• সোমবার, ০৮ অগাস্ট ২০২২, ০৯:৩৪ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
কক্সবাজার জেলা বিএমএসএফ এর জরুরী সভা অনুষ্ঠিত উখিয়া স্পেশালাইজড হসপিটাল এ জনপদের চাহিদা, আশা-আকাঙ্ক্ষা পুরণে সক্ষম? নাকি শুধুই গতানুগতিক! ফেসবুকে পরিচয় ও প্রেম-অতপরঃ এক কলেজ শিক্ষিকাকে কলেজ ছাত্রের বিয়ে! উখিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল হুদা নির্বাচিত। উখিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের কাউন্সিল ও সম্মেলন কালঃ সভাপতি ও সাঃসম্পাদক পদে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস। আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই , মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ডঃ শিরীন আখতার। আসন্ন উখিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের ত্রি বার্ষিক নির্বাচনে, সভাপতি পদে জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী স্পষ্টতঃ এগিয়ে। উখিয়ায় পয়ঃনিষ্কাশন ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার অপ্রতুলতা এবং ময়লা ফেলার নির্দিষ্ট ভাগাড়ের অভাব। দেশে প্রতিবছর পানিতে ডুবে ১৪ হাজারের বেশি শিশুর মৃত্যু হয়। যানযট নিরসন ও বনভুমি রক্ষার্থে কঠোর সিদ্ধান্তে যাচ্ছেন উখিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার।

উখিয়া খাদ্য গুদাম গত বুরো মৌসুমে ১ কেজি ধান সংগ্রহ করতে পারেনি

AnonymousFox_bwo / ৪৬ মিনিট
আপডেট মঙ্গলবার, ৫ জুলাই, ২০২২

সরকারি টার্গেট ছিল ৭৮৭ মেট্রিক টন! এ লজ্জা কার?

আইকন নিউজ ডেস্কঃ 

উখিয়ায় বোরো মৌসুমে এক কেজি ধানও সংগ্রহ করতে পারেনি খাদ্য গুদাম। কৃষক অ্যাপের মাধ্যমে ধান সংগ্রহের জন্য প্রচার প্রচারণা করলেও শুরুতেই হোঁচট খেলো খাদ্য অধিদপ্তর।
এদিকে চাষীরা উৎপাদিত ধানের ন্যায্য মূল্য মাঠে পাওয়ায় গুদাম মুখি হয়নি বলে জানিয়েছেন উখিয়া খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শিমুল দে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, চলতি বোরো মৌসুমে খাদ্য মন্ত্রণালয় ধান-চাল সংগ্রহ কর্মসূচী ঘোষণা করে। এ কর্মসূচির আওতায় উখিয়ায় এবারে ৭৮৭ মেট্রিকটন ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়। সরকারি ভাবে প্রতি কেজি মূল্য নির্ধারিত করা হয়
২৭ টাকা। গত এপ্রিল মাসে শুরু হয়ে ৩১ আগষ্ট মাস পর্যন্ত চলবে।
খোঁজ খবর নিয়ে জানা গেছে , এপ্রিল, মে, জুন ও চলতি জুলাই মাসে এক কেজি ধানও সংগ্রহ করতে পারেনি খাদ্য গুদাম।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, খাদ্য মন্ত্রণালয় ডিজিটাল পদ্ধতিতে ধান চাল সংগ্রহ করার জন্য কৃষক অ্যাপ চালু করেছে। ৬৪ জেলায় ২৫৬ টি উপজেলায় কৃষক অ্যাপ চালু করলেও কৃষকরা এসব কিছু বুঝে না।
রত্না পালং ইউনিয়নের কৃষক মোহাম্মদ আলী, আবদুল করিম ও রহমত উল্লাহ জানান, সরকারি ভাবে এবারের যে মূল্য নির্ধারণ করেছে তার চেয়ে বেশী মূল্য দিয়ে মাঠে বিক্রি করা যায়। তাই খাদ্য গুদামে গিয়ে কম মূল্য কেন ধান বিক্রি করব।
উখিয়া খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শিমুল দে জানান, চলতি বুরো মৌসুমে ধান সংগ্রহ লক্ষমাত্রা অর্জন করতে পারেনি। তিনি বলেন সরকার মূলত কৃষকরা যাতে নায্য মূল্য পায় তার জন্য ধান সংগ্রহের কর্মসূচি চালু করে। যেহেতু মাঠে উচ্চ দামে কৃষকরা উৎপাদিত ফসল বিক্রি করতে পারছে তাই তারা আর গুদাম মূখি হয়নি।
কৃষকরা জানান, সরকার প্রতি কেজি ধান ২৭ টাকা নির্ধারণ করলেও মাঠে প্রতিকেজি ৩০ টাকার অধিক বিক্রি হচ্ছে । তাছাড়া খাদ্যগুদামে গিয়ে ধান বিক্রি করা ও মূল্য বা দাম পাওয়া অনেক ঝামেলা পোহাতে হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চলতি বুরো মৌসুমে ৫৫০ মেট্রিক টন চাল সংগ্রহের কথা থাকলেও এ পর্যন্ত মিলার গণ এক মুঠো চাল দেয়নি। ১০ টি মিলার চাল দেয়ার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছে ।
কিন্তু কেন এখনো চাল দেয়নি তা রহস্যজনক। সিন্ডিকেট করে নিম্নমানের চাল দেওয়ার জন্য তোড়জোড় শুরু করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে ।

লেখকঃ সাংবাদিক ফারুক আহমেদ, উখিয়া।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর....