জানা গেছে, ২০৩০ ও ২০৫০ সাল নাগাদ বর্তমানের তুলনায় বার্ষিক গড় তাপমাত্রা যথাক্রমে ১ ও ১ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং ২১০০ সাল নাগাদ ২ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পেতে পারে৷

একই সঙ্গে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে ২০৩০ ও ২০৫০ সাল নাগাদ সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বর্তমানের তুলনায় যথাক্রমে ১৪ ও ৩২ সেন্টিমিটার এবং ২১০০ সাল নাগাদ ৮৮ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে৷ ফলে বাংলাদেশের কমপক্ষে ১০ শতাংশ এলাকা সমুদ্রের পানিতে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে৷

ফলে উপকূলীয় অঞ্চলের কোটি কোটি মানুষ উদ্বাস্তু হবেন বলে অনুমান করা হচ্ছে৷ সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ৬৭ সেন্টিমিটার বাড়লে গোটা সুন্দরবনই পানিতে তলিয়ে যাবে৷ ইতিমধ্যে সুন্দরবনের ভারতীয় অংশে অবস্থিত ‘লোহাচরা’ও ‘সুপারিভাঙ্গা’ নামের দুটি দ্বীপ হারিয়ে গেছে৷ লোহাচরা দ্বীপের মাত্র এক মাইল উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত প্রায় দেড় লাখ জনসংখ্যার ‘সাগরদ্বীপের ৩৩ দশমিক ৬২ বর্গকিলোমিটার এলাকা গত ৩০ বছরে সমুদ্রে তলিয়ে গেছে৷ বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ ভোলা দ্বীপও গত চার দশকে প্রায় ৩ হাজার বর্গ কিলোমিটার এলাকা হারিয়ে বর্তমানে ১৯৬৫ সালের তুলনায় অর্ধেকে এসে দাঁড়িয়েছে৷

প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে এখনই। উদ্যোগ যা নেয়া হচ্ছে, তা যথেষ্ট নয় বলে মনে করেন বিশ্ব জলবায়ু বিশেষজ্ঞ৷ জন চার্চ । তিনি বলেন, ২৩০০ সালের মধ্যে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা এক মিটার বৃদ্ধি রোধ করতে হলে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা আরও অনেক বাড়াতে হবে এবং তা এখনই৷ গ্রিফিথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর এমিরেটাস ইয়ান লোয়ি বলেন, এই গবেষণাটি আরেকবার আমাদের মনে করিয়ে দিলো যে, জলবায়ু পরিবর্তন আমাদের উপকূলে কতটা ঝুঁকি তৈরি করে ফেলেছে৷ প্রাকৃতিক কারণে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের মানুষদের উচ্ছেদ ও জলবায়ু শরণার্থী হয়ে যাওয়া অস্ট্রেলিয়াসহ এসব দেশের জন্য সামাজিক ও রাজনৈতিক সমস্যা তৈরি করবে বলে মনে করেন তিনি।

অবশ্য অধুনা করোনা ভাইরাসের কারনে সারাবিশ্বে মনুষ্যজাতি হোম কোয়ারেন্টাইন বা লক ডাউনে থাকলেও প্রকৃতির অন্যান্য প্রানীকূল, প্রাকৃতিক অন্যান্য সৃষ্টি উন্মুক্ত অবস্থায় আছে। এ অল্প দিনে প্রাকৃতিক ভারসাম্য যতটুকু নষ্ট হবার কথা ছিল, পুরো পৃথিবী অবরুদ্ধ হওয়ার কারনে কিছুটা স্বস্তি পেয়েছে প্রকৃতি! প্রকৃতি নিজ থেকে ভারসাম্য রক্ষার চেষ্টায় রত আছে। সারা বিশ্বের কল কারখানা, শিল্প বানিজ্য স্থবির হয়ে যাবার কারনে, ওজোন স্তরের উপর মনুষ্য সৃষ্ট চাপ অনেকটা কমেছে, প্রকৃতি ভয়াবহ দুষনের হাত থেকে কিছুটা হলেও সুরক্ষা পেয়েছে।
তারিখঃ ১১-মে-২০২২
Mail: ayaz.robi@gmail.com
সুত্রঃ
০১। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে বিশেষজ্ঞ হিসেবে পঠিত বক্তব্য (মেজর জেনারেল (অব) এএনএম মুনিরুজ্জামান বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব পিস অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজের প্রেসিডেন্ট।
০২। সমুদ্রের উচ্চতা বৃদ্ধি ঠেকানো যাবে না, ঝুঁকিতে বাংলাদেশের উপকূল শীর্ষক প্রবন্ধ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর....