• রবিবার, ০২ অক্টোবর ২০২২, ০৬:১৮ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
এ বছরে নোবেল প্রাইজের জন্য মনোনীত বাংলাদেশী চিকিৎসক রায়ান সাদী কক্সবাজারে ৪২ কোটি টাকায় বনায়ন, নতুন রূপে সাজবে হিমছড়িসহ কক্সবাজার জেলা। পুলিশের প্রশিক্ষণ খাতে এনজিওগুলো শত শত কোটি টাকা অনুদান পেয়েছে : বেনজীর আহমেদ  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গত রাতেও ০১ জন খুন, অস্থিতিশীল অবস্থায় স্থানীয়রাও চরম আতংকে। র‍্যাব-৭ কর্তৃক ২ লক্ষ ৩৮ হাজার ইয়াবাসহ ০৩ জন আটক। র‍্যাব-৭ কর্তৃক ২ লক্ষ ৩৮ হাজার ইয়াবাসহ ০৩ জন আটক। উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক মুল্য ৬ কোটি। উখিয়া রেঞ্জকর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে উদ্ধারকরা ৩ শতাধিক বক অবমুক্ত করা হয় উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এক রোহিঙ্গা ভলান্টেয়ারকে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে নির্মমভাবে খুন। ঘুংধুম সীমান্তে চরম উত্তেজনায় এসএসসি ও সমমানের পরিক্ষার কেন্দ্র পরিবর্তন শাড়ি পরে কলেজে গেল ছেলে, ছবি পোস্ট করলেন ‘গর্বিত’ বাবা!

মাদক ও ইয়াবার বিরুদ্ধে চলমান অভিযান অব্যাহত রেখে তরুণ সমাজকে রক্ষা করুণ ।

AnonymousFox_bwo / ৭১ মিনিট
আপডেট সোমবার, ৮ আগস্ট, ২০২২

এম আর আয়াজ রবি।

টেকনাফ থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার দাশ ইস্যুতে পুরো পুলিশ প্রশাসন ও আইনশৃংখলা বাহিনী নিয়ে আলোচনা সমালোচনার অন্ত নেই। অত্যন্ত প্রতাপশালী মাদক ও মাদককারবারীর যম নামে খ্যাত ছিল ওসি প্রদীপ। যে প্রদীপের আলোতে উদ্ভাসিত ছিল মাদক চোরাকারবারীর স্বর্গরাজ্যখ্যাত টেকনাফ তথা সীমান্তবর্তী উখিয়া টেকনাফসহ কক্সবাজার জেলা, সে প্রদীপকে আজ একজন সাবেক মেজর হত্যার হুকুমদাতা হিসেবে অপরাধে তার জাতভাই পুলিশের কাস্টডিতে থাকতে হবে, বিচারের মুখোমুখি হতে হবে-কস্মিনকালেও তার চিন্তায় আদৌ ছিল কিনা তা এক জটিল প্রশ্ন। কিন্তু এটাই পৃথিবীর বাস্তবতা।

চোরাকারবারীদের স্বাক্ষাত যমখ্যাত ওসি প্রদীপ মাদকের বিরুদ্ধে তড়িৎ অভিযান পরিচালনা করে মাদক ও ইয়াবা নির্মূলে যেমন আলোচিত ছিলেন, তেমনি সমালোচিত ছিলেন কথিত কিছু অন্যায়, অনিয়ম ও কিছু মাদক কারবারীর সাথে আতাঁত করে অবৈধ আয়-উপার্জন করার বিস্তর অভিযোগ এবং সাথে বেশ কিছু আইন বহির্ভূত হত্যাকান্ডের সাথে নিজকে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে অতিলোভে পাপীষ্ট হবার তকমায়। বিভিন্ন পত্রিকার খবরে প্রকাশ, সাবেক ওসি প্রদীপ ও তার বাহিনী কর্তৃক প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে, প্রায় ১৬১ জন ব্যক্তিকে আইন বহির্ভূত হত্যা করেছে। উখিয়া সদর ৪নং রাজা পালং ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের বারবার নির্বাচিত এলাকার খুবই জনপ্রিয় মেম্বার মৌলভী বখতেয়ার আহমদকে ( যার নামে কোন থানায় কোনরকম এজাহার বা নালিশ নেই বলে কথিত) বাসা থেকে তুলে নিয়ে তথাকথিত বন্দুক যুদ্ধের নামে, আইন বহির্ভূতভাবে হত্যা করেই ক্রান্ত হননি, রাতের অন্ধকারে মেম্বারের বাড়ি থেকে নগদ লক্ষ লক্ষ টাকা(কথিত প্রায় ৫১ লক্ষ টাকা) , অনেক (কথিত প্রায় ১০০ ভরি) স্বর্ণপাতি, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দলিল দস্তাবেজ, মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে যাবার খবর পাওয়া যায়।

তাছাড়া কক্সবাজার টেকনাফের মেরিন ড্রাইভ রোডে টেকনাফের শামলাপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইন চার্জ লিয়াকত আলী কর্তৃক মেজর (অবঃ) সিনহা আরশাদ খান হত্যার ঘটনায় জড়িত হিসেবে লিয়াকত আলী, সন্দেহভাজন হুকুমদাতা হিসেবে সাবেক ওসি প্রদীপসহ নয় জনের বিরুদ্ধে নিহত সাবেক (অবঃ) মেজরের বড়বোন কর্তৃক মামলা দায়ের করা হয়। উক্ত দায়েরকৃত মামলায় সকল আসামী এখন পুলিশ কাস্টডিতে। এ-র পূর্বে সাবেক মেজর সিনহা হত্যাকান্ডের ঘটনার বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান ও বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী প্রধান জরুরীভিত্তিতে উক্ত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে যৌথ বিবৃতি প্রদান করে ঐ ঘটনার সুষ্ট ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দেশের প্রচলিত আইনে উক্ত ঘটনার সাথে জড়িত সকল অপরাধীর সর্বোচ্চ বিচার নিশ্চিত করার মাধ্যমে আইনের শাসন প্রতিষ্টার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। মেজর (অবঃ) সিনহা হত্যাকান্ডের ২নং আসামী টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপকে চট্রগ্রাম থেকে গ্রেফতার করে কক্সবাজার নিয়ে আসা হয়েছে। মেজর (অবঃ) সিনহা হত্যার সাথে জড়িত সকল আসামীকে গ্রেফতার করে বিচারের সম্মুখীন করা হয়েছে।

পুলিশ ও আইনশৃংখলা বাহিনী জনগনের প্রকৃত বন্ধু। গত করোনা লকডাউন কালীন সময়ে আমরা মানবিক পুলিশ ও আইন শৃংখলা বাহিনীকে দেখেছি। মানুষের জন্য তাঁরা নিজের জীবনকে তুচ্ছ করে সাধারন মানুষের সেবায় আত্মনিয়োগের গল্পগুলো আমাদের সবার চোখে স্পষ্ট ও সম্ভাবনার আলোকচ্ছ্বটা এখনো আমাদের চোখে জ্বাজল্যমান। জনগনের সেবাই পুলিশের ধর্ম।বাংলাদেশের পুলিশ পেশাদার, সৎ, মেধাবী, সাহসী ও অত্যন্ত কর্তব্যনিষ্ট বলে খ্যাতি আছে। কিন্তু এ-ই পুলিশ বাহিনীর কিছু কিছু সদস্য, কর্মকর্তা মাঝেমধ্যে এমন কিছু অদ্ভূদ, অপেশাদার, নিষ্ঠুর, অকৃতজ্ঞ ও অমানবিক আচরন করেন, যাতে করে বিগত দিনে তাদের অর্জিত সব গৌরব, ঐতিহ্য, মানবতাবোধ ও যাবতীয় অবদানকে ক্ষণিকে ধুলায় মিশিয়ে দেয়! আজকে মেজর(অবঃ) সিনহার ঘটনাটি যদি সাবেক মেজর নাহয়ে আমার মত সাধারন আমজনতা হতো, নিশ্চয়ই বিচারের বাণী নীরবে নিভৃতে ক্রন্দনরত থাকত চিরদিন। তারা (পুলিশ সদস্যরা) শুধু বিভিন্ন অপবাদে আমাকে অপদস্থ করে ক্ষান্ত থাকতনা, অনেক ধরনের মিথ্যা কল্পকাহিনী সৃষ্টি করে, বিভিন্ন তকমা ( মাদক কারবারী, নারী লিপ্সু বা নারিবাজি, দেশদ্রোহী, আইন শৃংখলা বাহিনীর সাথে যুদ্ধ লিপ্তসহ আর কত কি!) লাগিয়ে, তাদের উক্ত হত্যাকান্ডকে জায়েজ করে নিত চোখের পলকে ! এমন কি উক্ত হত্যাকান্ডের জন্য সাধুবাদ ও পেত হয়ত!কিন্তু বিধিবাম! কথায় আছে না-যেখানে বাঘের ভয়, সেখানে রাত হয়! অথবা ‘পড়েছি মোঘলের হাতে খেতে হবে সাথে!’ ওসি সাহেব ও তার বাহিনী পড়ে গেছেন এমন এক বাহিনীর হাতে, যেখানে তাদের কৃত অপকর্মের দায় এড়াবার শত চেষ্টা, তদবির ও অপতৎপরতা চালিয়েও শেষ রক্ষা হয়ে উঠেনি। তাদের দেশের সকল অপতৎপরতা, বাঁচার সব প্রচেষ্টা বিফলে যেতে বাধ্য হয়েছে, বৈকি!

বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে মায়ানমার সীমান্তবর্তী দু’টো উপজেলা উখিয়া টেকনাফ। সীমান্তবর্তী হওয়ায় মাদক স্বর্ণখ্যাত ইয়াবা কারবারের সাথে জড়িত হয়ে পড়েছে সীমান্ত এলাকাসহ কক্সবাজার, বান্দরবনের অতিলোভী, দেশদ্রোহী কিছু মনুষ্য নামধারী অমানুষ! এ সকল জাতির শত্রুরা, আগামীর দেশ ও জাতির কর্ণধার যুবসমাজের চরিত্র হনন ও ধ্বংসের মাধ্যমে স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রার গতিরোধ করার রীতিমত চ্যালেঞ্জ ঘোষনা করতে বসেছে!অনেকেই মনে করেন, উক্ত চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, জননেত্রী শেখ হাসিনার ঘোষিত ‘মাদক ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স’ নীতির বিরুদ্ধে ! মাদক কারবারের সাথে জড়িত হচ্ছে কিছু অলস,অতিলোভী, অখ্যাত, কুখ্যাত রাজনৈতিক নামধারী ব্যক্তি, কথিত সমাজ সেবক, আইনশৃংখলা বাহিনীর অতি উৎসাহী সদস্যসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ধামাধরা কর্মী, পাতি নেতা,ছদ্মবেশী নেতা, কর্মী, ব্যবসায়ী, পেশাজীবি ও রাতারাতি কোটিপতি হওয়ার বাসনায় বিভোর অপাংত্তেয় কিছু মানুষ নামের কলংক। আর ও আছেন কিছু মুখোশপরা জনপ্রতিনিধি (যারা ধরি মাছ না ছুঁই পানি অবস্থা), কিছু বিভিন্ন বৈধ বা অবৈধ ব্যবসার আড়ালে নগদ টাকার ইমারত তৈরীর স্বপ্নে বিভোর মনুষ্যপ্রজাতি!

পুলিশ জনগণের প্রকৃত বন্ধু হোক এটা সমগ্র জাতির আশা ও প্রত্যাশা। আমরা ‘নন জুডিশিয়াল কিলিং’ বা বিচারবহির্ভূত হত্যাকান্ড যেমন সমর্থন করিনা, তেমনি সীমান্ত উন্মুক্ত ও অরক্ষিত রেখে অবাধে মাদক প্রবেশের দ্বার উন্মুক্ত করে, মাদক প্রতিরোধের নামে সাধারন মানুষকে হয়রানী করে বিভিন্ন ভয় ভীতি দেখানো, চাঁদাবাজি, ক্রসফায়ার নাটক, গ্রেফতার ও সাধারন মানুষকে জিম্মী করে অর্থ আদায় করে পুলিশ প্রশাসন ও অন্যান্য আইনশৃংখলা বাহিনী কর্তৃক অবৈধ অর্থ আদায়ের রমরমা ব্যবসা করে কোটিকোটি টাকা হাতিয়ে নেবার অপকৌশলের বিরুদ্ধেও তীব্র প্রতিবাদ,নিন্দা ও ধীক্ষার জানাই। প্রত্যেক মানুষের বেঁচে থাকার মৌলিক অধিকার যেমন আছে, তেমনি সুষ্ঠ ও যথাযথ বিচার পাবার এবং আইনের মুখোমুখী হয়ে আত্মপক্ষ সমর্থন লাভের অধিকারও বাংলাদেশের সংবিধান কর্তৃক স্বীকৃত। আইন বহির্ভূত হত্যার অর্থই হচ্ছে দেশের প্রচলিত আইনকে না মানা এবং রাষ্ট্রের মৌলিক সংবিধানকে বৃদ্ধাংগুলি প্রদর্শন করা। একটি স্বাধীন সার্বভৌম গনতান্ত্রিক রাষ্ট্রের চরিত্র কখনই এমন হওয়া বাঞ্চনীয় নয়। গনতান্ত্রিক রাষ্ট্রের মুল অনুষংগের অন্যতম হচ্ছে আইনের শাসন, ন্যায় বিচার, অপরাধীর দেশের প্রচলিত আইনে মাধ্যমে বিচার নিশ্চিত করা ও অপরাধীর আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ প্রাপ্ত হওয়া। কিন্তু ‘নন জুডিশিয়াল কিলিং’ এ-র মাধ্যমে মানুষের মৌলিক অধিকার হরণের অধিকার সংবিধান কর্তৃক স্বীকৃত মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী। তাই আমরা আইন বহির্ভূত সকল হত্যাকান্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। দ্রুততম সময়ের মধ্যে এসকল মানবতা ও সংবিধান বিরোধী হত্যাকান্ড বন্ধ করার জোর দাবি জানাচ্ছি এবং সকল আইন বহির্ভূত হত্যাকান্ডের সুষ্ট তদন্ত করে জড়িত সকল অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে এসে আইনের সুষ্ঠ প্রয়োগের মাধ্যমে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার আহবান জানাচ্ছি।

অনেক ইয়াবা ও মাদক কারবারী ওসি প্রদীপের বন্দী হওয়ায় আনন্দ প্রকাশ, মিষ্টি বিতরনসহ অনেক আমোদ প্রমোদ ও খুব স্বাচ্ছন্দে জীবন পার করতে দেখা যাচ্ছে। অনেকেই ধরে নিয়েছেন, ওসি প্রদীপ নেই, তাই তারা রক্ষা পেয়েছে! তাই তারা অবাধে মাদক কারবারে নিজকে আবারও নিয়োজিত করে নিজকে বহাল তবিয়তে রাখতে পারবেন! হয়ত তারা জানে না, ওসি প্রদীপ একটি নাম মাত্র! বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী ও অন্যান্য বাহিনী মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ‘মাদক ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স’ নীতি পালন করার জন্য প্রয়োজনে যৌথবাহিনী গঠন করে একযুগে কাজ করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষনা বাস্তবায়নে দীপ্ত প্রতীজ্ঞাবদ্ধ। প্রয়োজনে মাদক নির্মূলে পুলিশ ও সেবাবাহিনীর যৌথ তৎপরতা চালানো হোক। যেকোন মূল্যেই মাদক নির্মূল করে তরুন ও যুব সমাজকে মাদকের করাল গ্রাস থেকে মুক্ত করে অনিশ্চিত বিপর্যয় থেকে দেশ ও জাতিকে রক্ষা ও মুক্ত করার উদাত্ত আহবান থাকবে।

দেখা গেছে অনেক মাদক কারবারি লাপাত্তা ছিল বেশ কিছুদিন! বর্তমানে আবার জনসম্মুখে ও একই পেশায় দেখা যাচ্ছে। তারা ভেবেছেন, ওসি প্রদীপ নেই এখন তারা বেঁচে গেছেন! আমরা মাদকের বিরুদ্ধে চলনান অভিযান অব্যাহত রাখার জোর দাবি জানাচ্ছি। আমরা বৃহত্তর কক্সবাজার তথা সীমান্তবর্তী উখিয়া-টেকনাফ বাসী মাদকের তকমা নিয়ে আর বাঁচতে চাইনা। প্রশাসনের প্রতি সনির্বন্ধ অনুরোধ জানাচ্ছি মাদক কারবারিদের প্রতিহত করুন, তাদের যেখানেই পাবেন না কেন আইনের আওতায় নিয়ে আসুন। আমজনতা ও সম্মানীত এলাকাবাসী ও দেশবাসীকে অনুরোধ করছি, নিজ নিজ এলাকা থেকে, সমাজ থেকে, নিজ নিজ অবস্থান থেকে মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ দূর্গ গড়ে তুলুন এবং মাদক কারবারিদের তথ্য দিয়ে প্রশাসনকে সহযোগিতা করুন। আবার কোন নিরপরাধ মানুষ অযাচিত হয়রানীর শিকার না হয়, সেদিকেও খুব সতর্ক দৃষ্টি নিক্ষেপ করতে হবে। আমরা মাদক মুক্ত সমাজ চাই। একটি শান্তিপূর্ণ সমাজ ব্যবস্থা ও একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য সবাই মিলে হাতে হাত, কাঁধে কাঁধ রেখে দীপ্ত কন্ঠে ঘোষনা করি ” চল যাই যুদ্ধে, মাদকের বিরুদ্ধে”।

লেখকঃ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক- বিএমএসএফ কক্সবাজার জেলা শাখা ও ভাইস প্রেসিডেন্ট- -উপজেলা প্রেসক্লাব উখিয়া।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো খবর....