• সোমবার, ০৮ অগাস্ট ২০২২, ১০:০৮ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
কক্সবাজার জেলা বিএমএসএফ এর জরুরী সভা অনুষ্ঠিত উখিয়া স্পেশালাইজড হসপিটাল এ জনপদের চাহিদা, আশা-আকাঙ্ক্ষা পুরণে সক্ষম? নাকি শুধুই গতানুগতিক! ফেসবুকে পরিচয় ও প্রেম-অতপরঃ এক কলেজ শিক্ষিকাকে কলেজ ছাত্রের বিয়ে! উখিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল হুদা নির্বাচিত। উখিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের কাউন্সিল ও সম্মেলন কালঃ সভাপতি ও সাঃসম্পাদক পদে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস। আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই , মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ডঃ শিরীন আখতার। আসন্ন উখিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের ত্রি বার্ষিক নির্বাচনে, সভাপতি পদে জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী স্পষ্টতঃ এগিয়ে। উখিয়ায় পয়ঃনিষ্কাশন ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার অপ্রতুলতা এবং ময়লা ফেলার নির্দিষ্ট ভাগাড়ের অভাব। দেশে প্রতিবছর পানিতে ডুবে ১৪ হাজারের বেশি শিশুর মৃত্যু হয়। যানযট নিরসন ও বনভুমি রক্ষার্থে কঠোর সিদ্ধান্তে যাচ্ছেন উখিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার।

পদ্মাসেতুর কতক তথ্যঃ কেওক্রাডং থেকে উঁচু, ৫৭টি বুর্জ খলিফার সমান!

AnonymousFox_bwo / ৫২ মিনিট
আপডেট বৃহস্পতিবার, ২৩ জুন, ২০২২

আইকন নিউজ ডেস্কঃ

মাটির গভীর থেকে শুরু। এরপর নানা উপকরণের মাধ্যমে ধীরে ধীরে গড়ে উঠেছে পদ্মা সেতুর পূর্ণাঙ্গ অবয়ব। এখন এই সেতু যান চলাচলের অপেক্ষায়। কোন উপকরণ কী পরিমাণে লেগেছে—নিশ্চয় এ বিষয়ে মানুষের আগ্রহ আছে। তবে উপকরণের সঙ্গে বিশ্বের অনন্য স্থাপনা কিংবা প্রকৃতির আশ্চর্যের সঙ্গে মিলিয়ে নিলে কেমন দেখায়?

পদ্মা সেতুর নদীশাসনে প্রায় ২ কোটি ১৭ লাখ জিও ব্যাগ ব্যবহার হয়েছে। এর কোনো কোনোটির ওজন ৮০০ কেজি। কিছু আবার ১২৫ কেজির। এসব জিও ব্যাগে বালু ভরে নদীর তলদেশে ফেলা হয়েছে। নদীতে পাথর ফেলা হয়েছে প্রায় সোয়া ১০ লাখ ঘনমিটার। এই পরিমাণ পাথরকে ১৩ হাজার বর্গফুট জুড়ে স্তূপ করে রাখলে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বত কেওক্রাডংয়ের থেকেও উঁচু দেখাবে।

৫৭টি বুর্জ খলিফার সমান

পদ্মায় মূল সেতু, নদীশাসন ও সংযোগ সড়কের নির্মাণকাজে মোট বালু ব্যবহার করা হয়েছে প্রায় ৬৫ লাখ ঘনমিটার, যা দিয়ে ১৯ কোটি ১২ লাখ ৮৭ হাজার বর্গফুট আয়তনের ভবন তৈরি করা যাবে। এই আয়তন প্রায় ৫৭টি বুর্জ খলিফার সমান। বিশ্বের অন্যতম উঁচু ভবন দুবাইয়ের বুর্জ খলিফার সব তলা মিলিয়ে আয়তন ৩৩ লাখ ৩১ হাজার বর্গফুট। পদ্মা সেতুতে ব্যবহৃত বালুর সবই দেশীয়।

টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া

মূল সেতু ও সংযোগ সড়ক নির্মাণে রডের ব্যবহার হয়েছে ১ লাখ ৮ হাজার টন। এসব রডের সবই দেশীয়। এক টন করে এই রড যদি লম্বালম্বি রাখা হয়, তাহলে পদ্মা সেতুতে ব্যবহৃত রডের মোট দৈর্ঘ্য দাঁড়াবে ১ হাজার ২৯৬ কিলোমিটার। দেশের সর্ব উত্তরের স্থান তেঁতুলিয়া থেকে দক্ষিণের আরেক প্রান্ত টেকনাফের দূরত্ব ৯৩১ কিলোমিটার। অর্থাৎ পদ্মা সেতুতে ব্যবহৃত রডের দৈর্ঘ্য টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়ার দূরত্বের চেয়েও বেশি।

কত ট্রাক?

মূল সেতু, নদীশাসন ও সংযোগ সড়ক নির্মাণে সিমেন্ট ব্যবহার করা হয়েছে প্রায় সাত লাখ টন। এর সবই দেশে উৎপাদিত। এই সিমেন্ট প্রয়োজনমতো নানা সময় পদ্মার পাড়ে এসেছে। ব্যবহার করা হয়েছে দীর্ঘ সময় নিয়ে। কিন্তু একবার ভাবুন তো, সব সিমেন্ট যদি একসঙ্গে পরিবহন করতে হতো তাহলে কত ট্রাকের প্রয়োজন? সংখ্যাটা আসলেই অনেক বড়! সব সিমেন্ট একসঙ্গে ৫ টন ক্ষমতার ট্রাক দিয়ে পরিবহন করা হলে প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার ট্রাকের প্রয়োজন হতো।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর....