• বুধবার, ১৭ অগাস্ট ২০২২, ০৭:৩৭ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
বিএমএসএফ কক্সবাজার জেলা শাখার উদ্দ্যোগে ১৫-ই আগষ্ট উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন। নারী চিকিৎসককে গলা কেটে হত্যা, কথিত প্রেমিক কক্সবাজারের রেজা চট্টগ্রামে আটক ভোটার প্রক্রিয়ায় রোহিঙ্গা অধ্যুষিত সীমান্ত এলাকার জন্য ইসি সচিবালয় কর্তৃক ঘোষিত নির্দেশিকা। কক্সবাজার জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইন চার্জ মনোনীত হয়েছেন’ উখিয়া থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী নাদিম আবাসিক হোটেলে মিলল এক নারী চিকিৎসকের গলাকাটা লাশ, কথিত স্বামী পলাতক। বনের জন্য কক্সবাজার হবে মডেল জেলা-প্রধান বনসংরক্ষক কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সন্ত্রাসীদের গুলিতে হেড মাঝিসহ ০২জন নিহত। আর্থিক খাতে লুটপাটের দায় জনগণ শোধ করবে কেন? মাদক ও ইয়াবার বিরুদ্ধে চলমান অভিযান অব্যাহত রেখে তরুণ সমাজকে রক্ষা করুণ । কক্সবাজার জেলা বিএমএসএফ এর জরুরী সভা অনুষ্ঠিত

মহাবিশ্বের সেই দুর্লভ ছবি তোলায় কাজ করেছেন বাংলাদেশি লামীয়া

AnonymousFox_bwo / ৬৭ মিনিট
আপডেট বুধবার, ১৩ জুলাই, ২০২২

আইকন নিউজ ডেস্কঃ 

দীর্ঘ অপেক্ষা শেষে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা’র পাঠানো জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপের তোলা ছবিটি এবার দেখার সুযোগ পেলো বিশ্ববাসী। যা এখন পর্যন্ত সবচেয়ে শক্তিশালী ও বৃহত্তর টেলিস্কোপ। পৃথিবীর জন্মেরও আগের গহীন মহাশূন্যে হাজার হাজার ছায়াপথের ছবি তুলেছে শক্তিশালী ও বৃহত্তর ওই টেলিস্কোপ। এ ছবি তোলায় সংশ্লিষ্ট ছিলেন লামীয়া নামে এক বাংলাদেশি গবেষক।

নাসা জানিয়েছে, এ যাবত বহির্বিশ্বের যত ছবি তোলা হয়েছে, তার মধ্যেই এটিই সবচেয়ে গভীর, তীক্ষ্ণ ও পরিচ্ছন্ন ইনফ্রারেড ছবি। মঙ্গলবার (১২ জুলাই) মহাশূন্যের ‘এসএমএসিএস-৭২৩’ নামের ছায়াপথগুচ্ছের এ ছবি প্রকাশ হয়েছে। এর একদিন আগে হোয়াইট হাউসের এক অনুষ্ঠানে এ ছবি উন্মুক্ত করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

প্রায় ২৫ বছর ধরে চেষ্টার পর যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও ইউরোপের অর্থায়নে কয়েক হাজার বিজ্ঞানী ও প্রকৌশলী ওই টেলিস্কোপটি গত বছর মহাকাশে স্থাপন করা হয়। ওই ছবি তোলা ও বিশ্লেষণে কাজ করেছে কানাডীয় মহাকাশ সংস্থার টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি দল। সেই দলে আছেন লামীয়া আশরাফ মওলা নামে একজন বাংলাদেশি।
লামীয়া বেড়ে উঠেছেন ঢাকার শান্তিনগরে। উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুলের সাবেক শিক্ষার্থী পিএইচডি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ে। বর্তমানে তিনি টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের ডানলপ ইনস্টিটিউট অব অ্যাস্ট্রোনমি অ্যান্ড অ্যাস্ট্রোফিজিকসে পোস্ট-ডক্টরাল ফেলো হিসেবে কাজ করছেন।

নাসা থেকে ছবি প্রকাশের পর উচ্ছ্বসিত লামীয়া গণমাধ্যমকে বলেন, পিএইচডি গবেষণার সময় হাবল টেলিস্কোপ নিয়ে কাজ করেছি। তখন থেকেই ইচ্ছা ছিল জেমস ওয়েবে কাজ করার। সেই সুযোগও পেয়েছি।

জেমস ওয়েবের ক্যামেরা বর্ণালির ইনফ্রারেড অংশে কাজ করে। যা সাদা চোখে দেখা যায় না। কিন্তু নাসার নতুন ছবির রঙ দৃশ্যমান। এ বিষয়ে তিনি বলেন, আমাদের চোখে দৃশ্যমান করতে নভোদুরবিনের ছবি সবচেয়ে বড় তরঙ্গদৈর্ঘ্যকে লাল, মাঝেরটিকে সবুজ ও সবচেয়ে ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলোকে নীল হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। আর তাতেই ছবিটি আমাদের জন্য দৃশ্যমান হয়েছে। ডিজিটাল মাধ্যমে করা হয়েছে এ কাজ।

তিনি বলেন, ছবিতে উজ্জ্বল সাদা আলো হলো আমাদের ছায়াপথের তারা। আর দূরবর্তী গ্যালাক্সিগুলোকে এখানে যাচ্ছে লাল বা লালচে হিসেবে। সবচেয়ে কাছে যে গ্যালাক্সি, চারশ ষাট কোটি আলোকবর্ষ দূরের। আর দূরেরগুলো প্রায় ১ হাজার ৩০০ কোটি আলোকবর্ষের দূরের।

জেমস ওয়েবের জন্য দীর্ঘ ২৫ বছরের অপেক্ষা সফল হয়েছে। এতদিন বিশ্বকে যেভাবে দেখা হতো, তা চিরতরে বদলে গেছে। মহাজাগতিক ইতিহাসের প্রতিটি পর্যায়ে নজর দেবে জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ। এ ছবিতে কিছু দূরবর্তী ছায়াপথ ও তারকাও উঠে এসেছে, যা আগে কখনো দেখা যায়নি। সময় টিভি


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর....