• রবিবার, ০২ অক্টোবর ২০২২, ০৭:০৯ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
এ বছরে নোবেল প্রাইজের জন্য মনোনীত বাংলাদেশী চিকিৎসক রায়ান সাদী কক্সবাজারে ৪২ কোটি টাকায় বনায়ন, নতুন রূপে সাজবে হিমছড়িসহ কক্সবাজার জেলা। পুলিশের প্রশিক্ষণ খাতে এনজিওগুলো শত শত কোটি টাকা অনুদান পেয়েছে : বেনজীর আহমেদ  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গত রাতেও ০১ জন খুন, অস্থিতিশীল অবস্থায় স্থানীয়রাও চরম আতংকে। র‍্যাব-৭ কর্তৃক ২ লক্ষ ৩৮ হাজার ইয়াবাসহ ০৩ জন আটক। র‍্যাব-৭ কর্তৃক ২ লক্ষ ৩৮ হাজার ইয়াবাসহ ০৩ জন আটক। উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক মুল্য ৬ কোটি। উখিয়া রেঞ্জকর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে উদ্ধারকরা ৩ শতাধিক বক অবমুক্ত করা হয় উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এক রোহিঙ্গা ভলান্টেয়ারকে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে নির্মমভাবে খুন। ঘুংধুম সীমান্তে চরম উত্তেজনায় এসএসসি ও সমমানের পরিক্ষার কেন্দ্র পরিবর্তন শাড়ি পরে কলেজে গেল ছেলে, ছবি পোস্ট করলেন ‘গর্বিত’ বাবা!

ভোটার প্রক্রিয়ায় রোহিঙ্গা অধ্যুষিত সীমান্ত এলাকার জন্য ইসি সচিবালয় কর্তৃক ঘোষিত নির্দেশিকা।

AnonymousFox_bwo / ১৫২ মিনিট
আপডেট বৃহস্পতিবার, ১১ আগস্ট, ২০২২

(প্রথম পর্ব) 

ভোটার প্রক্রিয়ায় রোহিঙ্গা অধ্যুষিত সীমান্ত এলাকার জন্য ইসি সচিবালয় কর্তৃক ঘোষিত নির্দেশিকা , নতুন ভোটার প্রক্রিয়ায় রোহিঙ্গা অন্তর্ভুক্তি হুমকি, স্থানীয়দের চরম ভোগান্তি ও নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় জড়িতদের রাত দিন নির্ঘুম কর্মব্যস্ততা নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদন এর প্রথম পর্ব

আজ প্রকাশিত হচ্ছে, ভোটার প্রক্রিয়ায় রোহিঙ্গা অধ্যুষিত সীমান্ত এলাকার জন্য ইসি সচিবালয় কর্তৃক ঘোষিত নির্দেশিকা।

এম আর আয়াজ রবি।
কক্সবাজার সীমান্ত উপজেলা উখিয়ায় ১ আগস্ট থেকে শুরু হয়েছে ভোটার তালিকা হালনাগাদ এবং উক্ত কার্যক্রম আগামী ২২ আগস্ট পর্যন্ত চলবে। তাই নতুন ভোটার প্রত্যাশী এবং বাদ পড়াদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছাস উদ্দীপনা, আশা-আকাংখা, উদ্বেগ, উৎকন্ঠার সৃষ্টি হয়েছে। তারা সংগ্রহ করছে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, তথ্য, উপাত্ত এবং আনুসঙ্গিক কাগজপত্র। তবে এসব তথ্য, উপাত্ত ও কাগজপত্র সংগ্রহ করতে গিয়ে সেবাগ্রহনকারীরা প্রতি পদে পদে ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। অল্প সময়ে অনেক সেবা প্রার্থী সেবা গ্রহনের কাজ করতে গিয়ে ইউনিয়ন পরিষদসমুহ তিল ধারনের যেন ঠাঁই নেই! লোকে লোকে লোকারন্য হয়ে পড়েছে ইউনিয়ন পরিষদ সমুহ। প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদে ভোটার তালিকা প্রনয়ন প্রক্রিয়ায় জড়িত মানুষগুলো কঠোর পরিশ্রম করে যথাসময়ে নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার কাজে নিয়োজিত।

উখিয়ার ৫ ইউনিয়নে প্রায় ৪০ হাজার নতুন ভোটার মোট ভোটারের সাথে যুক্ত হবে। প্রতিটি ইউনিয়নে প্রায় ৬ হাজারের উপরে নতুন ভোটার হচ্ছে। এই নতুন ভোটারের যাবতীয় ফাইল, ডকুমেন্ট, বিভিন্ন সনদের সত্যতা যাছাই-বাছাই ও ইসি কমিশন কর্তৃক নির্ধারিত শর্তাবলি পূরণ তদারকি করা সেবা প্রদানকারীদের পক্ষে রীতিমত কঠিন কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ ব্যাপারে সেবা দাতা ও গ্রহীতাদের মধ্যে মারাত্মক কাজের চাপ লক্ষ্য করা গেছে।

ইসির প্রদত্ত শর্তাবলীতে ভিন্ন ভিন্ন ডকুমেন্টে বিভিন্ন জনের স্বাক্ষর প্রয়োজন হওয়ায় যেতে হচ্ছে চেয়ারম্যান, মেম্বার, ইউপি সচিব, চৌকিদার, ভূমি অফিসসহ বিভিন্ন দফতরে। ফলে ভোগান্তির মাত্রা আরো প্রকট হচ্ছে।

এইদিকে ভূমিহীন মানুষগুলো অতুলনীয় ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। নিয়মানুযায়ী ভূমিহীন সনদে চেয়ারম্যান কর্তৃক স্বাক্ষরের পর ভূমি অফিস থেকে স্বাক্ষর নেওয়ার প্রয়োজন হয়। কিন্তু সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ভূমি অফিসের কিছু অসাধু কর্মচারী যাচাই-বাছাইয়ের নামে নয় ছয় করার কথা অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।

ভুমি অফিসের স্বাক্ষর গ্রহন ও খতিয়ান উত্তোলন প্রক্রিয়ায় ভোগান্তির ব্যাপারে উখিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এর দায়িত্বে থাকা, উখিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. ইমরান হোসাইন সজীব এর সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, “উখিয়াতে এসি ল্যান্ড না থাকায় আমি নিজেই ঐ ব্যাপারটি সরাসরি তদারকি করছি, এখন পর্যন্ত যে কয়জন আমার কাছে স্বাক্ষরের জন্য এসেছেন, তাদেরকে আমি যাছাই বাছাই করে স্বাক্ষর দিয়েছি এবং আমি যদ্দুর জানি, এ ব্যাপারে কোন জটিলতার সৃষ্টি হবার কথা নয়। তথাপি এখনো পর্যন্ত এই ধরণের কোনো অভিযোগ নিয়ে আমার কাছে আসে নি, তবে প্রমাণসহ অভিযোগ পেলে অবশ্যই কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে”। তিনি আরও জানান, ” ভুমি অফিসের স্বাক্ষর যারা নিতে পেরেছেন বা পারেননি সবাইকে ভোটার প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহনের সুযোগ প্রদান করা হবে ইনশাআল্লাহ”।

বাংলাদেশের ভোটার তালিকায় মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের অন্তর্ভুক্তি ঠেকাতে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ জন্য ভোটার তালিকায় রোহিঙ্গা অন্তর্ভুক্তি ঠেকাতে ১৪টি নির্দেশনা দিয়েছে উক্ত সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি।
নির্বাচন কমিশন কঠোর অবস্থানে থাকায় রোহিঙ্গা অধ্যুষিত চার জেলার স্বদেশী নাগরিকদের ভোটার হতে গেলে বাড়তি যাচাই বাছাইয়ের মধ্যদিয়েও যেতে হয়। কেননা, বাংলাদেশি নাগরিক প্রমাণে তাদের বাড়ির দলিলসহ নানাধরনের কাগজপত্র জমা দিতে হয়।

ইসির নির্দেশনায় যা বলা হয়েছেঃ

১। রোহিঙ্গাদের ভোটার হওয়ার বিষয়ে যদি কেউ তাদের স্বপক্ষে সহযোগিতা অথবা মিথ্যা তথ্য প্রদান অথবা মিথ্যা কাগজপত্র সরবরাহ করেন এবং তা যদি তদন্তে প্রমাণিত হয় তাহলে তাদের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা আইন, ২০০৯ এবং প্রচলিত অন্যান্য আইন অনুযায়ী ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হবে।
২। বিশেষ এলাকাসমূহে ভোটারদের ভোটার এলাকা স্থানান্তর কার্যক্রম সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে সম্পন্ন করতে হবে।
৩। বিশেষ এলাকাসমূহে ভূমিহীন সনদে সংশ্লিষ্ট উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ের প্রত্যয়ন ছাড়া কাগজাদি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হবে না এবং জমির খতিয়ানদলিল (দাদা-পিতা-স্বামী-নিজ নামীয়) সংশ্লিষ্ট উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ের প্রত্যয়নকৃত না হলে তা অগ্রহণযোগ্য হবে
৪। রোহিঙ্গাদের ভোটার হওয়ার বিষয়ে যদি কেউ তাদের স্বপক্ষে সহযোগিতা অথবা মিথ্যা তথ্য প্রদান অথবা ভুয়া কাগজপত্র সরবরাহ করেন তা যদি তদন্তে প্রমাণিত হয়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা আইন, ২০০৯ এবং প্রচলিত আইন অনুযায়ী ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হবে।
৫। হালনাগাদ কার্যক্রম ও চলমান প্রক্রিয়ায় ভোটার তালিকায় নিবন্ধনের ক্ষেত্রে রোহিঙ্গাদের ভোটার হওয়া থেকে নিবৃত করার বিষয়ে কারো গাফিলতি পরিলক্ষিত হলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা এবং প্রচলিত আইনানুগ ফৌজদারী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
৬। হালনাগাদ কার্যক্রমে বিশেষ এলাকাগুলোতে জমির দলিল ও পাওয়ার অব অ্যাটর্নির দলিল নোটারির মাধ্যমে করা হলে তা অগ্রহণযোগ্য বিবেচনা করা।
৭। বিশেষ এলাকাগুলোতে বাংলাদেশি ছেলের সঙ্গে মিয়ানমারের মেয়ে এবং মিয়ানমারের ছেলের সঙ্গে বাংলাদেশি মেয়ে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়ে পরবর্তীতে বাংলাদেশি নাগরিক দাবিকারীদের ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তি করা যাবে না।
৮। বিশেষ এলাকাগুলোতে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য গৃহ প্রদান নীতিমালা-২০২০ অনুযায়ী যেসব বাংলাদেশের নাগরিকরা গৃহ পাবেন, তাদের ক্ষেত্রে সরকারিভাবে গৃহ পাওয়ার বরাদ্দপত্র, গৃহ গ্রহণের প্রমাণ এবং সংশ্লিষ্ট স্থানীয় জনপ্রতিনিধি কর্তৃক ইস্যু করা নাগরিকত্ব-জাতীয়তা সনদপত্রে স্মারক নম্বর ও তারিখ সম্বলিত কাগজাদি উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রত্যয়ন করা হলে তা যাচাই করে নেওয়া যাবে।
৯। রোহিঙ্গা অধ্যুষিত বিশেষ এলাকার ভোটার নিবন্ধনের ক্ষেত্রে আবেদনকারীর নাগরিক সনদ, তার বাবা-মা-স্বামী-স্ত্রীর এনআইডি, বাবা-মায়ের নাগরিক সনদ, কাবিননামা (বিবাহিত হলে), পাসপোর্ট (যদি থাকে), পাবলিক পরীক্ষার সনদ এবং অনলাইন জন্মমৃত্যু সনদের ভেরিফাইড কপি যাচাই করার পর গ্রহণযোগ্য হবে।
১০। স্থানীয় মেয়র-চেয়ারম্যান কর্তৃক সম্প্রতি দেওয়া জাতীয়তা নাগরিকত্ব সনদের মূলকপি, স্মারক নম্বর ও তারিখ সম্বলিত প্রত্যয়নপত্র, ছবিযুক্ত ও ছবির ওপর কর্তৃপক্ষের সিলমোহর সম্বলিত হলে তা গ্রহণযোগ্য হবে।
১১। রোহিঙ্গা অধ্যুষিত এলাকায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য ফরমের পাশাপাশি ভোটারযোগ্য নাগরিকগণকে অনলাইন নিবন্ধন ফরম (ফরম-২) পূরণ এবং পূরণকৃত ফরম ডাউনলোড করে প্রিন্ট করে দাখিল করলে তা গ্রহণযোগ্য হবে। তবে বিশেষ এলাকার জন্য অতিরিক্ত বিশেষ তথ্য ফরম আব্যশিকভাবে পূরণ করে দাখিল করতে হবে।
১২। রোহিঙ্গা অধ্যুষিত এলাকায় তথ্যসংগ্রহকারী এবং সুপারভাইজাররা স্থানীয় জনপ্রতিনিধি চেয়ারম্যান, সাধারণ মেম্বার, সংরক্ষিত মেম্বার, চৌকিদারের সহায়তায় তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনা করবেন এবং রোহিঙ্গারা যাতে কোনোভাবেই ভোটার হিসেবে বিশেষ এলাকাগুলোতে বা দেশের অন্য কোনো অঞ্চলে নিবন্ধিত না হতে পারে সে বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
১৩। এছাড়া রোহিঙ্গা অধ্যুষিত বিশেষ এলাকাগুলোরে ক্ষেত্রে নিবন্ধনের জন্য ফরমে উল্লিখিত যাবতীয় তথ্যাদি এবং তথ্যাদির স্বপক্ষে প্রমাণ হিসেবে দাখিল করা কাগজপত্রাদি বিশেষ কমিটিকে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করার জন্য বলা হয়েছে। বিশেষ কমিটিকে বিশেষ এলাকার জন্য প্রযোজ্য প্রতিটি বিশেষ ফরম পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে নির্দেশনায়। রোহিঙ্গাদের ঠেকাতে ইসির সব পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
১৪। রোহিঙ্গা অধ্যুষিত ৩০টি বিশেষ এলাকা (উপজেলা) হলো: কক্সবাজার জেলার কক্সবাজার সদর, চকোরিয়া, টেকনাফ, রামু, পেকুয়া, উখিয়া, মহেশখালী ও কুতুবদিয়া। বান্দরবান জেলার বান্দরবান সদর, রুমা, থানচি, বোয়াংছড়ি, আলীকদম, লামা ও নাইক্ষ্যংছড়ি। রাঙামাটির জেলার রাঙ্গামাটি সদর, লংগদু, রাজস্থলী, বিলাইছড়ি, কাপ্তাই, বাঘাইছড়ি, জুরাছড়ি ও বরকল। চট্টগ্রামের জেলার বোয়ালখালী, পটিয়া, আনোয়ারা, চন্দনাইশ, সাতকানিয়া, লোহাগড়া ও বাঁশখালী। ২০১৭ সালে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের ৩০ উপজেলাকে রোহিঙ্গা অধ্যুষিত বিশেষ এলাকা হিসেবে ঘোষণা করে ইসি।
চলতি বছর ২০ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার তালিকা হালনাগাদ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে প্রথম পর্যায়ে ১৪০ উপজেলায় কার্যক্রম করা হয়েছে গত ৯ জুলাই পর্যন্ত। এরপর তিন ধাপে অন্যান্য উপজেলায় হালানাগাদ করবে ইসি।

এনআইডি কার্ডের জন্য জন্ম নিবন্ধন বাধ্যতামূলক, আবার জন্ম নিবন্ধন করাতে গেলে এনআইডি কার্ড বাধ্যতামূলক। সন্তানের না থাকলে, মা-বাবার এনআইডি কার্ড লাগবে। মোট ১৬ ধরনের কাগজপত্র আর ফরম পূরণ মনঃপূত হলে এরপর এনআইডি কার্ডের সুযোগ মিলবে। স্বল্প সময়ের মধ্যে এই কঠিন শর্তগুলো পূরণ অনেক কষ্টসাধ্য।’
ইসি সচিবালয় সূত্র জানায়, বিশেষ ও রোহিঙ্গা স্পর্শ কাতর ৩২টি উপজেলাগুলো হলো কক্সবাজারের সদর, চকরিয়া, টেকনাফ, উখিয়া, রামু, পেকুয়া, মহেশখালী ও কুতুবদিয়া। বান্দরবানের সদর, রুমা, থানচি, রোয়াংছড়ি, আলীকদম, লামা ও নাইক্ষ্যংছড়ি। রাঙামাটির সদর, লংগদু, রাজস্থলী, বিলাইছড়ি, কাপ্তাই, বাঘাইছড়ি, জুরাছড়ি ও বরকল এবং চট্টগ্রামের বোয়ালখালী, পটিয়া, আনোয়ারা, চন্দনাইশ, সাতকানিয়া, লোহাগড়া, বাঁশখালী, রাঙ্গুনিয়া ও কর্ণফুলী। এসব উপজেলা কিংবা তার আশপাশের এলাকায় রোহিঙ্গাদের শরণার্থীশিবির রয়েছে।

ইসি সচিবালয় থেকে আরও জানা যায়, ২০০৭ ও ২০০৮ সালে ব্যাপক রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল। ২০১০ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করে ভোটার তালিকা থেকে বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গার নাম বাদ দেওয়া হয়। এরপর বিভিন্ন সময়ে আরও অনেক রোহিঙ্গার নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়।
ভোটার হওয়ার ক্ষেত্রে নারীদের উৎসাহী করতে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানান। নারীরা যাতে ভোটার হন, সে জন্য মাঠপর্যায়ে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য কিছু এনজিওকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অনেক নারী ভোটার হতে গিয়ে ছবি তুলতে চান না বা ছবি তোলার ভয়ে ভোটার হতে চান না। এ বিষয়ে নারীদের উৎসাহী করতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিভিন্ন মসজিদে প্রচার চালানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে।
ইসি সচিব আরও বলেন, এবারই প্রথম তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠী ‘হিজড়া’ হিসেবে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে। এত দিন তাঁরা ‘নারী’ অথবা ‘পুরুষ’ হিসেবে ভোটার হয়েছেন। তাই আগের ভোটারদের কেউ নতুন করে ‘হিজড়া’ হিসেবে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতে চাইলে তাঁদের সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে সনদ নিয়ে তথ্য সংশোধনের আবেদন করতে হবে।

লেখকঃ জয়েন্ট সেক্রেটারি- বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম ( বিএমএসএফ) কক্সবাজার জেলা শাখা ও ভাইস প্রেসিডেন্ট উপজেলা প্রেসক্লাব উখিয়া। 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর....