• রবিবার, ০২ অক্টোবর ২০২২, ০৮:০৫ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
এ বছরে নোবেল প্রাইজের জন্য মনোনীত বাংলাদেশী চিকিৎসক রায়ান সাদী কক্সবাজারে ৪২ কোটি টাকায় বনায়ন, নতুন রূপে সাজবে হিমছড়িসহ কক্সবাজার জেলা। পুলিশের প্রশিক্ষণ খাতে এনজিওগুলো শত শত কোটি টাকা অনুদান পেয়েছে : বেনজীর আহমেদ  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গত রাতেও ০১ জন খুন, অস্থিতিশীল অবস্থায় স্থানীয়রাও চরম আতংকে। র‍্যাব-৭ কর্তৃক ২ লক্ষ ৩৮ হাজার ইয়াবাসহ ০৩ জন আটক। র‍্যাব-৭ কর্তৃক ২ লক্ষ ৩৮ হাজার ইয়াবাসহ ০৩ জন আটক। উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক মুল্য ৬ কোটি। উখিয়া রেঞ্জকর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে উদ্ধারকরা ৩ শতাধিক বক অবমুক্ত করা হয় উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এক রোহিঙ্গা ভলান্টেয়ারকে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে নির্মমভাবে খুন। ঘুংধুম সীমান্তে চরম উত্তেজনায় এসএসসি ও সমমানের পরিক্ষার কেন্দ্র পরিবর্তন শাড়ি পরে কলেজে গেল ছেলে, ছবি পোস্ট করলেন ‘গর্বিত’ বাবা!

মানবিকতার জঘন্যতম দৃষ্টান্ত স্থাপনে কক্সবাজারে আলাদা রাষ্ট্র প্রতিষ্টার চেষ্টায় রোহিঙ্গারা।

AnonymousFox_bwo / ১০৪ মিনিট
আপডেট শনিবার, ১৪ মে, ২০২২

মাইনুদ্দীন শাহীনঃ

মানবিকতার উৎকৃষ্ট উদাহারন বাংলাদেশ আর এদেশের একটি অংশেই ( কক্সবাজার জেলায়) মিয়ানমার হতে বিতাড়িত বাস্তচ্যুত প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে মানবতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যার নজির বিশ্বের বিভিন দেশে সমাদৃত। ২০১৭ সালের ডিসেম্বর মাসের হিসেব অনুযায়ী, ২৫ আগস্ট ২০১৭ সালে মায়ানমারের সামরিক বাহিনীর দ্বারা নির্যাতনের শিকার হয়ে মিয়ানমার হতে পালিয়ে এসে প্রায় ৭ লক্ষ রোহিঙ্গা শরণার্থী বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। বিগত তিন দশক ধরে মায়ানমার সরকারের সহিংস নির্যাতন থেকে ৩ লাখের অধিক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে এসে অবস্থান করছে। বর্তমানে সব মিলিয়ে অন্তত ১২ লাখ রোহিঙ্গা কক্সবাজার জেলার উখিয়া টেকনাফে আশ্রয় শিবির গুলোতে অবস্থান নিয়েছে বলে পরিসংখ্যানে বলা হলেও আইএনজিও দের আষ্কারায় আর অতিরিক্ত সুযোগ সুবিধা দেয়াসহ ক্যাম্পে কর্মরত স্বাস্থখাত গুলোতে পরিবার পরিকল্পনা বাধ্যতামূলক না করায় বর্তমানে ক্যাম্পে রোহিঙ্গা জনগোষ্টীর সংখ্যা প্রায় ২০ লক্ষ ছাড়িয়ে গেছে।

এদিকে রোহিঙ্গা শিবিরে আশ্রিত কিছু রোহিঙ্গাকে সরকার কতৃক ভাসানচরে স্থানান্তর করা হলেও অধিকাংশ রোহিঙ্গা কাজের সন্ধানের কথা বলে ক্যাম্প থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসছেনা, ছড়িয়ে ছিঠিয়ে যাচ্ছে সারাদেশে। কর্মস্থল তৈরী করে নিচ্ছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। বিশেষ করে কক্সবাজার জেলার মহেশখালী, কুতুবদিয়া, চকরিয়া, লামা, বান্দরবান, চট্রগ্রামের রাঙ্গুনিয়া, হাটহাজারী, রাউজান সহ উত্তর বঙ্গের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে এসব রোহিঙ্গারা।  অনেকে আবার দেশীয় কিছু দালাল মারফত বাংলাদেশী পাসপোর্ট তৈরী করে মধ্যপ্রাচ্য সহ বিভিন্ন দেশে পাড়ি জমাচ্ছে। সম্প্রতি এক গোপন তথ্যে জানা গেছে দেশীয় দালালদের মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ম্যানেজ করে নিজেদের বাংলাদেশী নাগরিক বানানোর জন্য তারা ডিজিটাল এন আই ডি কার্ড ও বানিয়ে নিয়েছে যার সঠিক পরিসংখ্যান কেউ বলতে না পারলেও ক্যাম্পে অবস্থানরত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কিছু রোহিঙ্গার মতে মোট রোহিঙ্গা জনগোষ্টীর প্রায় ১০/১৫ ভাগ রোহিঙ্গা ডিজিটাল এন আই ডি কার্ডের মালিক, এবং তারা নিজেদের বাংলাদেশী নাগরিক দাবী করে। এসব এন আই ডি কার্ডের তথ্য আবার নির্বাচন কমিশনের সার্ভারে যুক্ত রয়েছে। সম্প্রতি বাংলাদেশের নাগরিকত্ব পাওয়ার দাবিতে রোহিঙ্গা নারীদের আন্দোলনের একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয় যা একটি স্বাধীন দেশের জন্য মোটেও সুখকর নয়।

এদিকে দিন যতোই যাচ্ছে দেশের জন্য কাল হয়ে দাড়াচ্ছে এই সম্প্রদায়টি। সন্তাস, মাদক ব্যবসা, খুন, অপহরণ, নির্যাতন, চাঁদাবাজি সহ এমন কোন অপকর্ম নেই যা তারা করছেনা। রোহিঙ্গাদের মাদক ও বিভিন্ন সিন্ডিকেটের সাথে সহযোগী হিসেবে কাজ করছে দেশীয় কিছু এজেন্ট। মিয়ানমার সীমান্ত দিয়ে রোহিঙ্গারা নিয়ে আসে মরন নেশা ইয়াবাসহ ব্যয়বহুল মাদক আইস ক্রিষ্টাল মেথ, আর দেশীয় এজেন্টরা এসব মাদক রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে সংগ্রহ করে সারাদেশে পাচার করে আসছে, যাতে করে দেশের যুবসমাজ মাদকের করাল ঘ্রাসে থেকে মুক্তি পাচ্ছেনা । এদিকে রোহিঙ্গারা নিজেদের নির্যাতিত বাস্ত্যুচ্যুত বলে এদেশে আশ্রয় নিয়ে যেমন একদিকে সকল প্রকার  সুযোগ লুফে নিচ্ছে অন্যদিকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দাতা সংস্থা গুলোর কাছ থেকে নিচ্ছে খাদ্য বস্ত্র বাসস্থানসহ নানাবিধ সুযোগ সুবিধা যার সুবাদে মিয়ানমার থেকে তারা মাদক এনে তা সারাদেশে বিক্রি করে হচ্ছে স্বামর্থবান সম্পদশালী। গতো মাসে বেশ কজন রোহিঙ্গা ক্যাম্প অভ্যন্তরে মোটা অংকের টাকাসহ এপিবিএন এর হাতে গ্রেফতার হওয়ার খবর ও গণমাধ্যমে উঠে এসেছে। ক্যাম্পে ইয়াবা তৈরীর মেশিন ও জাল নোট  তৈরীর মেশিন স্থাপন করে চালিয়ে যাচ্ছে ইয়াবা ও জাল টাকার ব্যবসা। যে কারনে তারা দিন দিন প্রভাবশালী হয়ে এদেশের প্রতি বিদ্বেষী মনোভাব পোষন করা শুরু করেছে, বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দাবীসহ বিভিন্ন ইস্যুতে সোচ্ছার এখন এদেশে আশ্রিত  রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো এরা নিজেদের অসহাত্বের ভুলি আওড়ালেও ক্যাম্পে প্রত্যেক রোহিঙ্গা কোন না কোন সন্ত্রাসী সংগঠনের সাথে জড়িত।  যাদের কাজ হলো স্থানীয় ও রোহিঙ্গাদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করা, অপহরণ করা সহ, অপহরণ পরবর্তী মুক্তিপণ দাবী করে না পেলে তাদের হত্যা করে লাশ জঙ্গলে ফেলে দেয়া। সম্প্রতি রোহিঙ্গাদের নিয়ে কাজ করা একটি সংগঠনের নেতা মুহিবুল্লাহ কে রোহিঙ্গাদের একটি সন্ত্রাসী গ্রুপ প্রকাশ্যে তার অফিসে গুলি করে হত্যা করে যার প্রভাব পুরো আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে নাড়া দেয়। এ ধরনের অহরহ হত্যাকাণ্ড রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির গুলোতে ঘটছে যার অধিকাংশ কারন গ্রুপিং, আধিপত্য বিস্তার ও মাদক কেন্দ্রীক। বিশেষজ্ঞ মহল মনে করছেন রোহিঙ্গাদের এসব অপকর্মের কারনে মিয়ানমার তাদের দেশে ফেরত নিতে অপারগতা প্রকাশ করছে,বাধাগ্রস্থ হচ্ছে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া। ব্যপারটি নিয়ে স্বয়ং দেশের দেশের বড় বড় গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ও এখন চিন্তিত।

রোহিঙ্গাদের হাতে হাতে অত্যাধুনিক মারণাস্ত্র;

অত্যাধুনিক মারণাস্ত্রে ভরপুর এখন কক্সবাজারের রোহিঙ্গা অধ্যুষিত শিবির গুলো। মাদকের টাকায় রোহিঙ্গারা সংগ্রহ করছে দেশী বিদেশী ভারী মারণাস্ত্র।

এসব অস্ত্র ব্যবহার করে ক্যাম্পের অভ্যন্তরে শক্তিশালী অবস্থান গড়ে তুলছে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গ্রুপ গুলো। স্থানীয় বিজ্ঞ মহল মনে করছেন রোহিঙ্গাদের হাতে এসব ভারী অস্ত্র আসার পেছনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের হাত রয়েছে। রোহিঙ্গাদের নিয়ে বিশেষ কোন মিশনে নেমেছেন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ভুক্ত কিছু আইএনজিও যা এদেশের জন্য অশনি সংকেত বলা যায়।

আবার কেউ কেউ বলছেন বাংলাদেশের কক্সবাজার অঞ্চলটি রোহিঙ্গা শরণার্থীদের অধিভুক্ত করার জন্য মিয়ানমার ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের মাঝে অস্ত্র সরবরাহ করছে যাতে করে একদিকে যেমন রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে  ফেরত যেতে না হয়, অন্যদিকে তারা একটি নিজস্ব ভুখন্ড পাবে! এমন একটি ভয়ংকর তথ্য সম্প্রতি উঠে এসেছে এই প্রতিবেদনে।

বাংলাদেশ রাষ্ট্রের ভেতর আলাদা একটি রাষ্ট্র; 

বাংলাদেশের ভেতর রোহিঙ্গাদের নিয়ে আলাদা রাষ্ট্র গঠনের আকাশ-কুসুম পরিকল্পনা করছে ভয়ংকর রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী সংগঠনের নেতা নবী হোসেন। বিশ্বস্থ সুত্র বলছে, পরিকল্পনা অনুযায়ী, রোহিঙ্গাদের জনসমর্থন আদায়ের লক্ষ্যে প্রথমে সে বাংলাদেশে জন্ম নেওয়া রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব দাবি করে আন্দোলন শুরু করবে। পরে সেই আন্দোলন থেকে অত্র এলাকাকে টার্গেট করে রোহিঙ্গা জনগোষ্টীর জন্য একটি আলাদা রাষ্ট্র  প্রতিষ্ঠার ডাক দিবে । আর তাকে  এ কাজে সহযোগিতা করছে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। এমনি ভয়ংকর তথ্য এসেছে রোহিঙ্গাদের মধ্য থেকেই। যাচাইয়ে নেমে এর সত্যতাও পেয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তবে ক্যাম্পে কর্মরত কিছু স্থানীয় কর্মচারীদের মতে রোহিঙ্গাদের সর্বোচ্চ আষ্কারা দিচ্ছে ইউ এন এইচ সি আর সহ ক্যাম্পে কর্মরত বেশ কিছু আই এনজিও। তারা বলছেন শুধু নবী হোসেন নয়, ক্যাম্পে এসব আইএনজিও রা প্রতিদিনই হাজারো নবী হোসেন তৈরী করছে। ক্যাম্পে কাজ করার সুবাদে তাদের অভিজ্ঞতার কথা বর্ণনা করতে গিয়ে একজন প্রায় কেঁদে ফেলেন, তিনি বলেন, ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের ক্ষমতা এতোই বেশী যে আমরা যেনো তাদের অধীনেই চাকরী করছি। রোহিঙ্গাদের ব্যপারে কিছু বলতে গেলেই চাকরী শেষ। এ পর্যন্ত অসংখ্য স্থানীয় রোহিঙ্গাদের নির্যাতনের শিকার হয়ে চাকরী ছেড়ে দিয়েছে আবার ক্যাম্প অভ্যন্তরে বসবাসরত অনেক স্থানীয় বাসিন্দা রোহিঙ্গাদের অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে অন্যত্র এলাকা ছেড়ে অন্য এলাকায় চলে গেছে।  কক্সবাজার জেলার বালুখালী, পালংখালী সহ টেকনাফ পর্যন্ত যেসব রোহিঙ্গা শিবির রয়েছে সেখানকার স্থানীয়দের সাথে আলাপকালে যা জানা গেছে, তারা আক্ষেপ করে বলছেন আমরা এখন নিজ ভূমেই পরবাসী, কথায় কথায় রোহিঙ্গারা ক্ষমতা দেখায়, মারধর সহ বিভিন্ন হয়রানি করে। অধিকাংশ স্থানীয়রা বলছেন আমরা শুধু এলাকা ছাড়ার অপেক্ষায় আছি কিন্তু কোথায় যাবো!

অপরদিকে ক্যাম্পে শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে তোলা সন্ত্রাসী নবী হোসেন কক্সবাজার জেলাটি দখলে নিতে এখন মরিয়া। তার স্বপ্ন পূরণ করতে ক্যাম্প অভ্যন্তরে গড়ে তুলছে অস্ত্রধারী শক্তিশালী বাহিনী। প্রতিদিন নতুন সদস্য সংগ্রহ করে তাদের দেয়া হচ্ছে অস্ত্র চালনা সহ বিভিন্ন সামরিক প্রশিক্ষণ, মজুত করা হচ্ছে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র। পুলিশের ভাস্যমতে ২০১৯ সালে এই নবী হোসেনের বাহিনীর হাতে অস্ত্র ছিলো ৫ শতাধিক, বর্তমানে তা বেড়ে প্রায় দ্বীগুনের চেয়ে বেশি হয়েছে বলে জানা গেছে। সুত্র আরো জানায়,  নিজেদের আরো শক্তিশালী বাহিনী রূপে তৈরী করতে হাজার কোটি টাকা মূল্যের বিশাল অস্ত্রের চালান আনার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে । তবে অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য বলছে, মিয়ানমার সেনাবাহিনীই নবী হোসেনের হাতে অস্ত্রের ওই চালান তুলে দেয়ার পরিকল্পনা করছে। এই নবী হোসেনের মাধ্যমেই বাংলাদেশে মিয়ানমার তাদের নিজেদের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে ।

কে এই নবী হোসেন ;

কক্সবাজারের উখিয়া টেকনাফের রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের স্বঘোষিত রাজা এই নবী হোসেনে। চিনতাই, ডাকাতি, মাদক ব্যবসা, সন্ত্রাসী ও বিভিন অপরাধ কান্ড চালিয়ে ২০১৮ সালেই লাইমলাইটে আসেন নবী হোসেন। অল্প দিনেই বনে যান ২০ হাজার কোটি টাকার মালিক। তার রয়েছে ক্যাম্প লেভেলে বিশাল স্বসস্ত্র বেতনভুক্ত বাহিনী। এসব বাহিনীকে প্রশিক্ষিত করেই সে রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব দাবী সহ কক্সবাজার জেলার উখিয়া টেকনাফ অঞ্চলটিকে নিজস্ব রাষ্ট্র তৈরীর পরিকল্পনা করছে। নবী হোসেনের রয়েছে রোহিঙ্গা ভাষায় বেশ কটি অনলাইন পোর্টাল সহ ইউটিউব চ্যানেল। যেসব চ্যানেল ও পোর্টালের মাধ্যমে সে বাংলাদেশ বিরোধী বিভিন্ন সংবাদ ও ভিডিও প্রচার করে। তার এমন গোপন মিশন সম্পর্কে অবগত হওয়ার পর পরই তাকে ধরতে আটঘাট বেঁধে নেমেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থা গুলো। তাকে ধরিয়ে দিতে সম্প্রতি পুরস্কারও ঘোষণা করা হয়েছে। এদিকে সন্ত্রাসী নবী হোসেনের মিয়ানমার হতে অবৈধভাবে অস্ত্র আমদানী সহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করায় গতো ১১ মে ২০২২ তারিখে এক টেলিফোন বার্তায় জাতীয় দৈনিক যুগান্তর পত্রিকা অফিসে বোমা মেরে উড়িয়ে দেয়ার হুমকি দেন সন্ত্রাসী নবী হোসেনের বাহিনী। 

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে কক্সবাজার ৩৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী হোসাইন কবির সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, নবী হোসেন দেশের সার্বভৌমত্বের জন্য বিরাট হুমকি। তাকে ধরতে ৩৪ বিজিবির পক্ষ থেকে ১০ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আরেক ত্রাস মাস্টার মুন্না। সে নবী হোসেন বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড। দেশে প্রায় বেশির ভাগ মাদক তাদের হাত ধরে ঢুকছে। মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সঙ্গেও নবী হোসেনের রয়েছে ব্যাপক সখ্যতা।

তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একটি গোয়েন্দা সংস্থা বলছে, পার্শ্ববর্তী একটি দেশের অস্ত্রের কালোবাজার থেকে প্রায় কয়েক হাজার কোটি টাকার অত্যাধুনিক ও ভারী অস্ত্র কেনার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ত্রাস নবী হোসেন। মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় থাইল্যান্ড থেকে মিয়ানমার হয়ে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এ অস্ত্রের চালান আনার কথা রয়েছে। বিষয়টি জানতে পেরে অস্ত্র চালানের প্রবেশ ঠেকাতে প্রশাসন  সীমান্ত এলাকায় তাদের তৎপরতা আরো বাড়িয়েছে।

র‌্যাব-১৫ কক্সবাজারের অধিনায়ক লে. কর্নেল খায়রুল ইসলাম সরকার বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আইনশৃঙ্খলা দেখভাল করার জন্য সেখানে একটা আলাদা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী রয়েছে। তাই শতভাগ নিশ্চিত হয়ে আমরা শুধু রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বড় অভিযানগুলো পরিচালনা করে থাকি।

তিনি বলেন, নবী হোসেন ও মাস্টার মুন্না যেহেতু বড় মাপের সন্ত্রাসী তাই তাদের ধরার জন্য আমাদের গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি করা হয়েছে।

আইকন নিউজ/আর /১৪০৫২২


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর....